বরিশালে নির্মানাধীন হাসপাতালের অগ্রগতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অসন্তোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল।
প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার ১৯শে জানুয়ারী ২০২৩ ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
বরিশালে নির্মানাধীন হাসপাতালের অগ্রগতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অসন্তোষ

বরিশালে সমন্বিত ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটের জন্য নির্মানাধীন অবকাঠামো (ভবন) এর কাজের অগ্রগতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিম মালেক-এমপি।


সেইসাথে শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু হাসপাতাল ভবন নির্মানকাজে শেষ হতে বিলম্ব হওয়া নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।  সেইসাথে বর্ধিত নির্ধারিত সময় চলতি বছরের জুনের মধ্যে হাসপাতাল ভবনটির নির্মান কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানসহ প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাদের। আর এরপররই হাসপাতাল উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।


বৃহষ্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরের আমানতগঞ্জ এলাকায় নির্মানাধীন শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু হাসপাতাল ভবন পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এসময় তাকে সেখানে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু।


উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ হুমায়ুন শাহীন খান, জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মারিয়া হাসানসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় ও  পিডব্লিউডি এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।


শুরুতেই তিনি শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু হাসপাতালের ভবন নির্মান কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। এসময় প্রকৌশলীরা জানান, ২০১৭ সালে ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মান কাজ শুরু হয় এবং ২০১৯ সালে এর নির্মান কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। তবে করোনাসহ নানান কারনে এর নির্মান কাজ এখনও শেষ হয়নি। চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে ভবনটি হস্তান্তর করার কাজ এগিয়ে চলছে।


এসময় মন্ত্রী নির্মান কাজ শেষ হওয়ার মেয়াদের পরও তিন বছর অতিবাহিত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং বিলম্ব হওয়ার কারন জানতে চান। তখন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু মন্ত্রীকে জানান, প্রথমে জমি অধিগ্রহন প্রকৃয়ার কারনে নির্মান কাজ শুরুতে বিলম্ব হয়েছে, এরপর পুকুর ভরাটসহ নানান সমস্যা সমাধানে একবছর শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া  আশপাশের ভবনে ফাটল ধরায় পাইল ড্রাইভের প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়েছে। তবে বর্তমান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা জানান তিনি।


এরপর তিনি হাসপাতাল ভবনটি ঘুরে দেখেন এবং ভবনের নকশা ও কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে নগরের বান্দরোড সংলগ্ন সমন্বিত ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটের জন্য নির্মানাধীন অবকাঠামো (ভবন) এর কাজ পরিদর্শনে যান।  পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ক্যান্সার হাসপাতালের নির্মান কাজের গতি একটু স্লো। আর একটু প্রগেস হওয়ার দরকার ছিলো। আমরা পিডব্লিউটি কে বলেছি, যাতে কাজটি আরও অগ্রগতি লাভ করে এবং টার্গেট সময়ের মধ্যে যেন কাজটি শেষ করে।