
প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৪, ১৯:৮

চায়ের রাজ্যখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা নেমেছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস এ তাপমাত্রা রেকর্ড করে। মাঘের শীত ও ঘন কুয়াশার দাপট আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, সেইসঙ্গে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠাণ্ডায় শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছেন বিপাকে। প্রকৃতি ঘন কুয়াশায় ঢাকা। বৃষ্টির ফোঁটার মত পড়ছে কুয়াশা। সকাল ১১টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। ফলে ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে মানুষ। ঠাণ্ডায় কাজে যেতে পারেনি বয়স্ক শ্রমজীবী মানুষেরা। এতে নাকাল হয়ে পড়ছে জনজীবন। উপজেলায় বেড়েছে
ঠাণ্ডা-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগ। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক বিবলু চন্দ্র দাশ জানান, গত এক সপ্তাহ থেকে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি থেকে ১১ ডিগ্রির ভেতরে ওঠানামা করছে। আজ শনিবার ভোর ৬টায় ৯.৭ ডিগ্রি এবং সকাল ৯টায় ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আর এটিই বাংলাদেশের মাঝে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গতকাল শুক্রবার শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় বলে তিনি জানান।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান আনিস জানান, আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এবারের শীত মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এটি। এর আগে ১৬ জানুয়ারি শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৭ জানুয়ারি ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৮ জানুয়ারি ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৯ জানুয়ারি ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানায়, ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ১৯৬৬ সালের ২৯ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৯৯৫ সালের ৪ জানুয়ারি, ২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি এবং ২০১৩ সালের ১০ জানুয়ারি শ্রীমঙ্গল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।