প্রকাশ: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০:৪২
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার খালাস পাওয়া পুলিশের ৪ সদস্য এবং এপিবিএন এর ৩ সদস্য কক্সবাজার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
সিনহা হত্যা: কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ৭ জন। মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার কারাগারের জেল সুপার নেছার আলম।
এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের কারাবিধি অনুযায়ী কারাগারে রাখা হয়েছে।
কারামুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- পুলিশের সদস্য এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল-মামুন এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্য এসআই শাহজাহান আলী, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাজীব হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।
জেলা সুপার নেছার আলম জানান, সিনহা হত্যা মামলারা রায়ে আদালত থেকে যারা অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন তারা আদালত থেকেই মুক্তি পাওয়ার কথা। তবে গতকাল সোমবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মামলার রায় ঘোষণার শেষে সব আসামির সঙ্গে খালাস পাওয়া অভিযুক্তদেরও কারাগারে পাঠানো হয়।
পরে সোমবারে সন্ধ্যার আগে আদালতের পাঠানো আসামির তালিকা দেখার পর খালাস পাওয়া পুলিশের ৪ সদস্য এবং এপিবিএন এর ৩ সদস্যকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
জেলা সুপার আরও জানান, রায় শেষে আদালত যাদের সাজা দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকালে মৃত্যুদন্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের কারাগারে আনার পর কয়েদি পোষাক পরিয়ে কনডেম সেলে এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদেরও কয়েদি পোষাক পরানোর পর কারাগারের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
সিনহা হত্যা মামলায় সোমবার ঘোষিত রায়ে আদালতে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদন্ড এবং যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, রুবেল শর্মা এবং পুলিশের সোর্স নিজাম উদ্দিন, নুরুল আমিন ও আয়াজ উদ্দিনকে।