বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬৬ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বাংলাদেশ

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে বছরে শুধু একটি শাড়ি পাই

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২:৩৪

শেয়ার করুনঃ
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে বছরে শুধু একটি শাড়ি পাই

কীর্তনখোলা নদী লাগোয়া হাওলাদার বাড়ি। ঘরের দরজার সামনে এক খণ্ড জায়গাজুড়ে একটি কবর। দেখে মনে হবে একজনকে দাফন করা হয়েছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, ওটি কোনো একজনের কবর নয়, এখানে শুয়ে আছেন আটজন। ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল বরিশালে প্রথম এই বাড়িতে হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি বাহিনী। সেই হাওলাদার বাড়িতে বিত্তবৈভব কিংবা আভিজাত্যের বিপরীতে এখনো রয়েছে দারিদ্র্যের কশাঘাত। কিন্তু এ বাড়ির রয়েছে ঐতিহাসিক আত্মত্যাগ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক আব্দুল মান্নান বলেন, ঢাকায় আক্রমণ হওয়ার পর নদীতীরবর্তী সম্ভাব্য যেসব স্থানে আক্রমণ হতে পারে, এমন স্থানে মুক্তিযোদ্ধারা ট্রেন্স (গর্ত) করে রেখেছিলেন। হাওলাদার বাড়ির রিকশাচালক আব্দুস ছত্তার রাঢ়ীর ঘরের সামনে একটি ট্রেন্স ছিল। পাকিস্তানি বাহিনী ঝুনাহার নদীতে বাধার মুখে পড়ে বরিশাল শহরের দিকে না গিয়ে তালতলী নদীতে ঢুকে তিনটি স্থানে নেমে হত্যাযজ্ঞ চালায়, তার মধ্যে হাওলাদার বাড়ি একটি।

আরও

পাঁচবিবিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, কারাগারে অভিযুক্ত

পাঁচবিবিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, কারাগারে অভিযুক্ত

মিলিটারি আসার সংবাদ পেয়ে ছত্তার রাঢ়ী, তার মা, সন্তান, স্ত্রীসহ আশপাশের ৮ থেকে ১০ জন ওই ট্রেন্সে আত্মগোপন করেছিলেন। মিলিটারিরা নদীতীরে নেমে ওই ট্রেন্সটির সন্ধান পেয়ে যায়। ব্রাশফায়ার করে দুই ট্রেন্সের মুখে। ৮ জনই সেখানে নিহত হন। বাকি দুজন আহত হন। তাদের দাফন-কাফনের কোনো সুযোগ ছিল না। শেষে ট্রেন্সেই তাদের মাটিচাপা দেওয়া হয়। সেই গণকবরটি দীর্ঘদিন অরক্ষিত ছিল। তবে কয়েক বছর আগে শনাক্ত করে কবরটি বাঁধানো হয়েছে।

আব্দুল মান্নান জানান, মিলিটারিরা প্রথমে তিনটি গানবোট ও একটি লঞ্চযোগে বরিশাল আক্রমণের জন্য রওনা হলেও ঝুনাহারে মুক্তিযোদ্ধাদের বাধার মুখে পড়ে। পরে তারা ঢাকায় জানালে ঢাকা থেকে জঙ্গিবিমানে সৈন্য এসে হামলা চালায়। মিলিটারি চরবাড়িয়া গ্রামে ঢুকে যাকে যেখানে পেয়েছে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার পিতা, দাদাকেও গুলি করে হত্যা করে মিলিটারিরা। ওই দিন খুব অল্প সময়ের মধ্যে ৪৭ জনকে হত্যা, ২৫ জনকে মারাত্মক জখম এবং ৬৬টি ঘর পুড়িয়ে দেয়। এই শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে এবং তাদের স্বজনদের সহায়তার জন্য আজ পর্যন্ত কোনো সরকারকেই উদ্যোগ নিতে দেখিনি।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আরও

