প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২২, ১:২৭
বরিশাল বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফরচুন সুজের কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট টানা ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। শনিবার বেলা ৩টার দিকে কারখানার স্টোররুমে অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটে। কারখানার কর্মীদের ধারণা শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে অগ্নিকান্ডের এ ঘটনাকে ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেছেন ফরচুন সুজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন আহত ও অসুস্থ হয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।
ফরচুন সুজ লিঃ এর শাখা প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার সুজের ম্যানেজার (অ্যাডমিন) জাকির হোসেন বলেন, মূলত স্টোররুমেই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কীভাবে আগুন লেগেছে তা জানেন না। কম্পিউটার ও কিছু মূল্যবান ফাইলপত্র বের করতে পেরেছি। কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা বলতে পারেননি তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ফরচুন সুজের কয়েকজন কর্মী জানান, আগুন কিভাবে লেগেছে বলতে পারব না। তবে মুহূর্তের মধ্যে সব অন্ধকার হয়ে যায়। এরপর আমরা দৌড়ে নামি কারখানা থেকে। যেখানে আগুন লেগেছে সেটা কাঁচামালের গুদামঘর। কাঁচামালের পোড়া গন্ধে অনেকে অসুস্থও হয়ে পড়েছেন।
ফরচুন সুজ কোম্পানির ডিজিএম মোখলেসুর রহমান বলেন, কাঁচামালের স্টোররুমের পশ্চিম পাশে আগুন লেগেছিলে। সেখানে কিছু ফাইলপত্র ছিল। ফায়ার সার্ভিস ১০ মিনিটের মধ্যে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর আব্বাস উদ্দিন বলেন, জুতা তৈরিতে যে কাঁচামাল লাগে সেই গুদামে আগুন লেগেছে। প্রায় ২ ঘন্টা ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বিকেল ৫টার দিকে।
অগ্নিকা-ের এ ঘটনাকে ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে ফরচুন সুজ কোম্পানির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, যেখানে কোনো বৈদ্যুতিক লাইন নেই, আবার যে রুমে কেউ পারমিশন ছাড়া ঢুকতে পারে না, সেই রুমে আগুন লাগাটা অস্বাভাবিক। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। আর কত টাকার ক্ষতি হয়েছে সেটা জানতে সময় লাগবে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপপরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। কীভাবে আগুন লেগেছে তা তদন্ত করে বের করা হবে।’
প্রসঙ্গগত, ফরচুন সুজ লিমিটেড ক্রীড়া জুতা উৎপাদনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুখ্যাতি রয়েছে।