
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৪, ১২:১৬

ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। রোববার সন্ধ্যার পর থেকে উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি। সোমবার সারাদিনে ঘূর্ণিঝড়ের শেষ অংশটুকু সাগর থেকে উপকূলে উঠে যেতে পারে।
রোববার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকেই তীব্র হাওয়ার প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ারের পানি উঠতে শুরু করে।ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ স্থলভাগে উঠার সময় উপকূলীয় এলাকা ও এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমুহে আট থেকে ১২ ফুট উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছাস হয়েছে।
কোথাও কোথাও এর চেয়ে বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসও হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কিছুটা ক্ষয়ক্ষতির কথা সংবাদদাতা জানিয়েছেন। তবে ঝড়ের প্রভাব শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতির সম্পুর্ণ চিত্র ফুটে উঠবে।মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত জারি করে আবহাওয়া অফিস। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও কক্সাবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘূর্ণিঝড়টির গতিবেগ ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা নির্দেশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আবহাওয়ার মডেল পুর্বাভাস। এটি জানিয়েছেন কানাডা প্রবাসী আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

কিন্তু বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে, দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘূর্ণিঝড়টির সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। মোস্তফা কামাল জানান, ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের পেছনের অর্ধেক অংশ রোববার রাত ১২টার পর থেকে উপকূল অতিক্রম করা শুরু করেছে এবং সোমবার সকাল ৬টার মধ্যে উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম শেষ করতে পারে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে বৃষ্টিসহ দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত ছিল। এটি আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে গতকালই সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৩ থেকে ৪ ঘণ্টিায় মংলাবন্দরের নিকটবর্তী পশ্চিমবঙ্গের সাগর আইল্যান্ড (সাগর দ্বীপ) থেকে পটুয়াখালীর খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করেছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র অতিক্রমের পর নিম্নভাগ অতিক্রম করতে থাকে।