
মেহেরপুরের গাংনীতে ছেলে সুজন আলীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন হয়েছে পিতা আফেল উদ্দিন (৬০)। অভিযুক্ত সুজন মানসিক রোগী বলে জানায় তার মা তহমিনা খাতুন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়নের হাড়াভাঙ্গা কালিতলা পাড়ায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত আফেল উদ্দিন হাড়াভাঙ্গা কালিতলা পাড়ার মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, হত্যাকারী সুজন কয়েক বছর আগে এলাকার এক মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তার স্ত্রী সংসার না করে বাবার বাড়িতে চলে যান। এ কারণে সুজন মানসিক বিপর্যস্ত ছিলেন। মানসিক রোগী সুজন দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় ভুগে পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়ে আসছিল। ইতোপূর্বেও সুজন তার পরিবারের অনেককেই মারধর করতো।
নিহত আফেল উদ্দিনের স্ত্রী ও পিতাকে খুনের দায়ে অভিযুক্ত সুজনের মা তহমিনা খাতুন জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না, দোকানে গিয়েছিলেন। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুজনকে রক্ত মাখা শরীরে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যেতে দেখে তার সন্দেহ হয়, তিনি বাড়িতে এসে দেখেন তার স্বামী আফেল উদ্দিনের গলাকাটা ও রক্তাক্ত মরদেহ উঠানের পাশের টিউবওয়েলের কাছে পড়ে রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার মহিবুল ইসলাম জানান,কি কারণে এমনটি করেছে এখনও বােঝা যায়নি। তবে সুজন মানসিক সমস্যায় ছিলো, লোকে পাগল বলে জানতো। এদিকে ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন গাংনী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রাজ্জাক। তিনি জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকারীকে আটক করতে পুলিশি অভিযান তৎপর রয়েছে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি