
প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৩:৪২

রাজধানীর একটি হাসপাতাল থেকে গাইবান্ধা যাওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স ও মাইক্রোবাসের চালকের মধ্যে দ্বন্দ্বে আশুলিয়ার বাইপাইলে পথেই আফসানা আক্তার (৯) নামের এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু ঘটনার মামলায় প্রধান আসামিকে নজরুল ইসলাম (২৯) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলায় এখন পর্যন্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হলো।
বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সাভারের সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।এরআগে, মঙ্গলবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর মৃত্যু হয় আফসানার৷ পরে নিহতের বাবা আলম মিয়া ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে। রাতে দুইজন কে গ্রেফতার করা হয়।
নিহত আফসানা আক্তার গাইবান্ধা জেলা থানার বদ্ধ ধান গড়া গ্রামের আলমের মেয়ে। সে তৃতীয় শ্রেনীতে পড়াশোনা করতো।গ্রেফতার প্রধান আসামি মাইক্রোবাসের চালক নজরুল ইসলাম জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার পূর্ব নাগেরপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে। বাকিরা হলেন- টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুর থানার দোপাকান্দী গ্রামের আব্দুর রহমান খানের ছেলে হানিফ খান (৪০)।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
তিনি আশুলিয়ার বাইপাইলে বসবাস করেন ও একটি রেন্ট এ কারের প্রাইভেটকারের চালক। আরেকজন টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের খুপিবাড়ি গ্রামের মৃত সুরুজ মন্ডলের ছেলে মো. ইমরান (২৫)। তিনি পেশায় গাড়ি চালক। এছাড়া এ মামলার প্রধান আসামি হাইয়েস মাইক্রোবাসের চালক নজরুল ইসলাম। তিনি পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর পর দুইজনকে গ্রেফতান করা হয়। কিন্তু তখন নজরুল পালিয়ে যায়। এরপর থেকে নজরুল বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৌশলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামিউল ইসলাম বলেন, অনেক চেষ্টায় নজরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার নজরুল ইসলামকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) আদালতে পাঠানো হবে। এছাড়া নিহতের মরদেহ গতকালই ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।