মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আন্তর্জাতিক

মুশারফের জমানায় ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উত্থানপতন

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২:২৬

শেয়ার করুনঃ
মুশারফের জমানায় ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উত্থানপতন

স্থানীয় নেতারা বার বার দাবি করে গিয়েছেন, কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বলা হোক। অতীতে সেই চেষ্টা যে হয়নি, তা কিন্তু একেবারেই নয়। ২০০১ সালের জুলাইয়ে আগরায় টেবিলে বসে কাশ্মীর নিয়ে চুক্তিতে শুধু সই করার অপেক্ষা ছিল। তার কয়েক মুহূর্ত আগেই ভেস্তে যায় সেই চুক্তি সই। মনে করা হয়, এ জন্য অনেকাংশেই দায়ী পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মুশারফ। কার্গিল যুদ্ধের কারণে আগরা চুক্তির টেবিলে বসার আগেই ভারতের বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। তাঁর কারণেই বার বার ওঠানামা করেছে ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের গ্রাফ।

১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই কার্গিল যুদ্ধ শহিদ হয়েছিলেন প্রায় ৫০০ জন ভারতীয় জওয়ান। অথচ সেই বছরের শুরুতেই দুই দেশের সম্পর্ক ভিন্ন এক মাত্রায় পৌঁছেছিল। দিল্লি থেকে লাহোর পর্যন্ত ‘সদা-এ-সরহদ’ বাস পরিষেবা চালু হয়েছিল। ওয়াঘা-আট্টারি সীমান্ত দিয়ে চলাচল করত সেই বাস। কার্গিল যুদ্ধের সময়েও চালু ছিল বাস পরিষেবা। ওই বাসে চেপে লাহোর গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা। সে সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নওয়াজ শরিফ। লাহোরে দাঁড়িয়ে অটল বলেছিলেন, ‘‘আমি যুদ্ধ হতে দেব না। তিন বার লড়েছি। খুব দামি ছিল সেই সওদা। আমি আর যুদ্ধ হতে দেব না।’’ তখনও অটল জানতেন না, আর কয়েক মাস পর আরও এক যুদ্ধ লড়বে দুই প্রতিবেশী দেশ।

আরও

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, তৎকালীন পাক সেনাপ্রধান নওয়াজ শরিফের উচ্চাশার কারণেই দুই দেশের সৌহার্দ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। নিজেদের ক্ষমতা না মেপেই কার্গিলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুশারফ। আর সে জন্য মুখ পুড়েছিল পাকিস্তানের। পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, পূর্বতন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোকেও কার্গিল আক্রমণের রূপরেখা দেখিয়েছিলেন তিনি। বেনজির খারিজ করে দেন সেই পরিকল্পনা। কিন্তু নওয়াজের ক্ষেত্রে আর সে রকম হয়নি।

১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই জম্মু এবং কাশ্মীরের দ্রাস-কার্গিল সেক্টরে চলে লড়াই। পাকিস্তানের দিক থেকে নাগাড়ে অনুপ্রবেশ চলতে থাকে কার্গিলে। পাকিস্তান প্রথমে দাবি করেছিল, জঙ্গিরাই এ সব করছে। পরে যদিও নিজের আত্মজীবনী ‘ইন দ্য লাইফ অব ফায়ার’-এ মুশারফ স্বীকার করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ছিল পাক সেনাও। মনে করা হয়, মুশারফ ভেবেছিলেন দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ যুদ্ধ করছে দেখে হস্তক্ষেপ করবে আমেরিকা-সহ আন্তর্জাতিক মহল। তাতে লাভের ধন আসবে পাকিস্তানেরই ঘরে। কাশ্মীরের ভূখণ্ড চলে আসবে তাদের দখলে।

আরও

নেতানিয়াহুকে ফোনে ‘পাগল’ বলে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প

নেতানিয়াহুকে ফোনে ‘পাগল’ বলে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প

কিন্তু আন্তর্জাতিক মহলকে কিছু করতে হয়নি। তার আগেই পাক সেনাবাহিনীকে শায়েস্তা করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই বিজয় ঘোষণা করে ভারত। বহু বছর পর নওয়াজের প্রাক্তন সহকারী দাবি করেছিলেন, তাঁর আমলে ভারতের সঙ্গে যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠছিল, তা ভেস্তে দিতেই কার্গিলে যুদ্ধ বাধিয়েছিলেন মুশারফ। ওই বছরই অক্টোবরে নওয়াজকে ক্ষমতাচ্যুত করে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পদে বসেন মুশারফ। নওয়াজের সহকারী রশিদ যদিও মনে করেন, নওয়াজকে ক্ষমতাচ্যুত করার থেকেও মুশারফ বেশি ‘অপরাধ’ করেছেন কাশ্মীরিদের যন্ত্রণা দিয়ে। তাঁর জন্যই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হয়নি।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের জন্য ২০০১ সালের জুলাই মাসে সস্ত্রীক আগরা এসেছিলেন মুশারফ। তখন তিনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট। কাশ্মীর সমস্যার জন্য চার পয়েন্টের একটি সমাধান তৈরি করেছিলেন তিনি। কী ছিল সেই সমাধান সূত্র? এক, নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) থেকে দুই দেশের ক্রমে সেনা সরাবে। দুই, কাশ্মীর সীমান্তে কোনও রদবদল হবে না। তবে কাশ্মীরের মানুষ নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ইচ্ছামতো যাতায়াত করতে পারবেন। তিন, কাশ্মীরকে স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। বাজপেয়ী এটি নিয়ে খুব বেশি আপত্তি করেননি। চার, জম্মু ও কাশ্মীরে নজর রাখবে ভারত, পাকিস্তান এবং স্থানীয় কাশ্মিরী নেতৃত্ব।