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

মুক্তিযুদ্ধে জ্বলন্ত ইতিহাস হাওলাদার বাড়ি। গণকবরে নিহত হন, ফজলে আলী হাওলাদার, আব্দুস ছত্তার রাঢ়ী, মো. আলফোন নেছা, আব্দুল ওহায়েদ হাওলাদার, এসাহাক হাওলাদার, রিজিয়া বেগম, মো. আঞ্জুমান নেছা ও হুমায়ূন রাঢ়ী।গণকবরটি সংরক্ষণের অভাব আর শহীদের স্বজনদের রাষ্ট্রীয় সহায়তা না পাওয়ার আক্ষেপ কুড়ে মারে প্রতিক্ষণে। বছর ঘুরে ৮ ডিসেম্বর বরিশাল মুক্ত দিবস দোরগোড়ায় এলে গণমাধ্যমকর্মীরা সংবাদের জন্য যান, কথা বলেন স্বজনদের সঙ্গে। এরপর সারা বছরই থাকেন প্রসঙ্গের বাইরে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শহীদদের স্মরণে দোয়া-মিলাদেরও সামর্থ্য নেই যুদ্ধে স্বজন হারানো স্বজনদের। শহীদদের স্বজনদের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধি আর সরকারি আমলাদের আশ্বাসেই কেটে গেছে অর্ধশত বছর। বিপরীতে অর্ধাহারে-অনাহারে থাকছেন ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য মানুষগুলোর পরিবার। তাদের এখন দাবি, আর্থিক অনুদান না দিতে পারলেও রাষ্ট্র যেন তাদের শহীদের স্বীকৃতিটুকু দেন। যেন গরিব হলেও গর্ব করে বলতে পারেন তারা শহীদ পরিবারের স্বজন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গণকবরটি অযত্ন-অবহেলায় পর্যুদস্ত অবস্থায় রয়েছে। ডিসেম্বর উপলক্ষে বাড়ির মানুষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছেন। গণকবরের দেয়াল ভেঙে যাচ্ছে। নামফলক পরিষ্কার করছিলেন শহীদ ওহায়েদ হাওলাদারের আত্মীয় আলাউদ্দিন হাওলাদার।তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর হলো অথচ আজ পর্যন্ত সরকারিভাবে শহীদদের পরিবার কিছুই পায়নি। শহীদ ওহায়েদ হাওলাদারের একজনমাত্র মেয়ে পুতুল। তার জমি নেই, ঘর নেই। সরকারের এমন কোনো দফতর নেই যেখানে যাননি। মানবেতর জীবন যাপন করলেও কোনো সাহায্য পাননি। স্বাধীনতার ৫০ বছরে শহীদ পরিবারে প্রতি এমন উদাসীনতা সত্যিই দুঃখজনক।

শহীদ ওহায়েদ হাওলাদারের মেয়ে জহুরা বেগম বলেন, আমার বাবা ওই গর্তেই মারা গেছেন। তখন আমার বয়স ছিল দেড় বছর। মায়ের মুখে শুনেছি, আমার চাচা-চাচি আর মা আমাকে নিয়ে অন্যত্র পালিয়েছিলেন বলে আমরা বেঁচে ছিলাম। নয়তো আমরাও বাঁচতাম না। আক্রমণের ৭ দিন পরে এসে গর্তে আমার আব্বার চেহারাও চিনতে পারেনি কেউ। পচে পোকা হয়ে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। শেষে মাটি চাপা দিয়ে দেওয়া হয়। যে দুজন বেঁচে উঠেছিলেন তারা মায়ের কাছে বলেছেন, গর্তে গলা পর্যন্ত রক্তে ডুবে গিয়েছিলেন তারা।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

ডুকরে কাঁদেন জহুরা। বলেন, যখন বুঝতে শিখেছি, তখন মা আব্বার গল্প করতেন। আমি কাঁদতাম। আমার সমবয়সীরা দেখতাম মা-বাবার কোলে ওঠে। আমি আব্বার কোলে উঠতে পারতাম না। বড় শখ ছিল আব্বার হাতের বিস্কুট খাওয়ার। কিন্তু তা তো আর সম্ভব না। আব্বার কোলে ওঠার খুব ইচ্ছা ছিল।তিনি বলেন, আমার বাবার কোনো স্মৃতি আমার মনে নেই। তার চেহারা কেমন, তা-ও আমি বলতে পারি না। আমার বাবা কেমন ছিলেন, কালো নাকি সুন্দর, সেই চেহারাও আমি জানি না। আমার আব্বার স্মৃতি যেন ধরে রাখতে পারি, এ জন্য অনেকের দুয়ারে ঘুরেছি। কিন্তু কেউ সেই ব্যবস্থা করেনি।

