আজ (২০ জুন) রবিবার এর আনুষ্ঠানকি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানাগেছে, ‘মুজিববর্ষের বিশেষ উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে উপজেলার লালপুর ও আড়বাব ইউপিতে সরকারী খাস জায়গাতে দুই শতক জমিসহ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট ৫০টি সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরের ব্যায় ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৯১ হাজার টাকা। মুজিববর্ষ উপলক্ষে লালপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ২০২০ সালের আগষ্ট থেকে জুন ২০২১ পর্যন্ত সময়ে ৯২টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুর্ণবাসন করা হয়েছে (দুই শতক জমিসহ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা একক গৃহ)।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’
সরেজমিনে আশ্রয়ন প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, লালপুর ইউনিয়নে ৩৯ টি ও আড়বাব ইউনিয়নে ১১টি নতুন ঘর নির্মান করা হয়েছে। ঘর প্রদান উপলক্ষে সেখানে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নবনির্মিত দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা ঘর গুলির দরজার সামনে লাগানো হয়েছে নামফলক । আজ তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে জমির দলিল ও ঘরের কাগজপত্র ।
এসময় কথা হয় লালপুর এলাকার উপকার ভোগী মহিমা বেগম ও আড়বাব এলাকার আবেদা বেগমের সঙ্গে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,‘এতোদিন আমার কোন ঘর ছিলোনা জমি ছিলো না। আজ প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে জমিও দিছে, ঘরও দিছে। এখন স্বামী-সন্তান নিয়ে আমরা সুখে দিন কাটাবো। খুব সুখে থাকবো। দোয়া করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে থাকুক, আল্লাহ তার হায়াত দান করুন।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মাহাফুজুর রহমান বলেন, ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়ে স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে মানুষের মৌলিক চাহিদা ও কর্মসংস্থানের বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।’
লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শাম্মী আক্তার বলেন,‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যয়ে উপজেলায় ৫০টি ভূমিহীন পরিবার জমিসহ ঘর পাচ্ছে। আজ এগুলোর চাবি উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নবনির্মিত এই ৫০টি ঘর উপকার ভোগীদের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্ট লাঘব হবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।’