
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের কুঞ্জনগর গ্রামের হুদা পাড়ায় স্ত্রী সাবিনা খাতুনকে (৩৩) হত্যার পর আত্মহত্যা করেছে স্বামী বিদ্যুৎ হোসেন (৪০)। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে স্ত্রীকে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর বুধবার দুপুরে আত্মহত্যা করে স্বামী বিদ্যুৎ।
বুধবার সকাল ৮টায় শয়নকক্ষ থেকে সাবিনা খাতুন এবং দুপুর ২টায় বাড়ির পাশের একটি বাঁশবাগান থেকে বিদ্যুৎ'র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে গাংনী থানা পুলিশ। নিহত সাবিনা খাতুন কুঞ্জনগর গ্রামের বিদ্যুৎ'র স্ত্রী ও উপজেলার কুমারীডাঙ্গা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে এবং বিদ্যুৎ হোসেন উপজেলার কুঞ্জনগর গ্রামের হুদা পাড়ার ওলি বিশ্বাসের ছেলে।
হত্যার স্বীকার সাবিনা খাতুনের বড় বোন শারমিন খাতুন অভিযোগ তুলে বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে সাবিনা খাতুনকে মাঝেমধ্যে নির্যাতন করতো বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ ইতোপূর্বে একাধিকবার বিয়ে করেছিলো এমন অভিযোগ করেন তিনি।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ'র বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে তার স্ত্রী সাবিনা খাতুনের মরদেহ সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তখন স্ত্রীকে হত্যার গুঞ্জন উঠে স্বামী বিদ্যুৎ'র বিরুদ্ধে। কিন্তু কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে বাড়ির পাশের একটি বাঁশবাগানে গলায় গামছা বেঁধে আত্মহত্যা করে বিদ্যুৎ। এলাকাবাসীর ধারণা স্ত্রীকে হত্যার পরে মানসিক ভাবে বিকারগস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছে বিদ্যুৎ। এসব বিষয় নিয়ে বিদ্যুতের পরিবারের সদস্যদের না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এদিকে সকাল থেকে ঘটনাস্থলে ছিলেন গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক। এবং পরে (দুপুরে) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মেহেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) অপুু সরোয়ার। তিনি বলেন, সাবিনা খাতুন ও বিদ্যুৎ'র মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সার্বিক ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।