
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৪, ১৭:৪১

সিলেটে ভারতীয় চোরাই চিনির কাণ্ড নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। সম্প্রতি উমাইরগাঁওয়ে ১৪ ট্রাক ভারতীয় চিনি জব্দের ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নাম বারবার সামনে আসছে এবং অনেককেই বহিষ্কার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় মূল সন্দেহভাজন হিসেবে সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির নাম উঠছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঢাকায় বসে চিনি পাচার চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারীর প্রতি লোভী এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তথ্যে জানা গেছে, তিনি আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় দিয়ে সিলেটের সীমান্ত দিয়ে অবৈধ চিনি আমদানিতে সহায়তা করতেন।
সাইফুল ইসলামের ফেসবুক প্রোফাইলে দেখা যায়, তিনি বিভিন্ন ভূয়ো সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান চালান। তার সহযোগীদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক বিকেল বার্তার প্রতিনিধি রানা ও লাকি আহমেদ, যিনি যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। লাকি বর্তমানে সাইফুলের সিন্ডিকেটের সাথে যুক্ত হয়ে সিলেটে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছেন।

সিলেটের চিনি কাণ্ডে আটক দুই ট্রাক চালক পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা সাইফুলের নাম উল্লেখ করে জানিয়েছেন, তিনি তাদেরকে চিনি পাচারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। যদিও এখনও সাইফুল ইসলাম এবং তার সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে, তবে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সাইফুল ইসলাম নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে ঢাকায় বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। তিনি একটি অনিবন্ধিত টিভি চ্যানেল এবং একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবেও পরিচিত। জানা যায়, তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন।
এখন প্রশ্ন হলো, সাইফুলের এই নেটওয়ার্কের পেছনে কারা রয়েছেন? স্থানীয় জনগণ এবং পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যদি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। স্থানীয় জনগণের আশা, প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এবং এই সিন্ডিকেটকে ধরা হবে।