প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১:৩৮
প্রায় দেড় বছর পর অবশেষে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোলার লালমোহনে দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেমন চিত্র তা দেখতে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয় বেশ কয়েকটি প্রাথমিক-মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্তে খুশি।
পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পরিস্কার-পরিছন্নতা কার্যক্রম চলছে প্রতিষ্ঠানগুলোতে। শিক্ষার্থীরা যাতে শ্রেণিকক্ষে এসে চিরচেনা রূপ ফিরে পায় সে ব্যাপারে যথেষ্ট সোচ্চার রয়েছেন স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। লালমোহনে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, দাখিল, আলিম এবং ফাজিল মাদ্রাসাসহ সব মিলিয়ে মোট ৩৫০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। সেখানেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে সরকারি যেসব নির্দেশনা রয়েছে তা মেনে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. রুহুল আমিন।
লালমোহন করিমুন্নেসা-হাফিজ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্বাস উদ্দিন জানান, কলেজটিতে প্রায় সাড়ে ৮ শত শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতিষ্ঠান খুললে মূল গেইটে তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র স্থাপনসহ হ্যান্ড ওয়াশ রাখার ব্যবস্থা করা হবে। এবং প্রতিষ্ঠান খোলার পর প্রতিটি শ্রেণির শিক্ষকরা স্বাস্থ্যবিধি মানাতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ফুলবাগিচা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোসলেহ উদ্দিন মিলন বলেন, অনেক দিন ধরে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার ফলে আসবাবপত্রে ধুলো জমেছে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের আশেপাশে ময়লা-অবর্জনা স্তুপ তৈরি হয়েছে। সেগুলো পরিস্কারে কাজ চলছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে থাকবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্কের ব্যবস্থা।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পল্লব কুমার হাজরা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে সরকারের যেসব নির্দেশনা রয়েছে তা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য উপজেলার সব ক’টি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদেরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বর্তমান চিত্র দেখার জন্য বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছি। আশা করছি এ উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।