প্রকাশ: ৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২:১৬
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হোসনেয়ারা হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়মের ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিকার প্রার্থনা করে জেলা কমা-্যান্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
আনসার ও ভিডিপি ভাতাভোগি সদস্য ও সদস্যাবৃন্দের পক্ষে মোঃ আল আমিন বাদী হয়ে জেলা কমান্ড্যান্ট বরাবর এবং উর্দ্ধতস কর্তৃপক্ষকে অনুলিপি দিয়ে দাখিলকৃত অভিযোগ ও বাদী পক্ষ সূত্রে জানাগেছে, গত ২৪ নভেম্বর আশাশুনিতে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করা হয়। তখন জানান হয় ৫ ফুট ৬/৭ ইঞ্চির নিচে কোন লোক প্রশিক্ষণে যেতে পারবে না। তখন কম উচু প্রার্থীরা চলে গেলে কিছু দালালের মাধ্যমে ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি পর্যন্ত উচ্চতা সম্পন্ন ব্যক্তিকে বাছাই করা হয়।
গত ৩০ নভেম্বর শ্রীউলা ও খাজরা ইউনিয়নে মহিলা প্রশিক্ষীকার মাধ্যমে গ্রাম প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট দিয়ে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্যকে জেলা দপ্তরে পাঠানো হয়। এছাড়া স্ব স্ব ইউনিয়নে প্রশিক্ষণ গ্রহন করাদেরকে ঐ ইউনিয়নের জন্য নির্বাচিত করার নিয়ম থাকলেও খাজরা ইউনিয়নে ২০০৮ সালের পর থেকে কোন প্রশিক্ষণ হয়নি।
অথচ সাইফুদ্দিন সবুজ নামে যাকে পাঠানো হয়েছে তাকে ইউনিয়নে প্রশিক্ষণ না নেওয়ার পর ভিন্নস্থানে প্রশিক্ষণ গ্রহনের সার্টিফিকেট দিয়ে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া তার সনদও ভুয়া বলে তারা দাবী করেন। ফলে অস্ত্র ট্রেনিং প্রাপ্ত ছেলেরা দুর্নীতির কারনে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। টাকার কথা বলায় দলপতি কোরবান আলীকে মারপিট ও গালিগালাজ করা হয়।
যাকে বাছাই করা হয়েছে তিনি ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, অথচ যাকে বাদ দেওয়া হয়েছে তিনি ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি ও অস্ত্র প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। তারা অভিযোগ করেন, যখন জেলা কর্মকর্তা বাইরে ছিলেন, সে সুযোগে কর্মকর্তা এবং মহিলা ও পুরুষ প্রশিক্ষক ১১ ইউনিয়নে অনিয়মের মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দলপতি প্রশিক্ষণে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। বাদী বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলা অফিস থেকে তাকে (০২৪....১৯১) ফোন করে জানানো হয় শনিবার তাকে যোগদান করতে হবে।
তিনি শনিবারে যোগদান করতে গেলে জানান হয়, তোমার হবেনা আরেকজনকে নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে যথাযথ তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানান হয়েছে।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা হোসনেয়ারা হোসেন সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগের বিষয়টি সত্য নয়, তাদের কাউকে আমি চিনিনা। ওদের সাথে সাতক্ষীরা অফিসে দেখা হয়। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।