২) করোনার মহামারীর সময় যে সকল প্রতিষ্ঠান চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন বোনাস পরিশোধ করেনি অথবা আংশিক কর্তন করেছে তাদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহন এবং চিকিৎসকদের সমস্ত বকেয়া বেতন- বোনাস অনতিবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।
৩) কর্মক্ষেত্রে সকল চিকিৎসকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ে প্রণীত "চিকিৎসা সুরক্ষা আইন" এর বাস্তবায়ন করতে হবে।
৪) বেসরকারি স্বাস্থ্য খাঁতের তদারকিতে বেসরকারি চিকিৎসক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা করতে হবে।
৫) চিকিৎসকদের মধ্য হতে স্বাস্থ্য খাতে উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে বেসরকারি চিকিৎসকদের প্রনোদনা ও সুদমুক্ত বা স্বল্প সুদে বিশেষ ঋণ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
একজন ডাক্তার যখন একটি নিরাপদ কর্মস্থল পাবেন, পাবেন চাকরি স্থায়ীত্বের নিশ্চয়তা, সঠিক সময়ে বেতন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, তখন তিনি স্বাস্থ্যসেবায় পূর্ন মনোনিবেশ করতে পারবেন। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অনস্বীকার্য নিয়ামক। এর ফলে দেশের সাধারণ জনগন যেমন পাবেন উন্নত স্বাস্থ্য সেবার নিশ্চয়তা, তেমনি চিকিৎসকরা পাবেন উন্নত ও নিশ্চিন্ত কর্মপরিবেশ।
"একত্রে থাকুন, পরিবর্তন আসবেই "এই শ্লোগানকে বুকে ধারন করে বেসরকারি চিকিৎসক সমাজের জন্য কাজ করতে বদ্ধপরিকর Bangladesh Non-Govt. Doctors' Association.
সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা বলেন, দেখতে দেখতে আজ স্বাধীনতার প্রায় ৪৯ বছর পার হতে চলছে। এই ৪৯ বছরে দেশে শিল্প, স্বাস্থ্য ও আর্থসামাজিক খাঁতে উত্তরোত্তর উন্নতি সাধিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশ। এদেশের অর্থনৈতিক প্রবিদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়ন এখন বিশ্বের কাছে রোল মডেল। যা সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দুরদর্শিতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে। তাই সকলে মিলে চেষ্টা করলে একত্রে থাকলে পরিবর্তন আসবেই। তাই বাংলাদেশ নন-গভঃ ডক্টরস এসোসিয়েশন (বিএনজিডিএ), তাদের স্লোগান ঠিক করেছে "একত্রে থাকুন, পরিবর্তন আসবেই "।