
প্রকাশ: ২১ ডিসেম্বর ২০২১, ০:২৮

চট্টগ্রাম মহানগরীর মাঝিরঘাটে হেলে পড়া দুটি ভবন ও মন্দির থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার পর সেগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) হেলে পড়া ভবন দুটির ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছেন সিডিএ কর্মীরা।
সোমবার রাতে স্ট্র্যান্ড রোড সংলগ্ন পার্বতী ফকিরপাড়া এলাকায় গুলজার খালের পাড়ে বহুতল পাঁচটি ভবন ও দুইটি মন্দির হেলে পড়ে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই ফায়ার সার্ভিসের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে মাইকিং করে ভবনের আশেপাশের লোকদের সরিয়ে দেন। রাতেই আতঙ্কে ভবন ছেড়ে যান বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা গিয়ে আশপাশের কয়েকটি পরিবারকে সরিয়ে দেয়।
পরে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত পার্বতী ফকির পাড়ার কয়েকশ নারী পুরুষ মাঝিরঘাট স্ট্র্যান্ড রোডে অবস্থান নিয়ে আশ্রয় এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের নালার খনন কাজের সময় দুই পাশে নিরাপত্তা বেষ্টনি না দেওয়ার আশপাশের মাটি সরে যাচ্ছে। এই বিষয়টি একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যার কারণে ভবনগুলো হেলে পড়েছে।
সিডিএ কর্তৃপক্ষ বলছে, এ জায়গায় এর আগেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এখানে যারা ভবণ নির্মাণ করেছে তারা অবৈধ কাজ করেছেন।
সেনাবাহিনীর ৩৪ কনস্ট্রাকশনের প্রকল্প পরিচালক লে. কর্ণেল শাহ আলী বলছেন, এসব অবৈধ স্থাপনার নির্মাণ ত্রুটির কারণে খালের মাটি অপসারণের ফলে এসব বাড়ি ধসে পড়ছে।