বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে গুরুতর দুটি নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা সাময়িকভাবে ওয়েবসাইট বন্ধ করেছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) ত্রুটি সংশোধনে নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হলেও এরই মধ্যে কিছু ওয়েবসাইটে হামলার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। রয়টার্স, এএফপি ও বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও ফ্রান্সের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কনটেন্টের পারফরম্যান্স পরিমাপের বহুল ব্যবহৃত ‘রিচ’ মেট্রিক বন্ধ হতে যাচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে এর পরিবর্তে কনটেন্টের দর্শক উপস্থিতি পরিমাপে ‘ভিউয়ারস’ মেট্রিক ব্যবহার করা হবে। ফেসবুকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ পরিবর্তনের ফলে পেজ পরিচালনা, কনটেন্ট বিশ্লেষণ এবং বিজ্ঞাপনী প্রচারণার কার্যকারিতা মূল্যায়নের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসবে। এত দিন কোনো কনটেন্ট কতটি স্বতন্ত্র অ্যাকাউন্টের কাছে পৌঁছেছে, তা পরিমাপ
বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্পেসএক্সের নির্বাহী স্টেফানি বেডনারেকের একটি পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করে মাস্ক লেখেন, ‘Starlink connecting Bangladesh!’ এর মাধ্যমে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা এলাকাতেও সংযোগ সুবিধা সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হলো। স্পেসএক্সের বাণিজ্যিক বিক্রয় বিভাগের প্রধান স্টেফানি বেডনারেক জানান, স্টারলিংক মোবাইলের মাধ্যমে বাংলাদেশের লাখো মানুষ অতিরিক্ত
প্রযুক্তি খাতে গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের বিস্তার, ডিজিটাল সরকারি সেবা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ফ্রিল্যান্সিং এবং স্টার্টআপের প্রসারে দেশের প্রযুক্তি খাত এখন অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল প্রায় ১৩ কোটি। একই সময়ে মোবাইল ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১০ কোটি ৩৭
নতুন স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য সবার সময়মতো হয় না। আবার অনেকে হাতের ফোনটির প্রতি এতটাই অভ্যস্ত হয়ে পড়েন যে নতুন মডেলে যেতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু সমস্যা হলো, ব্যবহারের কয়েক বছর পর প্রায় সব স্মার্টফোনই ধীরগতির হয়ে পড়ে। অ্যাপ খুলতে দেরি হয়, টাইপ করলে অক্ষর দেরিতে ভাসে, ক্যামেরা চালু হতে সময় নেয়—এসব সমস্যায় ভোগেননি এমন ব্যবহারকারী খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবে আশার
আগামী ২৮ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে চলতি বছরের অন্যতম বৈচিত্র্যময় মহাজাগতিক দৃশ্য। ওই দিন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করায় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হবেন। সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চন্দ্রগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত থেকে এবং ২৮ আগস্ট শুক্রবার ভোর পর্যন্ত তা চলবে। এ সময় পৃথিবীর ঘন ছায়া চাঁদের প্রায়
চাঁদাবাজি, অবৈধ অর্থ দাবি এবং বিভিন্ন সেবা বা কাজের ক্ষেত্রে আর্থিক হয়রানির অভিযোগ নথিবদ্ধ করতে দেশে চালু হয়েছে নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘চাঁদাবিডি ডটকম’ (chandabd.com)। চালুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্ল্যাটফর্মটির উন্মুক্ত তালিকায় নয়টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এসব অভিযোগে মোট ৯ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ টাকা চাওয়া বা দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্ল্যাটফর্মটি চালুর তথ্য জানানো
মহাজাগতিক বিরল এক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে পৃথিবী। বুধবার ১২ আগস্ট পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে। প্রায় দুই বছর পর সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় চাঁদের প্রচ্ছায়ায় ঢেকে যাবে সূর্যের পুরো ডিস্ক। ফলে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় দিনের আলো কয়েক মুহূর্তের জন্য বদলে যাবে গাঢ় অন্ধকারে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণের প্রক্রিয়া
বাংলাদেশের ই-কমার্স, এফ-কমার্স ও ডিজিটাল বিপণন খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার খবর এসেছে। ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা তাদের বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের পদ্ধতিতে দেশের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ঋণ বা ডেবিট কার্ডের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও সুবিধাটি এখনো সবার জন্য চালু হয়নি, তবে পরীক্ষামূলকভাবে অনেক ব্যবহারকারী ইতোমধ্যে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ঘিরে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি খাতে নতুন এক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সফটওয়্যার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ব্যাংকিং, উৎপাদনশিল্প থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে এআইভিত্তিক প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এআই বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ধরন আমূল বদলে দিতে পারে। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন প্রজন্মের এআই মডেল, স্মার্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার তৈরিতে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির অ্যাডভান্সড ভয়েস মোডে বড় ধরনের আপডেট আনতে যাচ্ছে ওপেনএআই। নতুন এই সংস্করণে যুক্ত হচ্ছে ‘জিপিটি-লাইভ-ওয়ান’ এবং ‘জিপিটি-লাইভ-ওয়ান মিনি’ নামে দুটি উন্নত ভয়েস মডেল, যা মানুষের মতো আরও স্বাভাবিক, দ্রুত ও সাবলীলভাবে কথোপকথনের অভিজ্ঞতা দেবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন আপডেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, চ্যাটজিপিটি আর ব্যবহারকারীর কথা পুরোপুরি শেষ হওয়ার অপেক্ষা করবে না। কথোপকথনের মাঝখানেই প্রশ্ন করা,
প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সহায়ক প্রযুক্তি শিক্ষা গ্রহণকে সহজ, কার্যকর এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা মূলধারার শিক্ষায় আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবে। বর্তমানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার, ব্রেইল ডিসপ্লে ও অডিও বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের
দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। ডিজিটাল বোর্ড, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এবং কম্পিউটার ল্যাব ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠদান আরও সহজ ও কার্যকর হচ্ছে। শিক্ষা কর্মকর্তারা জানান, সরকারের ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষকরা ছবি, ভিডিও ও
দেশের কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার কারণে উৎপাদন বৃদ্ধি, সময় সাশ্রয় এবং খরচ কমানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে কৃষকদের আয়ও বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়ার টিলার, কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার মেশিন, সেচ প্রযুক্তি এবং উন্নত বীজ ব্যবহারের ফলে কৃষিকাজ আরও সহজ ও কার্যকর হয়েছে। আগে যেখানে ফসল কাটতে
প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে দেশে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা, অনলাইন ক্লাস, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে এখন নারীরা ঘরে বসেই শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে শিক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে এবং পিছিয়ে পড়া অনেক শিক্ষার্থীও মূলধারায় ফিরতে পারছেন। শিক্ষাবিদদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার নারী শিক্ষাকে আরও সহজ, গতিশীল ও সময়োপযোগী করেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের মেয়েদের
ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে সমাজব্যবস্থা ও মানুষের দৈনন্দিন জীবন। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি এনেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে মোবাইল ইন্টারনেট, অনলাইন শিক্ষা ও ডিজিটাল লেনদেন মানুষের সময় ও খরচ কমিয়ে এনেছে। গ্রামাঞ্চলেও প্রযুক্তির প্রসার ঘটায় কৃষি, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রযুক্তি সমাজকে আরও সংযুক্ত, স্বচ্ছ ও
বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে গেলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রযুক্তি খাত এখনও নানা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মুখে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি, গবেষণায় বিনিয়োগ কম থাকা এবং নীতিগত সমন্বয়ের অভাব প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি খাতে টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা জরুরি। এখনো অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাস্তবভিত্তিক প্রযুক্তি শিক্ষা সীমিত, ফলে শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে
ডিজিটাল রূপান্তরের যুগে প্রবেশ করলেও প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ এখনও নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক নীতি সহায়তা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে আগামী দশকে প্রযুক্তি খাত দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে। সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় সফটওয়্যার উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ এবং আইটি সেবাখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলেও এর অপব্যবহারের ফলে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে অপরাধ। বিশেষ করে সাইবার জালিয়াতি, পরিচয় চুরি, ভুয়া ভিডিও তৈরি এবং অনলাইন প্রতারণা এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরাধীরা এখন এআই ব্যবহার করে বাস্তবসম্মত ভুয়া কণ্ঠস্বর, ছবি ও ভিডিও তৈরি করছে, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে শনাক্ত করা
বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন বাজারে নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক মোবাইল ফোন আনতে যাচ্ছে শীর্ষ প্রযুক্তি নির্মাতারা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এসব ডিভাইস আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশেও উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। নতুন স্মার্টফোনগুলোতে যুক্ত হচ্ছে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীর অভ্যাস বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পারফরম্যান্স, ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা ও ক্যামেরা সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করবে। এছাড়া শক্তিশালী প্রসেসর, উন্নত গ্রাফিক্স সক্ষমতা এবং
বর্তমান বিশ্ব দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে, আর এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে তরুণ প্রজন্ম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, রোবটিক্স ও ডিজিটাল অর্থনীতির বিস্তার তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এখনকার তরুণদের জন্য শুধু প্রচলিত শিক্ষাই যথেষ্ট নয়; বরং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনই ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনের মূল চাবিকাঠি। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং, সাইবার সিকিউরিটি, ডাটা অ্যানালিটিক্স
ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তি ব্যবহারে নারীরা আর পিছিয়ে নেই। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি খাত—সব ক্ষেত্রেই নারীদের অংশগ্রহণ দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় নারীরা এখন ঘরে বসেই আয় করছেন, পরিচালনা করছেন অনলাইন ব্যবসা এবং যুক্ত হচ্ছেন বৈশ্বিক কর্মবাজারের সঙ্গে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা নারীদের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এবং
বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি মানুষের জীবনকে সহজ ও গতিশীল করেছে। তবে এর অপব্যবহার সমাজে নতুন ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারণা, ভুয়া তথ্য ছড়ানো ও সাইবার অপরাধ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিপফেইক ভিডিও, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার এবং অনলাইন জালিয়াতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। শিক্ষা ও
দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুত অপরাধী শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর ফলে অপরাধ তদন্তে গতি এসেছে এবং অনেক জটিল মামলার রহস্য অল্প সময়েই উদঘাটন সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিসিটিভি ক্যামেরা নেটওয়ার্ক, ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যার, ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব এবং মোবাইল ট্র্যাকিং প্রযুক্তি এখন অপরাধ তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