
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২২, ০:২১

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের (ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং) প্রভাবে সাতক্ষীরায় হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন উপজেলায় এ হালকা বৃষ্টি হচ্ছে।
রোববার (২৩ অক্টোবর) সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিখার আলী রিপন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এর প্রভাবে সাতক্ষীরায় ইতোমধ্যে হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে তিন নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। এখনও ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়নি। ইতোমধ্য সিত্রাং বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে ধেয়ে আসছে। আগামী মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকালে সাতক্ষীরা উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির বলেন, উপকূলীয় উপজেলা প্রশাসনকে দুর্যোগ মোকাবিলায় অগ্রিম প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং উপকূলীয় এলাকায় প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সাতক্ষীরা উপকূলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় মোট বেড়িবাঁধ আছে ৭০০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩৫ পয়েন্টে ২০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে রয়েছে। উপকূলীয় জনপদের মৎস্য ঘেরগুলো বেশ ঝুঁকিতে রয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি আজ রাতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে রূপ নেবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তিন থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হতে পারে।
গভীর নিম্নচাপের বর্ধিতাংশ অমাবশ্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।