
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২০, ১৫:২

ইসলামি পরিভাষায় যে কোনো কাজ বা কর্মকে আমল বলে। আর কোনো আমলের গ্রহণযোগ্যতাকে কবুল বা মাকবুল বলা হয়। মানুষের সব আমল বা কর্মগুলো কবুল হবে না। কেননা এ আমলগুলো ভালো-মন্দ দুইভাগে বিভক্ত। ভালো আমলগুলো কবুল হবে আর মন্দ আমলগুলো কবুল হবে না।মানুষের নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, দান-সাদকা, উত্তম চরিত্র গঠন করা ইত্যাদি ভালো কর্ম বা কাজ হিসেবে পরিচিত। পক্ষান্তরে মানুষের খারাপ বা মন্দ কর্মের মধ্যে রয়েছে সুদ, ঘুষ, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই-রাহাজানি, জেনা-ব্যভিচার, বেপর্দা, মদ-জুয়া ও অসৎচারিত্রিক কাজ। মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ - وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ

তোমার হায়াত বা তোমার জীবন কোন পথে ব্যয় করেছো।তোমার যৌবন শক্তি কীভাবে ব্যয় করেছো।তুমি কোন পথে সম্পদ উপার্জন করেছো।উপার্জিত সম্পদ কোন পথে কীভাবে খরচ করেছো।তোমাকে যে জ্ঞান দেয়া হয়েছিল বা তুমি যা জানতে তা থেকে তুমি কতটুকু আমল করেছো।কোনো মানুষই চিরদিন দুনিয়া বেঁচে থাকবে না। অতিতের সব মানুষ যেভাবে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব মানুষকে সেভাবেই বিদায় নিতে হবে। কেননা পরকালই মানুষের আসল ঠিকানা।তাই পরকালের চিরস্থায়ী ঠিকানার জন্য রসদ বা সম্পদ জমা করতে দুনিয়া মন্দ কাজ পরিহার করে ভালো কাজের দিকে মনোযোগ দেয়া জরুরি।মহান আল্লাহ দুনিয়াকে পরকালের শস্যক্ষেত্র জেনে পরকালের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা লাভের আমলে জীনকে সুন্দর করে সুসজ্জিত করি। আল্লাহ তাআলা কবুল করুন। আমিন।