প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০:৩৫
মুরগিকে ‘খুন’ করা হয়েছে, এমন অভিযোগ নিয়ে থানায় হাজির হয়েছেন এক দম্পতি। এমনকি মুরগির ময়নাতদন্তও দাবি করেছেন তারা। অভিযোগ আর দাবির কথা শুনে ভিমরি খাওয়ার যোগাড় পুলিশ কর্মকর্তার। যদিও পরে ওই দম্পতির চাপাচাপিতে অভিযোগ শুনতে হয় পুলিশ কর্মকর্তার। এমনকি পুলিশ এক পর্যায়ে ময়নাতদন্তেরও আশ্বাস দেয় দম্পতিকে।
পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির ধাপগঞ্জের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম এবং মুনসুরা বেগম দম্পতির এই কাণ্ড এখন গোটা রাজ্যের আলোচনার কেন্দ্রে।
অভিযোগের বরাত দিয়ে কলকাতার সংবাদমাধ্যম জানায়, আমিনুল-মুনসুরা দম্পতির বেশ কিছু পোষ্য মুরগি রয়েছে। ওই মুরগিগুলি মাঝেমধ্যেই প্রতিবেশী ইমাজ্জিন আলির মরিচ ক্ষেতে ঢুকে পড়তো। তাদের আনাগোনা ভালো চোখে দেখতেন না ইমাজ্জিন।
আমিনুল-মুনসুরার অভিযোগ, মুরগিগুলিকে শায়েস্তা করতে গত ২৩ ডিসেম্বর সেই ক্ষেতে বিষ-মিশ্রিত মুড়ি ও ভাত ছড়িয়ে রাখেন ইমাজ্জিন। সেই খাবার খায় মুরগিগুলি। তারপর আটটি মুরগিই মারা যায়।
ইমাজ্জিনকে সন্দেহ করে তার বাড়িতে গিয়ে ঝগড়ায়ও লিপ্ত হন মুনসুরা। পরে মরা মুরগিগুলিকে নিয়ে সোজা জলপাইগুড়ি আদালতেই যান আমিনুল এবং মুনসুরা। সেখান থেকে দু’জনকে কোতোয়ালি থানায় পাঠানো হয়।
থানা পুলিশ বলছে, ওই দম্পতি তাদের মুরগিগুলি ‘খুন’ হয়েছে দাবি করে ময়নাতদন্ত চাইছেন। যদিও আইন অনুযায়ী, কোনো পশু বা প্রাণীকে খুন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে সেক্ষেত্রে পুলিশের অভিযোগ নেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।