
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২২, ১৮:১৭

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মোংলায় সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। ইতোমধ্যে মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠানামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় এই সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। ঝড়ের কারণে গাড়িসহ পাঁচটি বাণিজ্যিক জাহাজ বন্দরে ঢুকতে পারেনি। এ ছাড়া পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পরও তিনটি জাহাজ বন্দর ত্যাগ করতে পারেনি। চরম আতঙ্কে রয়েছে মোংলাসহ সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষ।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০৩টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে সেখানে জোয়ারের উচ্চতা ছাপিয়ে মোংলা ও পশুর নদীতে পানি বেড়েছে পাঁচ থেকে সাত ফুট। সাগর উত্তাল থাকার পাশাপাশি সোমবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে নতুন করে উপকূলের জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মোংলা উপজেলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী জানান, শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপটি সোমবার (২৪ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। বাতাসের গতিবেগ বাড়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টিও শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) ভোরের দিকে সিত্রাং বাংলাদেশ অতিক্রম করবে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার বলেন, ইতোমধ্যে ঝড় শুরু হয়ে গেছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) কাজ করছে। এ ছাড়া ১০৩টি সাইক্লোন শেল্টারে লোকজন আশ্রয় নেওয়া শুরু করছে। তাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। উপজেলা, পৌরসভা এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে পৃথক তিনটি কন্ট্রোল-রুমও খোলা হয়েছে।