সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬২৮ পৌষ, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আন্তর্জাতিক

মুশারফের জমানায় ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উত্থানপতন

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২:২৬

শেয়ার করুনঃ
মুশারফের জমানায় ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উত্থানপতন

স্থানীয় নেতারা বার বার দাবি করে গিয়েছেন, কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বলা হোক। অতীতে সেই চেষ্টা যে হয়নি, তা কিন্তু একেবারেই নয়। ২০০১ সালের জুলাইয়ে আগরায় টেবিলে বসে কাশ্মীর নিয়ে চুক্তিতে শুধু সই করার অপেক্ষা ছিল। তার কয়েক মুহূর্ত আগেই ভেস্তে যায় সেই চুক্তি সই। মনে করা হয়, এ জন্য অনেকাংশেই দায়ী পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মুশারফ। কার্গিল যুদ্ধের কারণে আগরা চুক্তির টেবিলে বসার আগেই ভারতের বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। তাঁর কারণেই বার বার ওঠানামা করেছে ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের গ্রাফ।

১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই কার্গিল যুদ্ধ শহিদ হয়েছিলেন প্রায় ৫০০ জন ভারতীয় জওয়ান। অথচ সেই বছরের শুরুতেই দুই দেশের সম্পর্ক ভিন্ন এক মাত্রায় পৌঁছেছিল। দিল্লি থেকে লাহোর পর্যন্ত ‘সদা-এ-সরহদ’ বাস পরিষেবা চালু হয়েছিল। ওয়াঘা-আট্টারি সীমান্ত দিয়ে চলাচল করত সেই বাস। কার্গিল যুদ্ধের সময়েও চালু ছিল বাস পরিষেবা। ওই বাসে চেপে লাহোর গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা। সে সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নওয়াজ শরিফ। লাহোরে দাঁড়িয়ে অটল বলেছিলেন, ‘‘আমি যুদ্ধ হতে দেব না। তিন বার লড়েছি। খুব দামি ছিল সেই সওদা। আমি আর যুদ্ধ হতে দেব না।’’ তখনও অটল জানতেন না, আর কয়েক মাস পর আরও এক যুদ্ধ লড়বে দুই প্রতিবেশী দেশ।

আরও

ইরানে দমন-পীড়ন, সামরিক হামলার বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে দমন-পীড়ন, সামরিক হামলার বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, তৎকালীন পাক সেনাপ্রধান নওয়াজ শরিফের উচ্চাশার কারণেই দুই দেশের সৌহার্দ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। নিজেদের ক্ষমতা না মেপেই কার্গিলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুশারফ। আর সে জন্য মুখ পুড়েছিল পাকিস্তানের। পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, পূর্বতন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোকেও কার্গিল আক্রমণের রূপরেখা দেখিয়েছিলেন তিনি। বেনজির খারিজ করে দেন সেই পরিকল্পনা। কিন্তু নওয়াজের ক্ষেত্রে আর সে রকম হয়নি।

১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই জম্মু এবং কাশ্মীরের দ্রাস-কার্গিল সেক্টরে চলে লড়াই। পাকিস্তানের দিক থেকে নাগাড়ে অনুপ্রবেশ চলতে থাকে কার্গিলে। পাকিস্তান প্রথমে দাবি করেছিল, জঙ্গিরাই এ সব করছে। পরে যদিও নিজের আত্মজীবনী ‘ইন দ্য লাইফ অব ফায়ার’-এ মুশারফ স্বীকার করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ছিল পাক সেনাও। মনে করা হয়, মুশারফ ভেবেছিলেন দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ যুদ্ধ করছে দেখে হস্তক্ষেপ করবে আমেরিকা-সহ আন্তর্জাতিক মহল। তাতে লাভের ধন আসবে পাকিস্তানেরই ঘরে। কাশ্মীরের ভূখণ্ড চলে আসবে তাদের দখলে।

ভারত-পাকিস্তান
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

আরও

ইরানে দমন-পীড়ন, সামরিক হামলার বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে দমন-পীড়ন, সামরিক হামলার বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

