
প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২০, ১৮:১২

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। গত ১০ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজারমূলধন কমেছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা। এ সময়ে মূল্যসূচক কমেছে ৮৬১ পয়েন্ট। বুধবার একদিনে কমেছে ১১ হাজার কোটি টাকা। একই অবস্থা অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সবার মধ্যে আতঙ্ক থাকায় ৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে নিচে চলে এসেছে শেয়ারবাজার। এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনের সীমা ১ ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে।
এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩টি কোম্পানির, কমেছে ৩৩৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬৮ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৬০৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এটি সাত বছরের মধ্যে সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থান। এর আগে ২০১৩ সালের ১০ মে ডিএসইর প্রধান সূচক ছিল ৩ হাজার ৫৫৯ পয়েন্ট। সাধারণত বাজারের উত্থান-পতন মূল্যসূচক দিয়ে বোঝা যায়। বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে সূচকের উত্থান আর কমলে পতন হয়। বাজার সংশ্লিষ্টদের এ ধারণা ছিল বড় বিপর্যয় না এলে সূচক কোনোভাবেই ৪ হাজার পয়েন্টের নিতে আসবে না। এসব কারণেই এ ৪ হাজার পয়েন্টকে মনস্তাত্ত্বিক লেবেল বলা হতো। কিন্তু ইতিমধ্যে ওই লেভেল ভেঙেছে। এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য আতঙ্কের।
