প্রকাশ: ১১ মে ২০২১, ১১:২৭
বাংলাদেশের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অসুস্থতার কারণে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জনসভায় হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে তিনটার পর নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। ফেসবুক পোস্টে ইশরাক
চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরার কয়েকদিনের মধ্যেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে আপাতত তার সঙ্গে সাক্ষাৎ সীমিত রাখা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, নজরুল ইসলাম খান গত ২৫ জুন সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় ফেরেন। পরে মঙ্গলবার (৩০ জুন) তাকে বসুন্ধরা
খুচরা পয়সার সংকটের কারণে নিম্নমূল্যের সিগারেটের প্রকৃত দাম থেকে বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে অভিযোগ তুলেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামী দলীয় সংসদ সদস্য আমির হামজা। তিনি দাবি করেন, এই অতিরিক্ত অর্থ সরকারের রাজস্ব হিসেবে জমা হচ্ছে না। ফলে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব হারাচ্ছে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনায়
বাংলাদেশের রাজনীতির এক অভিজ্ঞ ও প্রবীণ ব্যক্তিত্ব, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বর্তমানে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগতে থাকা এই প্রবীণ রাজনীতিকের শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তিনি জনজীবন থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া