
প্রকাশ: ১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০:৪৪

জন্ম ১৯৬৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। পাকিস্তানের করাচিতে। তার বাবা ক্লাব পর্যায়ের ক্রিকেটার হলেও ক্রিকেটকে পরে পেশা হিসেবে নেননি। তিনি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার। সেই বাবার সন্তানের রক্তে যেন প্রবেশ করেছিল ক্রিকেট। তাই দিনে দিনে হয়ে উঠেন বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। ক্যারিয়ার তাকে দিয়েছে কিংবদন্তির মর্যাদা। তিনি সাঈদ আনোয়ার। পারিবারিক বিপর্যয়ে সম্পূর্ণ পাল্টে যায় তার জীবনের গতিপথ। বিদায় জানাতে হয় ক্রিকেটকেও। আবার ফিরেও এসেছিলেন। এমন ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ক্যারিয়ার সত্ত্বেও সাঈদ আনোয়ারকে বলা হয় পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ ওপেনারদের মধ্যে অন্যতম।


২০০১ সালে মুলতানে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় এখনও আলোচনার ঝড় তোলে। এই টেস্টের শেষ দিনে এক পারিবারিক বিপর্যয়ে তছনছ হয়ে যায় সাঈদ আনোয়ারের জীবন। দীর্ঘ অসুখের পরে মারা যায় তার ৩ বছরের শিশুকন্যা বিসমাহ। এরপর থেকে সাঈদ আনোয়ারের কাছে জীবনের অর্থই পাল্টে যায়। ক্রিকেট ছেড়ে সাঈদ মন দেন ধর্মপ্রচারে। তার একমাত্র সঙ্গী হয় ধর্মপুস্তক। সন্তানশোক ভুলতে ধর্মের বাণীতেই সান্ত্বনার আশ্রয় খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে আবার ক্রিকেটে ফিরেছিলেন সাঈদ আনোয়ার। খেলেছিলেন বিশ্বকাপ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজের বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে করেছিলেন ৪০ রান।
ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব