
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৪, ১:২৮

দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ খাসমহল লতীফ ইনষ্টিটিউশন, এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মঠবাড়িয়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশরাফুর রহমান। বরিশাল শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালা ২০০৯ এর ৩৯ নং ধারা অনুযায়ী আশরাফুর রহমানকে সভাপতি, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা নাসিমা বেগমকে শিক্ষক সদস্য এবং কামাল খানকে অভিভাবক সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ৪ সদস্যের এডহক কমিটি অনুমোদন দেন।
জানাগেছে, গত ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে স্থানীয় খাসমহল লতীফ ইনস্টিটিউশনের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়। পরে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও মুক্তিযোদ্ধা সহ সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলন ও মানববন্ধনের মাধ্যমে নানা নাটকীয়তার প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বিদায় নেয়। ফলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূণ্য হয়ে পড়ে এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলে আসছে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম।
এরই মাঝে সাবেক প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান আদালতে মামলা দায়ের করে পূর্নাঙ্গ কমিটির পথ রুদ্ধ করে দেয়। ফলে এডহক কমিটি দিয়ে কার্যক্রম পরিচালানা হচ্ছে বিদ্যালয়টির। প্রধান শিক্ষক এবং মানেজিং কমিটি না থাকায় দিনদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষাগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে, বিদ্যালয়টির অতীত ঐতিহ্য হারাতে বসে।
পরবর্তীতে সাবেক সংসদ সদস্য ডাঃ রুস্তুম আলী ফরাজী এডহক কমিটির সভাপতি হলে মঠবাড়িয়ার সুধীজনেরা আশা করেছিল এবার মামলাটি নিস্পত্তি করে পূর্নাঙ্গ কমিটি করে স্কুলটির সুনাম ফিরিয়ে আনবে। কিন্তু উক্ত কমিটির মেয়াদ শেষ হলে সংসদ সদস্যের স্ত্রীকে সভাপতি বানিয়ে সেই এডহক কমিটিতেই সীমাবদ্ধ থাকল। এতে বিদ্যালয়ের সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন অভিভাবকগন।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সম্প্রতি বরিশাল শিক্ষা বোর্ড পূর্বের কমিটি ভেঙে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও অত্র বিদ্যালয়ের একসময়ের মেধামী ছাত্র আশরাফুর রহমান সহ ৪ জনকে নিয়ে নতুন কমিটি অনুমোদন করেন।এতে মঠবাড়িয়ার সর্বস্তরের মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষকরা আনন্দ প্রকাশ করেন। সুশীল সমাজ মনে করেন মোঃ আশরাফুর রহমানের হাত ধরেই বিদ্যালয়টি তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে।
হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন জানতে চাইলে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া সভাপতি আশরাফুর রহমান বলেন, আমার প্রধান কাজ এবং লক্ষ হলো অভিভাবক সদস্য নির্বাচন, ম্যানেজিং কমিটি গঠন, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক পদ শূণ্য রয়েছে। দক্ষ, বিচক্ষন একজন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং একাডেমিক কার্যক্রমে গ্রুরুত্বারোপ করা। তাহলেই প্রতিষ্ঠানটি তার নিজস্ব রুপ ফিরে পাবে।