বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১৫ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

প্রিয় নবী (সা.) সবসময় হাসিমুখে কথা বলতেন

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৫:৫৬

শেয়ার করুনঃ
প্রিয় নবী (সা.) সবসময় হাসিমুখে কথা বলতেন
কথাবার্তা ও আলাপচারিতায় মানুষের ব্যক্তিত্বের ছাপ ফুটে ওঠে। তার শিক্ষা ও শিষ্টাচার, রুচি ও ব্যক্তিবোধ, মন ও চিত্ত-মানসিকতা স্পষ্ট হয়। যুতসই শব্দচয়ন, বিশুদ্ধ উচ্চারণ, মিষ্টি ভঙ্গি ও বুদ্ধিদীপ্ত উপস্থাপনা একজন মানুষকে অনন্য গ্রহণযোগ্যতা এনে দেয় সবার মাঝে।আবার অসংযত ও অযাচিত কথাবার্তা জীবনে বয়ে আনে দুর্যোগ। তাই ইসলামের নির্দেশনা হলো- মানুষ তার কথায় সংযত হবে, উত্তম ভাষায় মার্জিত ভঙ্গিতে কথা বলবে। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার জীবন ও আদর্শের মাধ্যমে আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছেন।

কথার আগে ছোট-বড় সবাইকে সালাম দিতেন কারো সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে রাসুল (সা.) প্রথমে সালাম প্রদান করতেন। অতপর তিনি কথা বলতেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আগে সালাম পরে কথা।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৮৪২)নবী করিম (সা.) ছোট-বড় সবাইকে সালাম দিতেন এবং প্রথমে সালাম দিতেন। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘তিনি রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে পথ চলছিলেন। তখন রাসুল (সা.) কয়েকটি শিশুকে অতিক্রম  করছিলেন। তিনি তাদেরকে সালাম করলেন।’ (মুসলিম, হাদিস: ৫৭৯৩)

হাসিমুখে কথা বলতেন

আরও

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন
রাসুলুল্লাহ (সা.) সব সময় হাসিমুখে কথা বলতেন। তিনি কখনও মুখ কালো করে থাকতেন না। এমনকি ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখ-ব্যথাগুলো তার কথা ও আচরণে প্রকাশ পেতো না। আবদুল্লাহ ইবনে হারেস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) অপেক্ষা অধিক মুচকি হাসতে আর কাউকে দেখি নি।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ১৭৭৪০)জারির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, ‘আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে রাসুল (সা.) আমাকে তার দরবারে উপস্থিত হতে বাঁধা দিতেন না এবং আমাকে দেখলেই তিনি মুচকি হাসতেন।’ (বুখারি, হাদিস: ৩৮২২)

অর্থাৎ রাসুলুল্লাহ (সা.) সবসময় হাসিমুখে থাকতেন এবং মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন।

সবসময় বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলতেন

প্রিয় রাসুলুল্লাহ (সা.) সবসময় বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলতেন। তিনি ছিলেন সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও আলংকারিক ভাষার কৃতিত্বধারী। তার শব্দ ও বাক্য, উচ্চারণ ও ভঙ্গিমা সবকিছুই ছিলো- বিশুদ্ধতার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ; বরং বলা যায় সাহিত্যের উত্তম নিদর্শন। এ বিষয়ে হাদিসে এসেছে, ‘রাসুল (সা.) ছিলেন আরবের সবচেয়ে বিশুদ্ধ ভাষী।’ (কানজুল উম্মাল, হাদিস: ৩৫৪৭১)

ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আরও

পিতামাতার অবাধ্যতায় দুনিয়া-আখিরাতে কঠিন পরিণতি

পিতামাতার অবাধ্যতায় দুনিয়া-আখিরাতে কঠিন পরিণতি
রাসুলুল্লাহ (সা.) কথা বলার সময় যেমন তাড়াহুড়া করতেন না, তেমনি এতো ধীরে বলতেন না যাতে কথার ছন্দপতন হয়। বরং প্রতিটি কথা স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তোমাদের মতো এক নাগাড়ে তাড়াহুড়া করে কথা বলতেন না; বরং তিনি প্রতিটি কথা পৃথক পৃথক স্পষ্ট ভাষায় বলতেন। যাতে তার পাশে উপবিষ্ট ব্যক্তিরা তা হৃদয়ঙ্গম করতে পারে।’ (তিরমিজি, হাদিস: ৩৬৩৯)

