ঈদ শেষে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাট দিয়ে রাজধানী ঢাকায় ছুটছেন মানুষ। ভোর থেকে বাংলাবাজার ঘাটে কর্মজীবি মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এছাড়াও শিমুলিয়া ঘাট থেকে আজও বাড়ি ফিরছেন অনেকেই। তবে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় একটু বেশী হলেও দক্ষিন অঞ্চলের ২১ জেলার হাজার হাজার মানুষ এখনো ঈদ উপলক্ষে বাড়ী ফিরছে।
বাংলাবাজার থেকে ফেরিতে জরুরি পরিবহনসহ কর্মস্থান মুখী যাত্রী নিয়েই ফেরিগুলো শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া যারা ঈদের আগে বাড়ির ফিরতে পারেননি, তারা এখন বাড়ি ফিরছেন। বাড়ি ফেরাদের সংখ্যা এখনো প্রচুর। প্রত্যেকটি ফেরিতেই প্রচুর যাত্রী রয়েছেন। একইসঙ্গে হালকা যানবাহনও রয়েছে ফেরিতে।
লকডাউন ও সরকারি বিধিনিষেধের কারণে দূরপাল্লার যানবাহন, যাত্রীবাহী লঞ্চ, স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ঈদের আগে বাড়ি ফেরার নিয়ে গত একসপ্তাহ ধরে ঘাটে নানা ঘটনা ঘটে চলেছে।
শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রাপথে দুটি ফেরিতে প্রচন্ড গরমে হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে ৫ জন মারা হওয়ার পর ফেরি সার্ভিসে গতি আনা হয়েছে। এই নৌরুটে বর্তমানে চলাচল করছে ১৬টি ফেরি। ভোর থেকে যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করলেও ফেরিতে যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। এছাড়া পণ্যবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সও অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।
ঘাট নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সদস্যরা। দুরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় বিভিন্ন যানবাহনে তিন থেকে ৪গুন বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের।
মাদারীপুর ফায়ার সাভির্স সহকারি অফিসার মাহাতাব হোসেন জানান, সকাল থেকে বাংলাবাজার ঘাটে উপচে পড়া ভিড়। আমার আগে থেকেই প্রস্তুত আছি কোন দুর্ঘটনা হলে সেটা পরিস্থিতি অনুযায়ী মোকাবেলা করার জন্য। তাছাড়া আমরা মানুষদের সচেতন করছি যাতে কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা না ঘটে।
মাদারীপুর বাংলাবাজার ফেরিঘাটের (বিআইডব্লিউটিসি) ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এখনো ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড়ের সাথে সাথে ঢাকামূখী যাত্রীদের চাপও আজ বেশী। তাই আমরা সকল ফেরি সচল রেখেছি।