যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের তালিকা অনুযায়ী, বিরল রোগের ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ওষুধ, কোষভিত্তিক থেরাপি, জিন থেরাপি, পারমাণবিক চিকিৎসা, প্লাজমা থেকে তৈরি চিকিৎসা এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটসহ নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধে শূন্য শুল্ক প্রযোজ্য হবে। এসব ওষুধ তৈরির সংশ্লিষ্ট উপাদানও সুবিধার আওতায় থাকবে। তবে এ ছাড় নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে প্রযোজ্য।
শূন্য শুল্কের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ভারত, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম।
ট্রাম্প প্রশাসনের এপ্রিলের ঘোষণার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাণিজ্য সম্প্রসারণ আইনের ২৩২ ধারায় ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল আমদানির শুল্ক কাঠামো সমন্বয় করা হয়েছে। নির্দিষ্ট পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিধান ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে যোগ্য বিশেষায়িত পণ্যে শূন্য শুল্কের সুবিধা থাকবে।
মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের নোটিশে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে বর্তমান বা আসন্ন বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোর ভিত্তিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। জেনেরিক ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান ২৩২ ধারার ওষুধ শুল্কের আওতায় পড়বে না। পাশাপাশি ‘জেনেরিক ঔষধ সামগ্রী’র সংজ্ঞায় পেটেন্টবিহীন পশুস্বাস্থ্য পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ‘ঔষধ সামগ্রী’ বলতে প্রস্তুত ওষুধ, সক্রিয় ঔষধীয় উপাদান এবং সেগুলোর মূল কাঁচামাল বোঝানো হয়েছে। এই ব্যবস্থা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন শুল্ক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্দিষ্ট পণ্যের আমদানি সহজ রাখার উদ্যোগ হিসেবে নেওয়া হয়েছে মার্কিন বাজারে।