জহুরা বেগম বলেন, আমি শুনেছি আব্বা মারা যাওয়ার পরে সরকার থেকে কম্বল আর টিন দিয়েছিল। কিন্তু দাদু তা রাখেননি। তিনি বলেছিলেন, আমার ছেলে নেই সেই দুঃখ তো টিন আর কম্বলে ঘুচবে না। তিনি এগুলো ফেরত দিয়েছিলেন। আমি তো এখন চরম অভাবে আছি। আমার স্বামী মারা গেছেন। একটি মাত্র ছেলে চায়ের দোকান দেয়। বাড়ির জমি কীর্তনখোলায় বিলীন হয়ে গেছে।

অসহায়ত্ব নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে গিয়েছিলাম। কমান্ডার মোখলেছুর রহমান একটি লিখিত দিয়েছিলেন আমার আব্বা মিলিটারির হাতে নিহত হন বলে। তিনি বলেছিলেন, তোর বাবার একটি স্মৃতি দিলাম। আরও বলেছিলেন, শহীদের পরিবারের সন্তান হিসেবে একটি ভাতা করে দেবেন। ইউএনও অফিসে আবেদন করেছিলাম। স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যানের কাছেও আবেদন করেছি। কিন্তু কেউ কোনো সহায়তা করেনি। শুধু তালতলী বাজারে একটি পাঠাগারে আমাদের ডেকে একটি করে শাড়ি দেন। এই বছরে শুধু একটি শাড়ি পাই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে। ওটাই পাওয়া। তা ছাড়া আপনাদের মতো (প্রতিবেদক) অনেক সাংবাদিক ফি বছর আসে আর যায় কিন্তু কোনো উপকারে আসে না। আমি ঠিকই না খেয়ে থাকি।

শহীদের স্বজনদের অভাবে থাকতে হচ্ছে কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি সরকারে বিবেক। আমাদের কী করার আছে? অনেক মানুষ আছেন যারা যুদ্ধ করেননি, তারাও সরকারি সহায়তা পান। আর আমার পিতা মিলিটারিদের হাতে শহীদ হওয়ার পরও আমি না খেয়ে আছি। আমি যে আমার আব্বার জন্য বছরে একবার মিলাদ পড়াব, তারও সামর্থ্য আমার নেই। আমার মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। এখন সরকারি জায়গায় ছাপড়া দিয়ে থাকি। শুনছি যেখানে আছি সেখানে ময়লাখোলা করা হবে। কখন ঠেলা মেরে এই ঘরটাও ভেঙে ফেলে তা বলতে পারছি না।

অভিযোগ করে বলেন, শহীদ স্বজনদের ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য অনেকে আমার কাছে তিন লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছেন। কিন্তু আমি নিজেই থাকি না খেয়ে, টাকা দেব কীভাবে? আমি টাকা দিতে পারিনি তাই আমার ভাতাও হয়নি। আমার দাবি, আমাকে একটি ভাতা করে দেওয়া হোক আর আমার বাবাকে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তাদের গণকবরটি ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হোক।

শহীদ ওহায়েদ হাওলাদারের নাতি আব্দুল হালিম বলেন, আমার নানা পাকিস্তানি মিলিটারির গুলিতে নিহত হয়েছেন। অথচ যারা মুক্তিযোদ্ধা না, তারাও এ দেশে মুক্তিযোদ্ধার ভাতা পান। এটিই আশ্চর্যের বিষয়। আমি দাবি জানাই, শহীদ ওহায়েদ হাওলাদারসহ ওইখানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তাদের প্রতি সরকার এগিয়ে আসুক।