কিন্তু আন্তর্জাতিক মহলকে কিছু করতে হয়নি। তার আগেই পাক সেনাবাহিনীকে শায়েস্তা করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই বিজয় ঘোষণা করে ভারত। বহু বছর পর নওয়াজের প্রাক্তন সহকারী দাবি করেছিলেন, তাঁর আমলে ভারতের সঙ্গে যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠছিল, তা ভেস্তে দিতেই কার্গিলে যুদ্ধ বাধিয়েছিলেন মুশারফ। ওই বছরই অক্টোবরে নওয়াজকে ক্ষমতাচ্যুত করে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পদে বসেন মুশারফ। নওয়াজের সহকারী রশিদ যদিও মনে করেন, নওয়াজকে ক্ষমতাচ্যুত করার থেকেও মুশারফ বেশি ‘অপরাধ’ করেছেন কাশ্মীরিদের যন্ত্রণা দিয়ে। তাঁর জন্যই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হয়নি।

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের জন্য ২০০১ সালের জুলাই মাসে সস্ত্রীক আগরা এসেছিলেন মুশারফ। তখন তিনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট। কাশ্মীর সমস্যার জন্য চার পয়েন্টের একটি সমাধান তৈরি করেছিলেন তিনি। কী ছিল সেই সমাধান সূত্র? এক, নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) থেকে দুই দেশের ক্রমে সেনা সরাবে। দুই, কাশ্মীর সীমান্তে কোনও রদবদল হবে না। তবে কাশ্মীরের মানুষ নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ইচ্ছামতো যাতায়াত করতে পারবেন। তিন, কাশ্মীরকে স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। বাজপেয়ী এটি নিয়ে খুব বেশি আপত্তি করেননি। চার, জম্মু ও কাশ্মীরে নজর রাখবে ভারত, পাকিস্তান এবং স্থানীয় কাশ্মিরী নেতৃত্ব।

শেষ পর্যন্ত সেই চুক্তি ভেস্তে যায়। ২০০৪ সালে একটি সাক্ষাৎকারে আগরা চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার জন্য ভারতকেই দায়ী করেন মুশারফ। তিনি বলেন, ‘‘আমায় বলা হয়েছিল, ভারতীয় মন্ত্রিসভা এই চুক্তিতে সায় দেয়নি।’’ অন্য একটি সূত্র দাবি করে, এই চুক্তি সইয়ে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি। ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা (রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং)-এর প্রাক্তন প্রধান এএস দুলাত ২০১৫ সালে দাবি করেছিলেন, তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীর জন্যই আগরায় চুক্তি সই হয়নি। মুশারফের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন আডবাণী। সেখানে দাউদের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। তাতেই নাকি অন্য পথে বয়েছিল স্রোত।

তবে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ মনে করে, বাজপেয়ীই আর বিশ্বাস করতে পারেননি মুশারফকে। ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে গিয়ে শান্তির কথা বলেছিলেন। তিন মাসও কেটেছিল না। কার্গিল দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে মুশারফের নেতৃত্বাধীন পাক সেনা। সেই মুশারফ আর নাকি আস্থা রাখতে চাননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী। অগত্যা খালি হাতে ইসলামাবাদ ফিরতে হয়েছিল মুশারফকে। পাকিস্তানে গিয়ে মুখ পুড়েছিল তাঁর। দেশে আর্থিক সংস্কারের জন্য অনেক নীতি এনেছিলেন মুশারফ। সে জন্য প্রশংসাও পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সৌহার্দ্য গড়ে তোলার কৃতিত্ব অধরাই থেকে গিয়েছে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের।

সূত্র: আনন্দবাজার

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশ ভারতে খেলবে না, বিকল্প ভেন্যু প্রস্তুত পাকিস্তানে !

বাংলাদেশ ভারতে খেলবে না, বিকল্প ভেন্যু প্রস্তুত পাকিস্তানে !

ট্রাম্পের রণপ্রস্তুতি ও ইসরায়েলের সতর্কতা, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তেহরান!

ট্রাম্পের রণপ্রস্তুতি ও ইসরায়েলের সতর্কতা, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তেহরান!

