
প্রকাশ: ১ এপ্রিল ২০২৪, ৩:৩৪

আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে মানুষ যাতে রাতে দিনে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। ধরন্তি থেকে কুন্ডা পর্যন্ত মাঝখানে কোন বাড়িঘর নেই। খালি হাওর দুই পাশে কিছু ইটভাটার রয়েছে।এই জায়গা খালি মনে করে দুষ্কৃতিকারীরা ঝোপঝাড়রের আড়ালে বসে থাকে। সুযোগ পেলেই মানুষের টাকা পয়সা নিয়ে যাই। মানুষের জান মালের' নিরাপত্তা ও রাতদিন ব্যস্ত সড়ক দিয়ে ছোট–বড় অসংখ্য যানবাহন দ্রুতবেগে চলাচল করে।
সরাইল- নাসিরনগর সড়কের দুই পাশে হয় ঝোপঝাড়। সড়কের পাশ খালি না থাকায় সাধারণ পথচারী, সবাইকে সরাসরি সড়কের ওপর দিয়েই চলতে হয়। যানবাহন এলে সড়ক ছেড়ে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। বাধ্য হয়ে সড়কের মধ্যেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয় সবাইকে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।মানুষের নিরাপত্তা ও পথচারীদের
এই ভোগান্তি দূর করতে সরাইল উপজেলা প্রশাসন ও সরাইল থানা পুলিশের উদ্যোগে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল- নাসিরনগর আঞ্চলিক সড়কের পাশের ঝোড়- জঙ্গল, আবর্জনা ও ঝোপঝাড় অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (১এপ্রিল) দুপুরে সরাইল থানা ও কালিকচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায়।আঞ্চলিক সড়কের সরাইল উপজেলা ধরন্তী অংশের ঝোপঝাড় অপসারণ কার্যক্রম কাজের আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন,সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মো.মেজবা উল আলম ভূইঁয়া।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (সরাইল-সার্কেল) এর এসপি মো.রকিবুল হাসান, সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম। এদিকে সরাইল- নাসিরনগর সড়কে ঝোপঝাড় অপসারণ কার্যক্রম কাজের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সরাইল থানা পুলিশেকে প্রশংসা করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সুশীল সমাজও সর্বস্তরের মানুষ। সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে প্রশংসায় এখন ভাইরাল।
সম্প্রতি সরাইল উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় সকল রাস্তার পাশের থাকা ঝোপঝাড় পরিষ্কার করার জন্য উপজেলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। আজ সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।