
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৫:৫৯

প্রধান নির্বাচকের পদটি শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও অত্যন্ত সম্মানের। বাংলাদেশে গত দুই দশকে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়করা এই পদে এসেছেন। পদটি সম্মানের হলেও দিন শেষে চাকরি। বোর্ডের কাছে করতে হয় জবাবদিহিতা।
১৯৯৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জয়ী দলের অধিনায়ক আকরাম খান বিসিবির প্রধান নির্বাচক ছিলেন। বোর্ডের চাকুরি থেকে সরে এসে নির্বাচন করে পরিচালক হয়েছেন ২০১৩ সাল থেকে। আকরামের অর্ধযুগ আগে লিপু ক্রিকেট বোর্ডে পরিচালক ছিলেন। ক্রিকেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমিটি ক্রিকেট অপারেশন্স-এর চেয়ারম্যানই ছিলেন। ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির অধীনে ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগে কাজ করেন নির্বাচকরা। এক সময়ের অপারেশন্স চেয়ারম্যান, এখন প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব। সময় বড়ই বিচিত্র! নানা ঘটনা-অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়।

পড়াশোনা, ব্যক্তিত্ব, ক্রিকেট ও প্রশাসনিক জ্ঞানের সম্মিলনে লিপুর অবস্থান ভিন্ন উচ্চতায়। যোগ্যতা-সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ক্রিকেট রাজনীতির মেরুকরণে ছিলেন খানিকটা উপেক্ষিত। ২০১৩ সালে বিসিবি নির্বাচনে খালেদ মাহমুদ সুজনের বিপক্ষে হারের পর আর বিসিবিমুখো হননি। বাংলাদেশের ক্রিকেটের বোর্ডের গঠনতন্ত্রে সভাপতি নির্বাচিত হলেও তিনি আবার সাবেক ক্রিকেটারদের মধ্যে থেকে কাউন্সিলরশীপ প্রদান করতে পারেন। সর্বশেষ নির্বাচনে সাধারণ মানের ক্রিকেটার কাউন্সিলর হলেও বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর নামটি আসেনি।