রাসুলে আকরাম (সা.) যখন কোনো মজলিসে কথা বলতেন, তখন গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো তিনবার পর্যন্ত পুনরাবৃত্তি করতেন। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.) তার কথাকে তিনবার পর্যন্ত পুনরাবৃত্তি করতেন, যেনো তা ভালোভাবে বোঝা যায়।’ (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস: ২২২)

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
মজলিসের কোলাহল শেষ হওয়ার অপেক্ষা করতেন

কোথাও গেলে দাঁড়িয়েই কথা বলা শুরু করতেন না। হজরত জারির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘নিশ্চয় বিদায় হজের সময় রাসুল (সা.) তাকে বলেন, মানুষকে চুপ করতে বল। অতপর তিনি বলেন, আমার পর তোমরা কুফরিতে ফিরে যেয়ো না ....।’ (বুখারি, হাদিস: ৭০৮০)

মনোযোগ দিয়ে কথা শুনতেন

রাসুলুল্লাহ (সা.) পারস্পারিক আলোচনার সময় অন্যের কথা মনোযোগসহ শুনতেন। অপরজন চেহারা না ফেরানো পর্যন্ত তিনি তার দিক থেকে চেহারা ফেরাতেন না। আর কেউ তাকে কানে কানে কিছু বলতে চাইলে, তার কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি মাথা সড়াতেন না। পারস্পারিক আলাপচারিতার সময় কারো মুখ থেকে কোনো অসঙ্গত কথা বেরিয়ে গেলে তিনি সরাসরি তার নাম উল্লেখ করে লজ্জা দিতেন না; বরং তাকে এভাবে সতর্ক করতেন যে, মানুষের কী হলো যে তারা এমন কথা বলে বা এমন কাজ করে। (মাওলানা নোমান আহমদ রহ., আমাদের নবীজীর সা. দৈনন্দিন জীবন, পৃষ্ঠা-৫৯)

হাসি-রসিকতাও করতেন

রাসুল আকরাম (সা.) কথাবার্তায় মাঝে মাঝে রসিকতা করতেন। তবে সত্য কৌতুক করতেন। কখনও মিথ্যার আশ্রয় নিতেন না। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘সাহাবাগণ বললো, হে আল্লাহর রাসুল! নিশ্চয় আপনি আমাদের সঙ্গে হাসি-কৌতুক করেন। তিনি বললেন, নিশ্চয় আমি শুধু সত্যই বলি (কৌতুক করি)।’ (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস: ১৯৪)রাসুল (সা.) এমন কোনো রসিকতা করতেন না যাতে মানুষের সম্মান নষ্ট হয় বা মনে কষ্ট পায়; বরং তিনি রসিকতার জন্য সত্য উপাদান বেছে নিতেন। যেমন হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘নবী সা. তাকে কৌতুক করে দুই কানওয়ালা ডেকে ছিলেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫০০৪)

