প্রকাশ: ২১ ডিসেম্বর ২০২১, ০:৮
বই উৎসবের বাকি মাত্র ৯ দিন। বরিশালে প্রাথমিক স্তরে ৭৭ শতাংশ নতুন বই পৌঁছেছে। আর মাধ্যমিকে এই হার মাত্র ৪০ শতাংশ। বই বিতরণের উৎসব আয়োজন চূড়ান্ত না হলেও বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে এখন শেষ সময়ের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
সরকার ইংরেজি বছরের প্রথম দিনেই দেশের স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের প্রদানে এখন স্কুলে স্কুলে পৌঁছে যাচ্ছে নতুন বই। বরিশালের বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে সোমবার থেকে মাধ্যমিক স্তরের বই সরবরাহ শুরু হয়েছে।
শিক্ষকরা জানান, প্রথম দিনে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির বই পাওয়ার কথা জানান শিক্ষকরা। আরেক শিক্ষক বলেন, এই বই পেয়ে আমরা যেমন খুশি হই, অভিভাবক-শিক্ষার্থীরাও আনন্দিত হয়।
এসব নতুন বই পাবার অধীর আগ্রহে আছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকরাও বলছেন, বছরের শুরুতেই বই হাতে পাওয়ায় তাদের পাঠদানে সহজ হয়।
জেলায় মাধ্যমিক স্তরে ৪৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ৪০ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৪ পিচ বইয়ের চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে বই এসেছে ৪০ শতাংশ।
বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এমন হবে না যে, কোনো শিক্ষার্থী বই পায়নি। এছাড়া রিমোট এলাকায় যেসব শিক্ষার্থী রয়েছে তাদের হাতেও বই পৌঁছে যাবে।
প্রাথমিকে জেলায় বই এসেছে চাহিদার ৭৬ দশমিক তিন দুই শতাংশ। ১ হাজার ৫শ ৯২টি স্কুলে ২ লাখ ২৩ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য ১৪ লাখ ৪৯ হাজার ১৩৫ পিচ বইয়ের চাহিদা রয়েছে বলে জানান শিক্ষা কর্মকর্তা।
বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জামাল উদ্দিন খান বলেন, আমরা আশা করি, আমাদের মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা বছরের প্রথম কর্মদিবসে শিশুদের মধ্যে সমল বই বিতরণ করতে পারব।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উভয় স্তরেই বই বিতরণে প্রথমেই নদীবেষ্টিত, চর ও দুর্গম এলাকাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।