
প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২১, ২২:৩৩

ধামইরহাটে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর কর্মীদের মাঝে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের হরিতকীডাঙ্গা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১০ টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়। উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে।জানা গেছে,গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের হরিতকীডাঙ্গা আওয়ামীলীগৈর বিদ্রোহী ঘোড়া মার্কার প্রার্থী এটিএম বদিউল আলমের কর্মীদের নৌকার প্রার্থী মো.কামরুজ্জামানের কর্মীদের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়।
এরা হলেন ঘোড়া মার্কার কর্মী বড় চকগোপাল গ্রামের আনিছুর রহমান বাচ্চু (৩৮),আঙ্গরত গ্রামের লিটন,সিরাজুল ইসলাম। অপর দিকে নৌকার কর্মী শিবরামপুর গ্রামের হাসান (১৮),একই গ্রামের এনামুল (৪০) এবং হরিতকীডাঙ্গা গ্রামের শাহজাহান আলী (৩২)। এদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। এব্যাপারে ঘোড়া মার্কার প্রার্থী এটিএম বদিউল আলম দাবী করেন,হরিতকীডাঙ্গা হাটের মোড়ে মোটর সাইকেল যোগে আমার কর্মীরা প্রচারে আসামাত্র নৌকার ৮/১০ জন কর্মী বাঁশ দিয়ে আমাদের মোটর সাইকেলগুলোতে এলোপাথাড়ীভাবে কোপাতে থাকে।

এতে ৯-১০ টি মোটর সাইকেলের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং বেশ কয়েক জন কর্মী মারাত্মক আহত হয়। অপরদিকে নৌকার প্রার্থী মো.কামরুজ্জামান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,হরিতকীডাঙ্গা বাজারে নৌকার নির্বাচনী অফিসে ঘোড়া মার্কার প্রার্থীর লোকজন ইট পাটকেল মারতে থাকে। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এব ং আমার কর্মীদেরকে মারধর করে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম রাকিবুল হুদা বলেন,এখনও কোন পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচনী পরিবেশ যাতে সুন্দর থাকে তার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।