প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১৬:৪২
কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান-এ লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এ জামাতে অংশ নেন ছয় লাখেরও বেশি মুসল্লি, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ সমাগম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জামাতে ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। নামাজ শেষে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও দেশের
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা যাত্রীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট। তবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের দিন বিকেলে এই ব্যস্ত নৌপথে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র—যাত্রীশূন্য ঘাট। শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে সরেজমিনে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত ঈদের সময় ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি থাকলেও এবার
সৌদি আরবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন কিছু মুসল্লি। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে জেলার তিনটি উপজেলার অন্তত ছয়টি গ্রামে পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে নিজ নিজ এলাকার মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন এসব গ্রামের বাসিন্দারা। তারা দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট ধর্মীয় পদ্ধতি অনুসরণ করে সৌদি
মৌলভীবাজারে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে স্থানীয় কয়েকটি পরিবার। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৭টায় শহরের সার্কিট হাউস এলাকায় এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের এই জামাতে ইমামতি করেন আবদুল মাওফিক চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। এতে এলাকার শতাধিক নারী ও পুরুষ মুসল্লি অংশ নেন। এদিকে আগাম ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আলেম ও সচেতন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছরের ন্যায় দিনাজপুরের বিরামপুর ও চিরিরবন্দর উপজেলায় মুসল্লিদের একটি অংশ আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকে এসব এলাকায় পৃথক পৃথক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পুরুষদের পাশাপাশি নারী ও শিশুরাও অংশগ্রহণ করেন। বিরামপুর উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর জামে মসজিদ এবং বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া মাদরাসা মাঠে সকাল ৮টায় দুটি ঈদের