
প্রকাশ: ৮ মার্চ ২০২৪, ২৩:২৬

মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলি সীমান্তের পার্শ্ববর্তী বিরামপুর উপজেলার ঘাসুড়িয়া সীমন্তে চারটি সোনার বারসহ একজন যুবককে আটক করেছে জয়পুরহাট-২০ ব্যাটালিয়ন এর বর্ডার গার্ড বিজিবি সদস্য।
আমি শুধু সোনার বারের বাহক বলে গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন বিজিবির হাতে সোনার বারসহ আটক হওয়া মোস্তাক হোসেন (২২) নামের এক যুবক।
শুক্রবার (৮ মার্চ) সকাল সাড়ে দশটায় বিরামপুর উপজেলার ঘাসুড়িয়া সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে চারটি সোনার বারসহ আটক করে জয়পুরহাট-২০ ব্যাটালিয়নের বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ঘাসুড়িয়া ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা।
আটক মোস্তক হোসেন (২২) ওই এলাকার দবিরুলের ছেলে।
এর আগে গত বুধবার হিলি সীমান্তের সাঁতকুড়ি রেলগেট এলাকা থেকে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার দশটি সোনার বারসহ মেহেদি হাসান(৩৪) নামের একজনকে আটক করেছিল বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

ঘাসুড়িয়া ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার গোপাল চন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবির হাতে আটক হওয়া যুবক মোস্তফা হোসেন বলেন, বিরামপুর এলাকা থেকে এক ব্যক্তি মাস খানেকের মধ্যে কাটলা বাজার এলাকায় আমার হাতে চারটি করে সোনার বার দিয়ে দেয়। আমি সোনার বারগুলো ভারতের এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে দিই।এর বিনিময়ে আমাকে ১শ করে মোট চারশ টাকা দেওয়া হয়।কয়েক মাসের মধ্যে আমি দশবার সোনার বার ভারতে পাঠিয়েছি।
ঘাসুড়িয়া ক্যাম্প কমান্ডার গোপাল চন্দ্র বলেন, বিরামপুর ঘাসুড়িয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে সোনা পাচার হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তে ওৎ পাতে বিজিবি। মোস্তাককে সন্ধেহ ভাজন ব্যক্তি হিসেবে আটক করা হয়। পরে দেহ তল্লাশি করে শরীরে বিশেষ ভাবে লুকিয়ে রাখা চারটি স্বর্ণের বার উদ্ধারসহ তাকে আটক করা হয়। আটক যুবকের বিরুদ্ধে সোনা চোরাচালান আইনে মামলা দায়ের পূর্বক বিরামপুর থানা পুলিশ এর কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখঃ এর আগে গত বুধবার বিরামপুর হাকিমপুর-আঞ্চলিক সড়কের সাঁতকুড়ি রেলগেট এলাকা থেকে মোটরসাইকেল করে সোনা পাচারের সময় ১০টি সোনার বারসহ মেহেদি হাসান(৩৪) নামের একজনকে আটক করেছে মংলা বিশেষ ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা।