
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২২, ২০:১৭

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এত তাড়াতাড়ি শেষ হবে না। করোনার সময় অস্ত্র বিক্রি করতে পারেনি। যুদ্ধে কিছু দেশের লাভ হচ্ছে। কিন্তু সারাবিশ্বের মানুষ ভুগছে। এ ভুগান্তি থেকে বাঁচতে রপ্তানি পণ্য বৃদ্ধিতে বহুমুখী কৃষি পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে।বুধবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বাড়লেও কৃষকের ভর্তুকি অব্যাহত আছে। ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে সরকার। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সব সময় চেষ্টা করছে সরকার। একজন মানুষও না খেয়ে থাকবে না।
‘কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে নিয়েছিলেন নানামুখী পদক্ষেপ। সারাদেশে ১০০টি খাদ্য গুদাম নির্মাণ করেছিলেন। মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নই ছিল জাতির পিতার মূল লক্ষ্য।’
রপ্তানি বাড়াতে এখন অঞ্চলভিত্তিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করতে হবে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে গবেষণা ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করে কৃষিক্ষেত্রে গবেষণা বাড়াতে তাগিদ দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সবাইকে করোনার টিকা নেওয়ার অনুরোধ করে বলেন, সামনের শীতে যাতে আবারও করোনার সংক্রমণ না বাড়ে, সেজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী।