
প্রকাশ: ৮ অক্টোবর ২০২২, ২৩:৪৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চোরের উপদ্রব বেড়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে একধরণের আতঙ্ক বিরাজ করছে। সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গত সেপ্টেম্বর মাসের ৮ তারিখ থেকে অক্টোবর মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচটি চুরির ঘটনা খবর পাওয়া গেছে।
জানাগেছে, ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার গ্রামে সোহেল মিয়া নামের একব্যক্তির একটি ১৫০ সিসি পালসার মোটরসাইকেল গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বাসার গেইট থেকে চুরি হয়ে যায়।
পাথরডুবী ইউনিয়নের পশ্চিম পাথরডুবী গ্রামের আব্দুল মজিদ নামের একব্যক্তির বাড়ি থেকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে।
তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন রুমির বাড়ি থেকে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে সোলার প্যানেলের ব্যাটারি চুরি হয় যায়।
পাইকেরছড়া ইউনিয়নের মাওলানা পাড়া গ্রামের আবু সালেহর গোয়ালঘর থেকে গত মঙ্গলবার ৪ অক্টোবর রাতে প্রায় ৭০ হাজার টাকা দামের একটি ষাঁড় চুরি হয়।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ৬ অক্টোবর রাতে আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের খামার আন্ধারীঝাড় গ্রামের আনন্দ মোড় এলাকার জুলহাস মিয়ার ছেলে জিয়াউর রহমানের ঘরে সিঁদ কেটে নগদ ৩২ হাজার টাকাসহ একটি স্ক্যানার, একটি মোবাইল সেট ও মোবাইল কোম্পানির কিছু সিম নিয়ে যায় চোর।
চুরির শিকার আবু সালেহর ছেলে মেছবাহুল আলম বলেন, মঙ্গলবার রাতে গোয়ালঘরে তিনটি গরু বেঁধে রেখে ঘুমিয়ে পড়ি। পরদিন গোয়ালঘর থেকে গরু বের করতে গিয়ে দেখি কালো রঙের একটি ষাঁড় চুরি হয়ে গেছে। গরু চুরির বিষয়টি থানায় মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে একটি মোবাইল সেট, কিছু সিম ও একটি স্ক্যানার টেবিলের উপর এবং ড্রয়ারে নগদ প্রায় ৩২ হাজার টাকা রেখে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে ঘুম থেকে ওঠে দেখি ঘরে সিঁদ কেটে চোর সবকিছু নিয়ে গেছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ ও গরু চুরির ঘটনায় একটি মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে তদন্ত চলছে। অন্য চুরির ঘটনায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।