প্রতিবেশী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, চরবাড়িয়ার হাওলাদার বাড়ির গণকবরটির অবস্থা জরাজীর্ণ। এই গণকবর সংরক্ষণের দায়িত্ব কেউ নিচ্ছে না। আমার জন্ম মুক্তিযুদ্ধের পরে, কিন্তু আমি কখনো শুনিনি গণকবরে শহীদদের স্মরণে কেউ দোয়া-মিলাদ পড়িয়েছে। তা ছাড়া তাদের স্বজনরা যে সেই আয়োজন করবেন তার সামর্থ্যও তাদের নেই।

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরুজ্জামান বলেন, চড়বাড়িয়ার হাওলাদার বাড়ির গণকবরের বিষয়টি আমি জেনেছি। কবরটি সংরক্ষণের জন্য ব্যবস্থা করা হবে। আমি সদ্য যোগদান করেছি। আশা করি অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে গণকবরটি সংরক্ষণের পাশাপাশি শহীদদের স্বজনদের সহায়তার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭, নিখোঁজ ৫

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭, নিখোঁজ ৫

নবাবগঞ্জে গাছ কেটে ডাকাতি, আন্তঃজেলা চক্রের আট সদস্য গ্রেপ্তার

নবাবগঞ্জে গাছ কেটে ডাকাতি, আন্তঃজেলা চক্রের আট সদস্য গ্রেপ্তার

বিশ্বযোগ প্রকল্প নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

বিশ্বযোগ প্রকল্প নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

পাঁচবিবিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, কারাগারে অভিযুক্ত

পাঁচবিবিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, কারাগারে অভিযুক্ত

সর্বশেষ সংবাদ

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার

দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

বিয়ের ছয় দিনেই নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি আটক

বিয়ের ছয় দিনেই নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি আটক

হিলি সীমান্তের শূন্য রেখা দুই দেশের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত

হিলি সীমান্তের শূন্য রেখা দুই দেশের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

কুমিল্লার লাকসামে ঢাকাগামী কর্ণফুলি এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ডাউনলাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব চন্দ্র কর দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত

বিয়ের ছয় দিনেই নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি আটক

বিয়ের ছয় দিনেই নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি আটক

বিয়ের মাত্র ছয় দিন পর শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু হয়েছে নববধূ লিমা আক্তারের (২০)। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোররাতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের পাইখাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বাবার বাড়ি থেকে পাঠানো জিনিসপত্র পছন্দ না হওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী একরামুল (২২) ও শাশুড়ি ফরিদা বেগমকে (৫০)

হিলি সীমান্তের শূন্য রেখা দুই দেশের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত

হিলি সীমান্তের শূন্য রেখা দুই দেশের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত

শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের শূন্যরেখা দুই বাংলার দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহা নবমীতে বাংলাদেশ ও ভারতের শত শত সনাতন ধর্মাবলম্বী সীমান্তের দুই পাশে ভিড় করেন। তাঁদের পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষের উপস্থিতিও দেখা যায়। সন্ধ্যা নামার পরও দর্শনার্থীদের আসা-যাওয়া অব্যাহত ছিল। কেউ এসেছেন পূজার পরিবেশ দেখতে, কেউ বাংলাদেশের রেললাইন থেকে ভারতের হিলি সার্বজনীন দুর্গামন্দিরের বিশাল প্রতিমার

বড়লেখায় চুরির রহস্য উদ্ঘাটন, স্বর্ণালংকার ও টাকাসহ গ্রেপ্তার ৬

বড়লেখায় চুরির রহস্য উদ্ঘাটন, স্বর্ণালংকার ও টাকাসহ গ্রেপ্তার ৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় সিএনজিচালক জসিম উদ্দিনের বাড়িতে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার, দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর রাতে দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা, স্ট্যান্ড রিলিজ রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার

প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা, স্ট্যান্ড রিলিজ রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তাকে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে জারি করা এক সরকারি আদেশের পর তিনি রাজশাহী ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। তার স্থলে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেজাউল আলম সরকারকে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊনি-১ শাখার উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত আদেশে ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড