
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২০, ১:৪

দেশজুড়ে বন্যায় সাত হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের ২৫ জেলায় অবস্থিত। এর মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু স্থানে পানি নামতে শুরু করেছে, অনেক স্থানে এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) আলাদা বন্যা সেল করে প্রতিনিয়ত তথ্য সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর (ইইডি) সূত্র জানায়, যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা ইতোমধ্যে এসেছে সেগুলো মেরামত, সংস্কার এবং ক্ষেত্রবিশেষে নতুন ভবন নির্মাণসহ অন্তত ৪০ কোটি টাকা লাগতে পারে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো তৈরি করা যায়নি।সূত্র আরও জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব মাঠপর্যায় থেকে ডিপিই এবং ইইডিতে পাঠানো হচ্ছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা পাওয়া গেলেও মাউশির অধীনে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল-কলেজের সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। তবে এবার অধিক বন্যা ও তা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি টাকা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা দিয়েছেন।