
প্রকাশ: ১ অক্টোবর ২০২২, ১:৭

মানবাধিকারের উপর বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড ২০২২ পেলেন বরিশালের ছেলে মেহেরাব হোসেন অভি। গত শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা” শীর্ষক এক সেমিনারে তাকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর রায়। সোসাইটির চেয়ারম্যান সাংবাদিক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে সভাপতি এম আব্দুল্লাহ।
জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বিএফইউজে মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানসহ আইনজীবী, প্রকৌশলী ও সাংবাদিক নেতারা বক্তব্য রাখেন।
মোঃ মেহেরাব হোসেন অভি, একজন তরুন রাজনীতিবিদ ও সমাজ কর্মী তরুন এই রাজনীতিবিদ সমাজ পরিবর্তনের ব্রত নিয়ে রাজনীতি শুরু করেন। তিনি রাজনীতি ও সৃজনশীল কাজ করতে সাচ্ছন্দ্য বোদ করেন। তার জন্ম বরিশাল জেলায়। বরিশাল জেলার বানারীপাড়া থানার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের চৌয়ারী পাড়া গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৯৬ সালের ২১ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন মেহরাব হোসেন অভি। তার পিতার নাম আব্দুল হক শরীফ ও মাতার নাম মমতাজ বেগম। তারা দুজনেই সরকারি চাকুরিজীবী। তারা দুই ভাই বোনের মধ্যে সে ছোট।

মোঃ মেহেরাব হোসেন অভি শিক্ষা জীবন শুরু করেন একসাড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। পরে বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট স্কুল থেকে এস.এস.সি পাস করেন ২০১২ সালে। এরপর তিনি সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাস করেন ২০১৪ সালে। এরপর তিনি ভর্তি হন বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় ইষ্টার্ন ইউনির্ভাসিটি আইন অনুষদে সেখান থেকে তিনি এল.এল.বি (অর্নাস) সম্পন্ন করেন ২০১৯ সালে। একই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি এল.এল.এম (মার্স্টাস) শেষ করেন ২০২০ সালে।
মেহরাব হোসেন অভি মাধ্যমিক পড়ার সময়ই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। তার আনুষ্ঠানিক রাজনীতি শুরু হয় ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারী থেকে। গ্রামের ওয়ার্ড পর্যায় থেকে রাজনীতির যাত্রা শুরু করেন। এরপর ইউনিয়ন, থানা, সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ইউনিটের সাথে থেকে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় দলের কোন পদে ছিলেন না। ২০১৩ সালের চলমান গনতান্ত্রিক আন্দোলন সফল করতে গিয়ে কারাবরন করেন তিনি।
এরপর পড়ালেখার তাগিদে তিনি ঢাকা চলে আসেন। ঢাকা আসার পর যুক্ত হন ঢাকা মহানগন দক্ষিণ ছাত্রদলের সাথে। পরবর্তীকালে তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সদস্য পদে পদায়ন করা হয়। আইনের ছাত্র হওয়ায় সুবাদে জড়িয়ে পড়েন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের সাথে। সেখানে প্রথমে অবিভক্ত ঢাকা মহানগর জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের যুগ্ন-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্নসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের কার্যাবলি গতিশীল করার লক্ষ্যে সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। যা তিনি আস্থার সাথে পালন করেন। এ ছাড়াও সৃজনশীল কাজের সাথে যুক্ত থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্তৃক স্বাধীনতা সুর্বর্ণ জয়ন্তী উদযাপন-স্বরচিত কবিতা ও চিত্রাঙ্কাণ প্রতিযোগীতা কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও তিনি কিছু পেশাদারী কোর্স সম্পন্ন করেন।
ইউনিসেফ থেকে Introduction to Advocacy
রয়টাস থেকে Introduction to Digital Journalism
পিআইবি থেকে সাংবাদিকতা বুনিয়াদি প্রশিক্ষন কোর্স।
বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিজম স্কুল থেকে সিটিজেন জার্নালিজম কোর্স।
বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার থেকে অনেকগুলো অনলাইন কোর্স সম্পন্ন
করেন।
জিপি একাডেমি থেকে সফট স্কিলের উপর কোর্স সম্পন্ন করেন।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার উপর কোর্স সম্পন্ন করেন।
আটিকেল ১৯ এবং ডয়েসে বেলের থেকে যোগাযোগ ও প্রয়োগ কৌশল কোর্স
সম্পন্ন করেন।
আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠান ওয়াদওয়ানি ফাউন্ডেশন থেকে ২১ Employability

Skills কোর্স সম্পন্ন করেন।
এছাড়াও আইন অঙ্গনে কাজ করতে নিয়ে ব্যারিষ্ঠার এ.জে মোহাম্মদ আলীর চেম্বারে জুনিয়র হিসেবে কাজ করেছেন।
এ্যাডভোকেট মোঃ রুহুল কবির রিজভী আহমেদের শিক্ষা সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন।
ঢাকা জজ কোর্টের শিক্ষানবিশ আইনজীবি হিসেবে আছেন।
দৈনিক আজকের অগ্রবাণী পত্রিকার বানারীপাড়া প্রতিনিধি হিসেবে লেখালেখি জীবন শুরু করেন। পরে বিডিপ্রেস ও সাহিত্য পত্রিকা সৃজনবাংলা ডটকমে কাজ করেন। স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান শিকড় ও ইতি প্রকাশনীর সাথে কাজ করেছেন। এছাড়াও একটি অনলাইন পত্রিকা Ajkerbanglanews.com প্রকাশক হিসেবে আছেন।
বিভিন্ন জায়গায় কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যুক্ত হন তিনি।
সে গুলো হলো-
সদস্য, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন।
সাবেক সদস্য, বানারী পাড়া প্রেস ক্লাব।
সাধারন সদস্য, জিয়া স্মৃতি পাঠাগার।
সদস্য, পরিবাগ সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র।
আজীবন সদস্য, বানারী পাড়া পাবলিক লাইব্রেরি।
আজীবন সদস্য, দীপনপুর ।
পরিবেশ সংরক্ষনের জন্য সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন বাংলাদেশ Earth care Club-এ
স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন জুম বাংলাদেশ স্কুলে।
প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন কল্যাণ
তহবিল।
এছাড়াও মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।
কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কর্তৃক স্বেচ্চাসেবক হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট পান।
এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্তৃক স্বাধীনতা সুবর্নজয়ন্তী উদযাপন স্বরচিত কবিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা কমিটি কর্তৃক আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগীতায় জাতীয় পর্যায়ে ১ম পুরষ্কার অর্জন করেন।