শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬২০ চৈত্র, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

ইসলামে কি কোনো পোশাক নির্ধারিত আছে?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৭ জুন ২০২৩, ১৭:২৫

শেয়ার করুনঃ
ইসলামে কি কোনো পোশাক নির্ধারিত আছে?

ইসলামি শরিয়ত মুসলমানদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো মাপ বা আকৃতির পোশাক আবশ্যক করেনি। হজরত ইদরিস আলাইহিস সালামের সময় থেকে পোশাক হিসাবে কাপড়ের বুনন ও ব্যবহার শুরু হয়েছে। স্থান, কাল, পাত্রভেদে যে কোনো শালিন পোশাকই ইসলামে বৈধ। পোশাকের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় বাড়াবাড়িও ইসলামে কাম্য নয়। মানুষকে কেমন পোশাক পরবে এর একটি ঘোষণা এসেছে কোরআনে-

یٰبَنِیۡۤ اٰدَمَ قَدۡ اَنۡزَلۡنَا عَلَیۡکُمۡ لِبَاسًا یُّوَارِیۡ سَوۡاٰتِکُمۡ وَ رِیۡشًا ؕ وَ لِبَاسُ التَّقۡوٰی ۙ ذٰلِکَ خَیۡرٌ ؕ ذٰلِکَ مِنۡ اٰیٰتِ اللّٰهِ لَعَلَّهُمۡ یَذَّکَّرُوۡنَ

আরও

পবিত্র শবে বরাত আজ

পবিত্র শবে বরাত আজ

‘হে আদাম সন্তান! আমি তোমাদের পোশাক-পরিচ্ছদ দিয়েছি তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করার জন্য এবং শোভা বর্ধনের জন্য। আর তাকওয়ার পোশাক হচ্ছে সর্বোত্তম পোশাক। ওটা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি; যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা আরাফ : ২৬)

আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে আদম সন্তানকে সম্বোধন করে বলেছেন, তোমাদের পোষাক আল্লাহ তাআলার একটি মহান নেয়ামত। একে যথার্থ মূল্য দাও। এখানে শুধু মুসলিমদের সম্বোধন করা হয়নি- বরং সমগ্র বনি আদমকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। এতে ইঙ্গিত রয়েছে যে, গুপ্তাঙ্গ আচ্ছাদন ও পোষাক মানব জাতির একটি সহজাত প্রবৃত্তি ও প্রয়োজন। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাই এ নিয়ম পালন করে। এরপর পোশাকের বিশদ বিবরণে তিন প্রকারের পোশাকের কথা বলা হয়েছে। তাহলো-

আরও

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

১. (لِبَاسًا يُوَارِي سَوْآتِكُمْ) এখানে يُوَارِي শব্দটি موارة থেকে উদ্ভুত, এর অর্থ আবৃত করা। মানুষের ঐসব অঙ্গ, যেগুলো খোলা রাখাকে মানুষ স্বভাবতই খারাপ ও লজ্জাকর মনে করে। উদ্দেশ্য এই যে, আমি তোমাদের মঙ্গলার্থে এমন একটি পোষাক সৃষ্টি করেছি, যা দ্বারা তোমরা গুপ্তাঙ্গ আবৃত করতে পারো। হজরত মুজাহিদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আরবের কিছু লোক আল্লাহর ঘরের তওয়াফ উলঙ্গ হয়ে সম্পাদন করতো। আবার কোনো কোনো লোক যে পোশাক পরে তওয়াফ করেছে সে পোষাক আর পরতো না। এ আয়াতে তাদেরকেও উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছে। (তাবারি)

২. ওয়ারিশা (وَرِيشًا) অৰ্থাৎ সাজ-সজ্জার জন্য মানুষ যে পোষাক পরে। গুপ্তাঙ্গ আবৃত করার জন্য তো সংক্ষিপ্ত পোষাকই যথেষ্ট হয়; কিন্তু আমি তোমাদের আরও পোষাক দিয়েছি, যাতে তোমরা তা দ্বারা সাজ-সজ্জা করে বাহ্যিক দেহাবয়বকে সুশোভিত করতে পার। হজরত ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, এখানে ‘রীশ’ বলে ‘সম্পদ' বোঝানো হয়েছে। (তাবারি) আর বাস্তবিকই পোষাক একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান সম্পদ।

৩. আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে তৃতীয় এক প্রকার পোশাকের কথা উল্লেখ করে বলেছেন- (وَلِبَاسُ التَّقْوَىٰ ذَٰلِكَ خَيْرٌ) তা হচ্ছে তাকওয়ার পোশাক আর এটিই সর্বোত্তম পোশাক। হজরত ইবন আব্বাস ও উরওয়া ইবন যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহুমের তাফসির অনুযায়ী তাকওয়ার পোশাক বলে সৎকর্ম ও আল্লাহভীতি বোঝানো হয়েছে। এটি মানুষের চারিত্রিক দোষ ও দুর্বলতার আবরণ এবং স্থায়ী কষ্ট ও বিপদাপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়। এ কারণেই এটি সর্বোত্তম পোশাক। হজরত কাতাদাহ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, তাকওয়ার পোশাক বলে ঈমানকে বোঝানো হয়েছে। (তাবারি)

(৩) অর্থাৎ মানুষকে এ তিন প্রকার পোষাক দান করা আল্লাহ্ তা'আলার শক্তির নিদর্শনসমূহের অন্যতম- যাতে মানুষ এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে।

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png

ইসলামে পোশাক পরার মূল উদ্দেশ্য

পোশাক পরতে হবে মানুষের সতরকে আবৃত করে রাখার জন্য। যেমন, পুরুষের সতর হচ্ছে- নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত। আর নারীর সতর হচ্ছে- নারীদের পরিবেশে বুক থেকে হাঁটু পর্যন্ত এবং বাইরের পরিবেশে দু-হাতের তালু ও মুখমণ্ডল ছাড়া পুরো দেহ। এটা ঢেকে রাখা ফরজ। সুতরাং যে পোশাক মানুষের সতর (লজ্জাস্থান) আবৃত করে না, তা কখনও পোশাক হতে পারে 

মানবসভ্যতার জনক হজরত আদম আলাইহিস সালামের সময় থেকেই পোশাকের ব্যবহার ছিল। আদি মানবরা পোশাক হিসাবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পশুচর্ম ব্যবহার করতো। তাদের সম্পর্কে নগ্নতা ও অসভ্যতার যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা সম্পূর্ণ অমূলক।

পোশাক হিসাবে কাপড়ের বুনন ও ব্যবহার শুরু হয়েছে হজরত ইদরিস আলাইহিস সালামের যুগ থেকে। বর্ণিত রয়েছে- هو اول من خاط الثياب و لبيسة ‘হুওয়া (ইদরিস) আওয়ালু মান খাতাস ছিয়াবা ওয়া লাবিসাহ’ অর্থাৎ ‘প্রথম হজরত ইদরিস আলাইহিস সালামই কাপড় সেলাই করেন এবং পরিধান করেন।’

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ শতকে মুসলিম বিজয়ের পর বাংলার পোশাক ও সংস্কৃতিতে মৌলিক পরিবর্তন আসে। এক সময় এ অঞ্চলের পুরুষরা প্রিয় পোশাক হিসাবে সেলাই করা লুঙ্গি, পায়জামা, পাঞ্জাবি, ধুতি ও নারীরা শাড়ি ও ব্লাউজের ব্যবহারে প্রাধান্য দেয়। আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ দেশের পুরুষরা পশ্চিমা রীতির অনুসরণে শার্ট, প্যান্ট, স্যুট ও টাই পরা শুরু করে। অন্যদিকে নারীরা শাড়ির পরিবর্তে আরবীয় ধরনের ফ্রক, সালোয়ার-কামিজ ও অন্যান্য ডিজাইনের পোশাকের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তনের এ ধারা বর্তমানে আরও বেশি গতিশীল।

পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধর্ম ও জাতীয়তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এ অঞ্চলে ধর্মীয় ঐতিহ্যের কারণে হিন্দুরা ধুতি, পৈতা পরে। খ্রিষ্টানরা ক্রুসচিহ্নিত পোশাক পরে। বৌদ্ধরা গেরুয়া কাপড়ের পোশাক পরে। আর মুসলিমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে লুঙ্গি, পায়জামা, পাঞ্জাবি, জুব্বা, টুপি ও পাগড়ি পরে থাকে। বিশেষত উপমহাদেশে মুসলিমদের এ পোশাককে সাধারণ ইসলামি পোশাক মনে করা হলেও বাস্তবে চূড়ান্ত কথা হলো ধর্মের নির্ধারিত কোনো পোশাক নেই।