রাসুলে আকরাম (সা.)-এর কথাবার্তা, আলোচনা ও আলাপচারিতা সম্পর্কে একটি দীর্ঘ হাদিস রয়েছে। যেখানে রাসুল (সা.)-এর বাচনভঙ্গি ও কথা বলার রীতিগুলো একসঙ্গে ও অধিক স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। তাহলো-হাসান (রা.) বলেন, আমি আমার মামা হিন্দ ইবনে আবু হালা-যিনি রাসুল (সা.)-এর গুণাবলী বর্ণনা করতেন। তাকে বললাম, আমাকে রাসুল (সা.)-এর কথা বলার রীতি ও ধারা সম্পর্কে বলুন! তিনি বললেন, রাসুল (সা.) পরকালের চিন্তায় নিমগ্ন থাকতেন। উম্মতের চিন্তা তাকে বিভোর করে রাখতো। এসব চিন্তার কারণে তিনি কখনও স্বস্তি পেতেন না। অধিকাংশ সময় চুপ থাকতেন। প্রয়োজন ব্যতীত কথা বলতেন না। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় কথা বলতেন। গুছিয়ে কথা বলতেন। একটি বাক্য থেকে অন্য বাক্য পৃথক থাকতো। কথায় বাহুল্য থাকতো না এবং অতি সংক্ষিপ্তও হতো না। তার কথায় কঠোরতা থাকতো না এবং কাউকে হেয় করতেন না। আল্লাহর নেয়ামতসমূহকে বড় করে উপস্থাপন করতেন। যদিও তা ছোট হতো। তার নেয়ামতসমূহের কোনো সমালোচনা করতেন না। তবে আহারসামগ্রি হলে তার নিন্দাও করতেন না এবং প্রসংশাও করতেন না।

জাগতিক কোনো বিষয় (এর ক্ষতি) তাকে ক্রোধান্বিত করতো না। তিনি এ বিষয়ে ভ্রুক্ষেপ করতেন না। কিন্তু কেউ অন্যায় কাজে সীমালঙ্ঘন করলে তার ক্রোধের সীমা থাকতো না; যতোক্ষণ না তিনি তার প্রতিশোধ নিতেন। তিনি নিজের জন্য কখনও রাগ করতেন না এবং প্রতিশোধও নিতেন না। তিনি কোনো বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করলে পুরো হাতের তালু দিয়ে ইঙ্গিত করতেন। আর বিস্মিত হলে হাত ঘোরাতেন। যখন আলোচনা করতেন, হাতের সঙ্গে হাত মেলাতেন। ডান হাতের তালু বাম হাতের আঙুলের অন্তরভাগে মারতেন। কারও ওপর রাগ করলে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেন এবং অমনোযোগী থাকতেন। আর খুশি হলে চোখ অবনত হয়ে যেতো। তার অধিকাংশ হাসিই ছিলো স্মিত। হাসলে তার পবিত্র দাঁতগুলো বরফের মতো উজ্জ্বল দেখাতো।’ (শামায়েলে তিরমিজি : ২২৩)

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি

বাংলাদেশে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি

বাংলাদেশিদের জন্য চার বছর পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

বাংলাদেশিদের জন্য চার বছর পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা

টানা তিন দফায় কমল সোনা, ভরিতে ছাড় ৬০৬৫ টাকা

টানা তিন দফায় কমল সোনা, ভরিতে ছাড় ৬০৬৫ টাকা

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন

জনপ্রিয় সংবাদ

৫১তম বিশেষ বিসিএসে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

৫১তম বিশেষ বিসিএসে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আত্রাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আত্রাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

গোয়ালন্দের গুণী শিক্ষক সুলতান উদ্দিন আহমেদের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

গোয়ালন্দের গুণী শিক্ষক সুলতান উদ্দিন আহমেদের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

শ্রীমঙ্গলে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযানে ৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

শ্রীমঙ্গলে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযানে ৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

বিজিবি-গণমাধ্যম বন্ধুত্ব জোরদারে জয়পুরহাটে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

বিজিবি-গণমাধ্যম বন্ধুত্ব জোরদারে জয়পুরহাটে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো জুমার দিন। এ দিনে মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমল ও ইবাদতের সুযোগ। কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে এ নির্দেশনা এসেছে। জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে গোসলের

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্য স্মৃতিবিজড়িত দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করবেন বিশ্বের মুসলমানরা। প্রায় ১,৪০০ বছর আগে এই দিনে মানবজাতির হেদায়েতের আলো নিয়ে আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তিনি ওফাত লাভ করেন। মহানবী (সা.) ইসলামের সর্বশেষ নবী ও রাসুল। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কার অভিজাত কুরাইশ গোত্রে