
প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৬:১২

তাকওয়া বা পরহজেগারী মূলত আল্লাহকে ভয় করার নাম। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারমিরে অনকে আয়াতে তাকওয়া অবলম্বনরে কথা বলছেনে। যার যতবশেি তাকওয়া সে আল্লাহর কাছে ততবশেি র্মযাদাবান। এ জন্য ছোট-বড় সব প্রজন্মকইে তাকওয়ার শক্ষিা দওেয়া জরুর।ি কনেনা খাঁটি মুসলমি হওয়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে তাকওয়া। কোরআনুল কারমিরে একটি সর্তকতামূলক আয়াত থকেে তা প্রমাণতি। আল্লাহ তাআলা বলনে-
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللّٰهَ حَقَّ تُقٰتِهٖ وَ لَا تَمُوۡتُنَّ اِلَّا وَ اَنۡتُمۡ مُّسۡلِمُوۡنَ
‘হে বশ্বিাসগিণ! তোমরা আল্লাহকে যর্থাথভাবে ভয় কর এবং তোমরা আত্মসর্মপণকারী (মুসলমি) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১০২)
আল্লাহ তাআলাকে ভয় করার নর্দিশে ছলি আগরে ও পররে সবার জন্য। কোরআনুল কারমিে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা বষিয়টি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করছেনে এভাব-ে
وَ لِلّٰهِ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ وَ لَقَدۡ وَصَّیۡنَا الَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡکِتٰبَ مِنۡ قَبۡلِکُمۡ وَ اِیَّاکُمۡ اَنِ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ وَ اِنۡ تَکۡفُرُوۡا فَاِنَّ لِلّٰهِ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ وَ کَانَ اللّٰهُ غَنِیًّا حَمِیۡدًا
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
‘আসমান ও জমনিে যা আছে সব আল্লাহরই; তোমাদরে আগে যাদরেকে কতিাব দযে়া হয়ছেে তাদরেকে এবং তোমাদরেকওে নর্দিশে দযি়ছেি য,ে তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর। আর তোমরা কুফরি করলওে আসমানে যা আছে ও জমনিে যা আছে তা সবই আল্লাহর এবং আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসাভাজন।’ (সুরা নসিা : আয়াত ১৩১)
সুতরাং সবার জন্য তাকওয়া অবলম্বন করা ফজর। তাকওয়া বা আল্লাহকে ভয় করা শুধু উপদশেই নয় বরং এটি আগরে সব নব-িরাসুলরে উম্মতরে জন্য যমেন ফরজ ছলি; তমেনি উম্মতে মুহাম্মাদরি সবার জন্যও তাকওয়া বা আল্লাহকে ভয় করা আবশ্যক। আর তাকওয়ার মূল কথা হচ্ছ-ে
‘আল্লাহ তাআলার ওসয়িত ও নর্দিশে হচ্ছ,ে তাক্বওয়া অবলম্বন করা; তাঁর আদশে মনেে চলা এবং তাঁর নষিধেকৃত বষিয়সমূহ থকেে বঁেচে থাকা।
অন্য আয়াতে মহান রব ঘোষণা করনে-
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللّٰهَ وَ لۡتَنۡظُرۡ نَفۡسٌ مَّا قَدَّمَتۡ لِغَدٍ ۚ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ خَبِیۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ
‘হে বশ্বিাসীগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আর প্রত্যকেরেই ভবেে দখো জরুরি য,ে আগামীকালরে (কয়োমতরে) জন্য সে কি অগ্রমি পাঠয়িছে।ে তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নশ্চিয়ই তোমরা যা কর, আল্লাহ সে সর্ম্পকে অবহতি।’ (সুরা হাশর : আয়াত ১৮)
কোরআনুল কারমিরে দকিনর্দিশেনা অনুযায়ী হাদসিে পাকওে প্রয়ি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে তাকওয়া অবলম্বনরে অসয়িত করছেনে। হাদসিে পাকে এসছে-ে
১. একদনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদরে নামাজ পড়ালনে। নামাজ শষেে তনিি তাঁদরে দকিে মুখ করে বসে একটি অত্যন্ত হৃদয়র্স্পশী ভাষণ শোনালনে। সইে বক্তব্য শুনে সাহাবাদরে চোখ অশ্রুসক্তি হয়ে গলে এবং তাঁদরে হৃদয়ে কম্পন শুরু হল। তখন সাহাবারা আবদেন করলনে, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ! মনে হচ্ছ,ে এটা যনে আপনার বদিায়ী ভাষণ! সুতরাং আপনি আমাদরেকে কছিু অসয়িত করুন! তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললনে-
أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللهِ وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ
‘আমি তোমাদরেকে অসয়িত’ করছি (উপদশে দচ্ছি)ি, তোমরা আল্লাহর তাক্বওয়া অবলম্ব কর এবং তোমাদরে (নতোদরে) আনুগত্য স্বীকার কর এবং তাদরে কথা শ্রবণ কর।’ (তরিমজি,ি ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ)

এ তাকওয়া অবলম্বন শুধু নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামরে পক্ষ থকেে অসয়িতই নয় বরং এটি মানবজাতরি জন্য আল্লাহ তাআলার পক্ষ থকেে এক গুরুত্বর্পূণ অসয়িত। আগরে ও পররে সব মানুষরে জন্য একটি গুরুত্বর্পূণ অসযি়ত। মানুষরে জন্য যার চয়েে বড় আর কোনাে অসয়িত হতে পারে না।
সব যুগরে নব-িরাসুলগণও তাদরে যুগে যুগে নজি নজি উম্মতদরেকে তাকওয়ার অসয়িত করছেনে। এমনকি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নজিওে তার কাছে কউে অসয়িতরে অনুরোধ জানালে তনিি প্রথমইে তাকওয়ার অসয়িত করতনে। হাদসিে পাকে এসছে-ে
২. এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামরে কাছে এসে অসয়িত চাইলে তনিি বললনে, ‘তোমার র্কতব্য হবে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করা। আর তুমি প্রতটিি উঁচুস্থানে উঠা বা উল্লখেযোগ্য স্থানে তাকবরি বা আল্লাহর শ্ৰষ্ঠেত্ব ঘোষণা করা।’ (তরিমজি,ি মুসনাদে আহমাদ)তাছাড়াও প্রয়ি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনইি কোথাও কোনো সনোদল পাঠাতনে; তাদরে সবাকে তাকওয়ার অসয়িত করতনে।’ (মুসলমি, আবু দাউদ)
মনে রাখা জরুরি
শুধু মানুষই নয়; সমগ্র সৃষ্টজিগতই আল্লাহকে ভয় কর।ে তাই তাকওয়া শুধু উপদশেই নয় বরং এটি ছলি আগরে পররে সব নব-িরাসুলরে উম্মতরে জন্য পালনীয় আবশ্যক কাজ। তাকওয়ার নর্দিশে এখনো উম্মতে মুহাম্মাদরি জন্য আবশ্যক পালনীয় র্কতব্য।
আবার এটি মানুষরে জীবনে গুরুত্বর্পূণ অসয়িত এবং আমলও বট।ে যা মানুষকে সব পাপাচার থকেে মুক্ত রাখব।ে কারণ, যার মধ্যে আল্লাহর ভয় থাক;ে তার দ্বারা কখনো কোনো অন্যায় সংঘটতি হওয়া সম্ভব নয়। এ তাকওয়াই মূলত প্রত্যকেকে খাঁটি মুসলমানে পরণিত করার অন্যতম উপায়।
সুতরাং মুমনি মুসলমানরে উচতি, আল্লাহর কাছে বশেি বশেি তার ভয় কামনা করা। যার মাধ্যমে নজিদেরে অন্তরে আল্লাহর ভয় জগেে ওঠবে।ে এ সর্ম্পকে হাদসিে পাকে একটি দোয়া এসছে-ে
৩. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদয়িাল্লাহু আনহু র্বণনা করনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতনে-
اَللَّهُمَّ اِنِّى أَسْألُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى
উচ্চারণ :‘ আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা; ওয়াত তুক্বা; ওয়াল আফাফা; ওয়াল গনিা।’
র্অথ : হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে হদোয়তে কামনা করি এবং আপনার ভয় তথা পরহজেগারি কামনা করি এবং আপনার কাছে সুস্থতা তথা নতৈকি পবত্রিতা কামনা করি এবং সম্পদ তথা সার্মথ্য কামনা কর।ি (মুসলমি, তরিমজি,ি ইবনে মাজাহ ও মুসনাদে আহমদ) আল্লাহ তাআলা মুসলমি উম্মাহর সবাইকে তাকওয়া অবলম্বন করার তাওফকি দান করুন। আল্লাহকে বশেি বশেি ভয় করার মাধ্যমে খাঁটি মুসলমান হওয়ার তাওফকি দান করুন। আমনি।