শেষ পর্যন্ত সেই চুক্তি ভেস্তে যায়। ২০০৪ সালে একটি সাক্ষাৎকারে আগরা চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার জন্য ভারতকেই দায়ী করেন মুশারফ। তিনি বলেন, ‘‘আমায় বলা হয়েছিল, ভারতীয় মন্ত্রিসভা এই চুক্তিতে সায় দেয়নি।’’ অন্য একটি সূত্র দাবি করে, এই চুক্তি সইয়ে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি। ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা (রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং)-এর প্রাক্তন প্রধান এএস দুলাত ২০১৫ সালে দাবি করেছিলেন, তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীর জন্যই আগরায় চুক্তি সই হয়নি। মুশারফের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন আডবাণী। সেখানে দাউদের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। তাতেই নাকি অন্য পথে বয়েছিল স্রোত।

তবে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ মনে করে, বাজপেয়ীই আর বিশ্বাস করতে পারেননি মুশারফকে। ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে গিয়ে শান্তির কথা বলেছিলেন। তিন মাসও কেটেছিল না। কার্গিল দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে মুশারফের নেতৃত্বাধীন পাক সেনা। সেই মুশারফ আর নাকি আস্থা রাখতে চাননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী। অগত্যা খালি হাতে ইসলামাবাদ ফিরতে হয়েছিল মুশারফকে। পাকিস্তানে গিয়ে মুখ পুড়েছিল তাঁর। দেশে আর্থিক সংস্কারের জন্য অনেক নীতি এনেছিলেন মুশারফ। সে জন্য প্রশংসাও পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সৌহার্দ্য গড়ে তোলার কৃতিত্ব অধরাই থেকে গিয়েছে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের।

সূত্র: আনন্দবাজার

ভারত-পাকিস্তান
https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

সিরাজগঞ্জে ‘জ্বীনের বাদশা’ পরিচয়ে প্রতারণা, অত:পর ...

সিরাজগঞ্জে ‘জ্বীনের বাদশা’ পরিচয়ে প্রতারণা, অত:পর ...

হিলিতে শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, আহত তিন

হিলিতে শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, আহত তিন

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে সরাইলে মানববন্ধন

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে সরাইলে মানববন্ধন

কালাছড়া সংরক্ষিত বনে বাড়ছে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

কালাছড়া সংরক্ষিত বনে বাড়ছে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

কালবৈশাখীতে রাজাপুরে বিদ্যালয়ের দুই শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঠদান ব্যাহতের শঙ্কা

কালবৈশাখীতে রাজাপুরে বিদ্যালয়ের দুই শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঠদান ব্যাহতের শঙ্কা

হাকিমপুরে মাদকসহ পুলিশের হাতে দুই জন গ্রেফতার

হাকিমপুরে মাদকসহ পুলিশের হাতে দুই জন গ্রেফতার

আগামীকাল রাজাপুরে অর্ধশত পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন

আগামীকাল রাজাপুরে অর্ধশত পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন

হিলিতে টুংটাং শব্দে নির্ঘুম কামাড় পল্লী

হিলিতে টুংটাং শব্দে নির্ঘুম কামাড় পল্লী

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ভারত মিয়ানমার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর ইঙ্গিত

ভারত মিয়ানমার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর ইঙ্গিত

বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক সহায়তা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা— এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মায়ানমারের সফররত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেন যে, ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো কাজে মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার

ইরানের ধৈর্যেরও একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে: ইরান

ইরানের ধৈর্যেরও একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে: ইরান

লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক আগ্রাসন এবং ইরানের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কথিত অবৈধ অবরোধের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তেল আবিব ও ওয়াশিংটনকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি বলেন, “ইরানের ধৈর্যেরও একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন সামুদ্রিক অবরোধ কিংবা লেবানন সীমান্তে নতুন উত্তেজনা ইরান কোনোভাবেই মেনে নেবে

নেতানিয়াহুকে ফোনে ‘পাগল’ বলে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প

নেতানিয়াহুকে ফোনে ‘পাগল’ বলে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর মধ্যে টেলিফোনে তীব্র বাক্যালাপ হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সিএনএন ও অ্যাক্সিওস-এর বরাতে জানা যায়, লেবাননের বেইরুটে ইসরায়েলি সামরিক হামলা এবং এর ফলে আঞ্চলিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কথোপকথনের সময় তিনি নেতানিয়াহুকে সরাসরি “পাগল”

ইরান চুক্তি করতে আগ্রহী, দাবি ট্রাম্পের

ইরান চুক্তি করতে আগ্রহী, দাবি ট্রাম্পের

ইরান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, তেহরান সত্যিই একটি চুক্তি করতে চায় এবং শেষ পর্যন্ত যে সমঝোতা হবে, তা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান পরিস্থিতি

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামরিক ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির আভাস মিলতেই ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে একটি কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের সংসদ ও সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কিছু প্রভাবশালী সদস্য এই গোষ্ঠীর অংশ। তারা সংখ্যায় কম হলেও জনসভা, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক