
প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১:২৮

মাদারীপুরের কালকিনিও ডাসার উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার উওর রাজদী গ্রামের কালাম ঘরামীর সাথে লিটন ঘরামীর জমিজমা বিরোদের জেরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বিকেলে ভুরঘাটা বাজার সংলগ্ন কালকিনি সদও সড়কে এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, কালকিনি ও ডাসার উপজেলার সীমান্ত বর্তী এলাকার, কালাম ঘারামী তার ভাতিজা মোঃ লিটন ঘরামীর কাছ থেকে তিন বছর পূর্বে একই এলাকার লিটন ঘরামী পৌরসভার উওর রাজদী মৌজায় ৪ শতাংশ জমি বিক্রয় করার কথা বলিয়া ২ লক্ষ টাকা সতাংশ দরে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করিয়া উক্ত জমির দাম ৮ লক্ষ টাকা কালাম ঘরামীকে পরিশোধ করেন।
পরে সে তার ভাতিজা লিটন ঘরামীর ক্রয় কৃত ৪ শতাংশ জমি দলিল না দিয়ে ৩ শতাংশ জমি লিটনকে দলিল করে দেয় এবং বাকি ১ এক শতাংশ জমির দলিল পরে দিবে বলিয়া, উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় মোঃ লিটন ঘরামী কে একটি এক শত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষীদের মোকাবেলায় স্বাক্ষর দিয়ে ওই ১ শতাংশ জমি পরে দলিল করে দিবে বলেন।
সোহেল মার্কেটের সামনে আল আমিন এর চায়ের দোকানের সামনে লিটন ঘরামী ওই এক শতাংশ জমি দলিল চাইতে গেলে কালাম ঘরামী ও তার মেয়ে ডলি আক্তার লিটন ঘরামীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বাকি জমি না দেয়ার কথা বলেন। এসময় কথার কাটাকাটির এক পর্যায় কালামের মেয়ে ডলি আক্তার লিটন ঘরামীকে শতাধীক লোকের জনসম্মুখে জুতা দিয়ে মারধর করেন।
উল্টো লিটন ঘরামী সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ নামে মাদারীপুর কোর্টে ডলি আক্তার বাদি হয়ে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
কালকিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শাহিন ফকিরের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল ফকির,ইউপি সদস্য কামাল ফকির, শামসুল হক চৌকিদার,হালান সরদার, সোবাহান সরদার,খালেক সরদার, আলাউদ্দিন সরদার,ছালাম মোল্লা সহ প্রায় পাচ শতাধীক নারী পুরুষ উপস্থিত থেকে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন।

স্থানীয় মাতুব্বর শামসুল হক চৌকিদার বলেন, আমরা এলাকাবাসী এই ঘটনা সবেই জানি অনেক বার শালিশ মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু কালাম ঘারামী শালিশ মীমাংসা মানেন না।
কালামের একটা মেয়ে আছে নাম তার ডলি আক্তার মেয়েটা খুবেই খারাপ ওর কারনে এলাকার যুবক ছেলেরা আতঙ্কে থাকে, যে কোন সময় মিথ্যা মামলা দিয়ে স্বার্থ হাছিল করে। জমি বিক্রয় করেন এখন জমি না দিয়ে উল্টো মেয়েকে দিয়ে লিটনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। আমরা এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবি করছি।
ভুক্তভোগী লিটন ঘরামী কান্না জরিতকন্ঠে বলেন, আমি একজন অসহায় গরীব কৃষক আমি তিন বছর আগে ২ লক্ষ টাকা শতাংশ দাম নির্ধারন করে আমার ছোট চাচা কালাম ঘারামীর কাছ থেকে চার শতাংশ জমি ক্রয় করিলে আমার চাচা কালাম আমাকে তিন শতাংশ জমি দলিল করে দিয়ে বলেন বাকি এক শতাংশ জমি অন্য দাগ দিয়ে পরে দলিল করে দিব।
আমি ঘটনার দিন আমার চাচা কালাম ঘরামীর কাছে এক শতাংশ জমির দলিল চাইতে গেলে তিনি জমির দলিল করে দিবে না বলে জানান এবং কালাম তার মেয়ে ডলি আক্তারকে দিয়ে আমাকে মারধর করান।
পরে আমার বিরুদ্ধে মাদারীপুর কোর্টে ডলি আক্তার বাদি হয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। আমি এর ন্যায় বিচার দাবি করছি।
অভিযুক্ত কালাম ঘরামী বলেন, আমি তার কাছে যতটুকু জমি বিক্রয় করেছি,ততোটুকু দলিল দিয়েছি। মিথ্যা মামলার ব্যাপারে বলেন, মাদারীপুর কোর্টে মামলা হয়েছে,পুলিশ তদন্ত কওে দেখবে সত্য না মিথ্যা।