হাকিমপুরে প্রয়াত খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

হাকিমপুরে প্রয়াত খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

নতুন হজ নির্দেশনা জারি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের, ফ্লাইট শুরু এপ্রিল ১৮

নতুন হজ নির্দেশনা জারি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের, ফ্লাইট শুরু এপ্রিল ১৮

জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতায় শেষ মুহূর্তের জট হাতপাখা!

জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতায় শেষ মুহূর্তের জট হাতপাখা!

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীফ হাদির হত্যাকারী ফয়সাল মেঘালয়ে অবস্থান করছে: ডিবি প্রধান

শরীফ হাদির হত্যাকারী ফয়সাল মেঘালয়ে অবস্থান করছে: ডিবি প্রধান

খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়: এবিএম মোশাররফ হোসেন

খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়: এবিএম মোশাররফ হোসেন

বিএনপি নেতার সাথে থানায় যুবলীগ নেতা; আটক করে হাজতে পাঠালো পুলিশ

বিএনপি নেতার সাথে থানায় যুবলীগ নেতা; আটক করে হাজতে পাঠালো পুলিশ

অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মুছাব্বির হত্যা: ফখরুল

অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মুছাব্বির হত্যা: ফখরুল

জুলাই অভ্যুত্থান যোদ্ধাদের জন্য দায়মুক্তি অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

জুলাই অভ্যুত্থান যোদ্ধাদের জন্য দায়মুক্তি অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ট্রাম্পের রণপ্রস্তুতি ও ইসরায়েলের সতর্কতা, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তেহরান!

ট্রাম্পের রণপ্রস্তুতি ও ইসরায়েলের সতর্কতা, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তেহরান!

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সংকেত দিন দিন দৃঢ় হচ্ছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানায়, গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল পরিমাণ যুদ্ধ সরঞ্জাম ও সামরিক সম্পদ স্থানান্তর করেছে। এই পদক্ষেপ একটি বড় সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরে তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর কোনোভাবেই বলপ্রয়োগ করা উচিত

বাংলাদেশ ও চীনকে নজরদারিতে নতুন নৌঘাঁটি করছে ভারত

বাংলাদেশ ও চীনকে নজরদারিতে নতুন নৌঘাঁটি করছে ভারত

বাংলাদেশ ও চীনের সামরিক তৎপরতা নজরদারিতে রাখতে পশ্চিমবঙ্গের বন্দরনগরী হলদিয়ায় নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতের নৌবাহিনী। বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে চীনা নৌবাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক সমীকরণ বিবেচনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্র। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে–কে নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মধ্যে সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সামরিক

ইরানে দমন-পীড়ন, সামরিক হামলার বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে দমন-পীড়ন, সামরিক হামলার বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলার বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, ইরানে কীভাবে হামলা চালানো যেতে পারে সে বিষয়ে একাধিক সামরিক ও কৌশলগত বিকল্প ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্টের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু ও হামলার

ইরানে তীব্র হচ্ছে বিক্ষোভ, রেড লাইন ঘোষণা বিপ্লবী গার্ডের

ইরানে তীব্র হচ্ছে বিক্ষোভ, রেড লাইন ঘোষণা বিপ্লবী গার্ডের

ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জনসম্পত্তি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার জন্য ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করেছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, গত দুই রাতে সন্ত্রাসীরা সামরিক ও আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে কয়েকজন নাগরিক ও নিরাপত্তা কর্মীকে হত্যা করেছে এবং সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে। আইআরজিসি জানায়, এ ধরনের

যে কোন মূল্যে গ্রিনল্যান্ড দখলে অনড় ট্রাম্প

যে কোন মূল্যে গ্রিনল্যান্ড দখলে অনড় ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো না কোনোভাবে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবেই। দ্বীপটির জনগণ বা ডেনমার্ক এই পরিকল্পনা পছন্দ করুক কিংবা না করুক—ওয়াশিংটন সেখানে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের তেল শিল্পের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে এক বৈঠকে ট্রাম্প এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না নেয়, তাহলে সেখানে রাশিয়া অথবা চীন প্রভাব