
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২১, ২১:৫

সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ শিথিলের ২য় দিনে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ও কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ৩কিঃ দূরে বাংলাদেশ হ্যাচারী পর্যন্ত দেখা গিয়েছে এ দীর্ঘ যানজট।
সরজমিনে শুক্রবার (১৬ জুলাই) দৌলতদিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে বাংলাদেশ হ্যাচারী পর্যন্ত প্রায় ৩ কিঃ মিঃ পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এসব যানবাহনের মধ্যে কোরবানি পশুবাহী ট্রাক যাত্রীবাহী বাস,কাভার্ড ভ্যান রয়েছে এবং দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ১৪ কিঃ মিঃ দূরে রাজবাড়ীর কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গোয়ালন্দ মোড় থেকে কল্যাণপুর পর্যন্ত নদীপারের অপেক্ষায় পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ লাইন রয়েছে।
কোরবানির পশুবাহী ট্রাক গুলো দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ট্রাকচালক ও সহকারীরা ও গরুর ব্যাপারীরা। দীর্ঘক্ষন প্রখর রোদ্রে দাড়িয়ে থাকার জন্য অনেক গরু অসুস্থ হয়ে পরছে। অনেক ট্রাকে গরুকে বাতাস করছেন ব্যবসায়ীরা।
যশোর থেকে ছেড়ে আসা গরু বোঝাই ট্রাক নিয়ে ব্যাপারী লিয়াকত হোসেন বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটে আজ সকালে ৯টায় এসেছি,ভোর ৫ টার সময় এসে ওয়েস্কেলের লাইনে আটকে পড়ি এবং সকাল ৯ টায় ঘাটে আসি। কখন যে ফেরির নাগাল পাবো বুজতে পারছিনা। তাছাড়া প্রচন্ড গরমে আমাদের গরু গুলোর কি হবে আল্লাই জানে। আমাদের ট্রাক গুলো দয়া করে পার করে দেবার ব্যবস্থা করে দেন।

কুষ্টিয়া থেকে আসা ট্রাক নিয়ে গরুর ব্যাপারী ছলিম ব্যাপারী বলেন, ভাই গরমে গরুগুলোর মুখ দিয়ে লালা বের হয়ে যাচ্ছে, হাত পাখা দিয়ে গরুগুলোকে বাতাস দিচ্ছি,পানি দিচ্ছি কিন্তু তাও কাজ হচ্ছে না, চিন্তায় আছি গরুগুলোকে নিয়ে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক ঘাট ইনর্চাজ শিহাব উদ্দিন বলেন,

আমাদের নির্দেশনা দেয়া আছে কোরবানি পশুবাহী ট্রাকগুলো অগ্রধিকার ভিত্তিতে নদী পার হবে, আমরা সেই ভাবেই কাজ করছি। তবে গণপরিবহন চালু হওয়ায় যানবাহনের কিছুটা লাইন সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রত্যকটি পশুবাহী ট্রাক গুলো সরাসরি ফেরিতে উঠতে পারছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৫ টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে।
তাংঃ ১৬/০৭/২০২১ইং
8 Attachments