ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত গাজায় প্রাণ গেছে ১৯৭ জন ফিলিস্তিনির। নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন শিশু ও ৩৪ জন নারী রয়েছেন। অর্থাৎ নিহতদের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই হলো নারী ও শিশু।
গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নিহতের মধ্যে কেবল রোববার (১৬ মে) একদিনেই মারা গেছেন ৪২ জন ফিলিস্তিনি, যাদের ১০ জনই শিশু। এদিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলা দ্রুত বন্ধ হচ্ছে না জানানোর কয়েক ঘণ্টা পর সোমবারও ইসরায়েলি গোলাবর্ষণ চলছে।
গত সাত দিন ধরে ইসরায়েলের বিমানবাহিনীর অব্যাহত গোলা বর্ষণে গাজার মূল শহরসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক, বসতবাড়ি, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ভবন, হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র সংগঠনের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের অধিকাংশই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।
সংঘাত অষ্টম দিনে গড়ালেও অবশ্য হামাস এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনী— কোনো পক্ষের মধ্যেই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার কোনো লক্ষণ বা আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
রবিবার রাত জুড়ে গাজার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক ডজন গোলাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। গাজার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গোলার প্রচণ্ড শব্দের প্রতিধ্বনি শোনা গেছে রাতভর।
হামাসের তরফ থেকেও রকেট হামলা অব্যাহত রাখা হয়েছে। তবে আয়রন ডোম মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে তার অধিকাংশই অকার্যকর করে দিচ্ছে ইসরায়েল সেনাবাহিনী।
এরপরও কিছু রকেট আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে ইসরায়েলে। দেশটির সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামাসের রকেট হামালায় এ পর্যন্ত ইসরায়েলে ১০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের দুইজন শিশু।