মনে রাখতে হবে

পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যাপারে ইসলাম যেমন উদারতার পরিচয় দিয়েছে, তেমনি কিছু মূলনীতিও নির্ধারণ করে দিয়েছে, যা সভ্যতা, শালীনতা রক্ষায় একান্ত প্রয়োজন। ইসলামের এ মূলনীতিগুলো পালন করে নারী-পুরুষের জন্য যে কোনো পোশাকই পরিধান করা অনুমোদনযোগ্য। পোশাক পরা প্রসঙ্গে এই হলো ইসলামের ব্যাপকতর গ্রহণযোগ্য নীতি। বর্তমান সময়ের এত বৈচিত্র্যের মধ্যেও পোশাকে ঐক্য থাকবে শুধু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দিকনির্দেশনা পালনের জন্য এবং ইসলামি শরিয়ত প্রদত্ত সতর ঢাকার শর্তগুলো মেনে চলার মধ্যেই পোশাকের ব্যবহার করতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকারকারীদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু

মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকারকারীদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু

দৌলতদিয়ায় 'হাম' রোগ সচেতনতায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

দৌলতদিয়ায় 'হাম' রোগ সচেতনতায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠালেন এসিল্যান্ড!

ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠালেন এসিল্যান্ড!

ঝিনাইদহে অবৈধ গাইড বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম, অর্ধকোটিতে রফা ব্যাংকে জমা ২৪ লাখ!

ঝিনাইদহে অবৈধ গাইড বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম, অর্ধকোটিতে রফা ব্যাংকে জমা ২৪ লাখ!

হরমুজ অনুমতি পেলেও বাতিল বাংলাদেশের পাঁচ জ্বালানি চালান

হরমুজ অনুমতি পেলেও বাতিল বাংলাদেশের পাঁচ জ্বালানি চালান

জনপ্রিয় সংবাদ

নাফ নদ থেকে ৩ নৌকাসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

নাফ নদ থেকে ৩ নৌকাসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

তেলের কৃত্রিম সংকট ও চোরাচালান রোধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তেলের কৃত্রিম সংকট ও চোরাচালান রোধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কিন্ডারগার্ডেন বৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে মেধাবী শিক্ষার্থী জান্নাত

কিন্ডারগার্ডেন বৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে মেধাবী শিক্ষার্থী জান্নাত

রাজাপুরে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

রাজাপুরে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নবাবগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান: ২.২৪ একর বনভূমি উদ্ধার ও চারা রোপণ

নবাবগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান: ২.২৪ একর বনভূমি উদ্ধার ও চারা রোপণ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

নামায পরিত্যাগের ভয়াবহ পরিণতি

নামায পরিত্যাগের ভয়াবহ পরিণতি

"নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা'দ" প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই নামায আদায় না করার কি শাস্তি হবে! সেই সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা সংকিপ্ত আকারে তুলে ধরছি, "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ" -ঈমান আনয়নের পর মুমিন বান্দাদের জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যপালনীয় ইবাদাত হচ্ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামায। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে ধনী-গরিব নির্বিশেষে

বিদায়ের সুরে রমজান, শেষ জুমায় ইবাদতের ছোঁয়া

বিদায়ের সুরে রমজান, শেষ জুমায় ইবাদতের ছোঁয়া

আজ ২০ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার, জুমাতুল বিদা। সারাদেশে দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, মর্যাদা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। ‘জুমাতুল বিদা’ শব্দটি আরবি, যেখানে ‘বিদা’ অর্থ বিদায়—অর্থাৎ রমজানের শেষ জুমা। মুসলিম বিশ্বের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ভিড় করছেন। নামাজের

পবিত্র শবেকদর আজ

পবিত্র শবেকদর আজ

আজ সোমবার রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর পালিত হবে। এই রাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসের ২৬ তারিখ রাতে শবেকদর পালন করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই রাত কাটান। শবেকদরের এই রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এই রাতকে কেন্দ্র করে কোরআনে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরা নাজিল করা হয়েছে। ‘শবেকদর’ ফারসি শব্দ। শব মানে রাত

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

ঐতিহাসিক বদর দিবস ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ রমজানে সংঘটিত বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এই দিনে বদর প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে অল্পসংখ্যক মুসলিম বাহিনী মক্কার কুরাইশদের শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় অর্জন করে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মক্কার কাফেররা মহানবী (সা.) এবং তাঁর অনুসারীদের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস

ঐতিহাসিক বদর দিবস ১৭ রামাদ্বান। হিজরি দ্বিতীয় সনের এ দিনে বদর প্রান্তরে রাসূল (সা)-এর নেতৃত্বে মক্কার কুফরি শক্তির বিরুদ্ধে যে সশস্ত্র যুদ্ধ হয় ইতিহাসে তাই ‘বদর যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ। মক্কার কাফেররা রাসূল (সা) এবং মুমিন বাহিনীকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েই চুপ করে বসে থাকেনি, তারা ইসলামকে শেষ করে দেয়ার জন্য নানা ফন্দি আঁটতে