
প্রকাশ: ৭ এপ্রিল ২০২০, ২৩:৫৩
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের উত্তর বাটামারা গ্রামে জন্ম নেয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান)আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোক।
সাংসদ আলী আজম মুকুল বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারের হত্যা মামলার ফাঁসির দন্ড প্রাপ্ত পালাতক আসামি ক্যাপ্টেন (অ.) আবদুল মাজেদ গ্রেপ্তার হওয়ায় আমি স্বস্তি প্রকাশ করছি। তবে এর পূর্ণতা পাবে ওই খুনির ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর হবার পর। তিনি আরো বলেন, খুনি মাজেদ গ্রেপ্তারে ভোলা জেলার সকল শ্রেণি পেশার মানুষ খুশি। তাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। করোনা ভাইরাসের কারণে সরকারি নির্দেশনা মেনে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। অন্যথায় আমার নির্বাচনী এলাকা আজ মিছিলের জনপদে পরিনত হতো। ক্যাপ্টেন মাজেদ গ্রেপ্তারের ফলে ভোলা আজ কলঙ্ক মুক্ত হল।
পৌর মেয়র ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, যে মানুষ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে খুন করে দাম্ভিকতা প্রকাশ করতে পারে সে অমানুষ। আজ আমরা ভোলাবাসী কিছুটা নির্ভার হলাম। মাজেদের ফাঁসির রায় কার্যকর হলে এ জনপদ শাপমুক্ত হবে।
উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও বড়মানিকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জসিমউদ্দিন হায়দার বলেন, মাজেদ ক্যাপ্টেন গ্রেপ্তারে বড়মানিকা অভিশাপমুক্ত হল। তিনি দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকরের দাবি জানান।
বড়মানিকার চার নম্বও ওয়ার্ডের বাসিন্দা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সাহেব আলী তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ধরতে রাস্ট্রের এতগুলো বছর লাগা দু:খজনক। তারপরও মাজেদের মত পাপীর গ্রেপ্তার অবশ্যই সুখের সংবাদ। তবে তাঁর দ্রুত ফাঁসি কার্যকর হতে হবে।

বোরহানউদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আ.ন.ম আবদুল্লাহ বলেন, আজ জাতির একটি দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান হল। রায় যত দ্রুত কার্যকর করা যায় তত ভাল। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোককে ক্যাপ্টেন মাজেদের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকরের দাবি জানাতে দেখা গেছে।