প্রকাশ: ৫ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৩৯
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় মোটরসাইকেল গ্যারেজ, ফার্নিচার ও একটি ডেকোরেটার্সের দোকান পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। এ সময় দোকানে কেউ না থাকায় কোন হতাহতের ঘটনা গঠেনি। তবে কি কারণে আগুণের সূত্রপাত হয় বিষয়টি কেউ জানাতে পারেননি। আগুলে পুড়ে যাওয়া দোকানের ব্যবসায়ীরা হলেন, জিয়াউর রহমান,দুলু মিয়া ও শাহ আলম।
সোমবার ভোর রাতে উপজেলার পরিষদের প্রবেশ মুখে সড়কের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের বিপরীত দিকে ঐ দোকান গুলোতে গভীর রাতে এই ঘটনাটি। অনেকের অভিযোগ কেউ এই দোকান গুলোতে আগুন লাগিয়েছে।
দোকান মালিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সুত্রে জানাযায়,উপজেলার ষ্টেডিয়ামের পাশেই জিয়াউর রহমান(ফার্নিচার দোকান),দুলু মিয়া(হোন্ডা মেকানিক) ও শাহ আলম(ডেকোরেটার্সের)প্রতিদিনের মত নিজ নিজ কাজ শেষে রাতে দোকান গুলোতে তালা দিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান।
ভোর রাত সাড়ে তিনটা চারটার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী বিশম্ভরপুর উপজেলা থেকে দমকল কর্মীরা এসে আগুন নেভায়। কিন্তু এর আগেই আগুনে তিনটি মোটরসাইকেল, বিভিন্ন ধরণের ফার্নিচার, গ্যারেজের বিভিন্ন উপকরণসহ সব কিছু পুড়ে কয়লা হয়ে যায়। আগুনে প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আজ সকালে গিয়ে দেখা যায় পুড়ে যাওয়া দোকান থেকে কয়লা সংগ্রহ করছেন দোকান মালিকরা।
দুলু মিয়া(হোন্ডা মেকানিক)জানান,আমার দোকানে থাকা কয়েকটি মটর সাইকেলসহ সব কিছু আগুনে পুড়ে গেছে। আমি এখন কি করব ভেবে পাচ্ছি না।
জিয়া রহমান(ফার্নিচার দোকান)জানান,আমার সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন পথে বসে গেছি। কোন ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের শিক্ষক মোঃ তরিকুল ইসলাম জুবায়ের ও বালিজুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ইমরান হাসান ও শুব্রত বণিকসহ অনেকেই জানান,আমরা অনেকেই আমাদের পছন্দ মত কাঠ কিনে দিয়ে ছিলাম আমাদের প্রয়োজনীয় ফার্নিচার বানিয়ে দিবে, অনেক ফার্নিচার তৈরীও হয়ে গিয়েছে কিন্তু রাতেই শুনি এই ঘটনা। সকালে এসে দেখি কিছুই অবশিষ্ট নেই।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন, তিনটি সবপুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। কি কারণে আগুনের ঘটনাটি ঘটেছে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।