
প্রকাশ: ৪ জুন ২০২১, ১৩:৫৮

আশাশুনির সর্বত্র মাস্ক ছাড়া সেবা চালু রয়েছে।করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দেশের সর্বত্র চালু হয় “নো মাস্ক, নো সার্ভিস”ক্যাম্পেইন।যদিও এ ক্যাম্পেইন কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ,বাস্তবে এর কোন প্রয়োগ নেই।সর্বশেষ কঠোর লকডাউন তুলে নেওয়ার পর শপিংমল,দোকানপাট,ব্যাংক বীমা,এনজিও অফিস আদালত এর প্রত্যেক টি দর্শনীয় স্থানে“না মাস্ক নো সার্ভিস” এ কথা টি টানিয়ে লিখে রাখতে হবে।সেটাই প্রতিপালন করতে হবে।কেউ মাস্ক না পরে আসলে,তাকে কোন সেবা দেওয়া যাবে না।
আশাশুনিতে অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে “নো মাস্কনো এন্ট্রি’ লেখা এখন শোভা বর্ধন করছে।আশাশুনির হাট বাজারের রাস্তা ঘাটে অনেকে মাস্ক ব্যবহার করলেও,তার পাশের জনের মাস্ক পরার প্রতি অনীহা।আবার অনেক দোকানে কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়েও মাস্ক পরা কিংবা স্বাস্থ্য বিধি মানার প্রতি অনীহা দেখে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার আশাশুনি উপজেলার হাট বাজার ঘুরে ধেখা গেছে বাজারে অবস্থিত দোকানগুলোর বাইরে লেখা আছে“মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষেধ,“‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি,“মাস্ক সঙ্গে রাখুন,“মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করবেন না সহ নানা ধরনের নিদের্শনা।অথচ মাস্ক ছাড়া দোকানের ভিতর তাদের প্রয়োজনীয় কাজ সারছেন।গ্রাম গঞ্জের পাড়া মহল্লায় দোকান পাট রাস্তা ঘাটে মাস্কেও ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার অনীহা বেশী।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে জনসাধারন কে মাস্ক পরতে এবং সামাজিক দূরত্ব েেমনে চল্লে যে ভ্যারিয়েন্ট আসুক না কেন তাতে অনেক ঝুকি মুক্ত থাকা যায়।আশাশুনির বুধহাটা বাজারের একটি ঔষধের দোকানে ঔষধ ক্রয় করতে ঢোকেন একজন সাংবাদিক।সেখানে দেখেন কয়েকজন কাষ্টমার ঔষধ ক্রয় করছেন গাদাগাদি হয়ে ,কারোর মুখে মাস্ক নেই।এ বিষয়ে বিক্রেতার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।দোকানদারকে জিঞ্জসা করলে,বলেন, কাষ্টমাররা শুনতে চায় না কি করবো বলুন।
একই অবস্থা দেখা যায় বৃহস্পতিবার বুধহাটাতহশীল অফিসে যেয়ে।সেখানে কয়েকজন লোক বসে আছেন তাদের প্রয়োজনীয় কাজ মেটানোর জন্য কিন্তু কারোর মুখে মাস্ক নেই।এমন কি কোন ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তার মুখে মাস্ক নেই।একই অবস্থা বুধহাটা সোনালী ব্যাংক,রুপালি ব্যাংকে।একই অবস্থা এনজিও গুলোর তারা গ্রুপ করে অথবা একাকী ঋন আদায় করলেও তাদের বা সদস্যেদের মুখে কোন মাস্ক নেই।