প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২১, ৩:৫৮
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে নদী ভাঙনের কবল থেকে স্কুল বাঁচাতে স্বেচ্ছাশ্রমে বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
ভারি বর্ষণে সম্প্রতি ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদের শাখায় ভাঙন দেখা দেয়। এতে পাইকেরছড়া ইউনিয়নের দ্বিতীয় পাইকেরছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভাঙনের কবলে পড়েছে। স্কুলটি বর্তমানে ভাঙন কবলিত তীর থেকে মাত্র কয়েক হাত দুরে রয়েছে ।
নদী ভাঙান থেকে স্কুলটিকে বাঁচাতে সোমবার দুপুরে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙন কবলিত এলাকায় বাঁশ পুঁতে ৫০০ বালু ভর্তি বস্তা ফেলেছে।
স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করা আব্দুল মালেক ও মজিবর রহমান জানান, ‘এই স্কুলে আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে। নদী যেভাবে ভাঙছে তাতে স্কুল নদীতে চলে যাবে।
স্কুলটিকে বাঁচাতে নদী ভাঙা বন্ধ করা প্রয়োজন। তাই আমরা ২০/২৫ জন গতকাল ও আজকে প্রায় ৫০০ বস্তায় বালু ভরিয়েছি। স্কুলের সামনে যেখানে নদী ভাঙছে সেখানে ৪০/৫০টি বাঁশ পুঁতে দিয়ে বালু ভর্তি বস্তাগুলো ফেলা হয়েছে যাতে ভাঙা বন্ধ করা যায়।’
প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ জানান, ‘ভাঙন কবলিত স্থানের ১০ হাত দুরে স্কুল ভবন। ভাঙন বন্ধ করতে স্কুলের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের সামান্য বরাদ্দ থেকে ১ হাজার প্লাস্টিকের বস্তা কেনা হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে সেগুলোতে বালু ভরে বাঁধ তৈরির মাধ্যমে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছেন।'
কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, ভাঙন ঠেকাতে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করায় এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনকে স্কুলটির বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।