শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬২৯ ফাল্গুন, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

ই’তিকাফ পালন ও রমজানের শেষ দশকে ইবাদতের গুরুত্ব

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৪ মে ২০১৯, ১৬:৩১

শেয়ার করুনঃ
ই’তিকাফ পালন ও রমজানের শেষ দশকে ইবাদতের গুরুত্ব
ই’তিকাফের পরিচয়:

ই’তিকাফ এর শাব্দিক অর্থ অবস্থান করা। কোন স্থানে অবস্থান নেয়া। শরিয়তের পরিভাষায় ই’তিকাফ হলো- মসজিদে অবস্থান করা। মহান আল্লাহ বলেন- তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে মসজিদে ই’তিকাফ অবস্থায় সংগত মিলিত (সহবাস) হয়ো না।  রমজান মাসের শেষ দশদিন মসজিদে ইবাদাতের নিয়তে অবস্থান করাকে ই’তিকাফ বলে।

ই’তিকাফের মেয়াদ:

আরও

রমজান ১৪৪৭ হিজরির সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

রমজান ১৪৪৭ হিজরির সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. রমজানের শেষ দশকে ই’তিকাফ করতেন। (বুখারী-মুসলিম)

হযরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে তার মৃত্যু পর্যন্ত এবং এরপরে তার স্ত্রীগণও অংশটুকু বাড়তি রয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম)

অন্য এক হাদীসে এসেছে—

আমি (প্রথমে) এ রাতের সন্ধানে প্রথম দশে ই‘তিকাফ পালন করি। অতপর ই‘তিকাফ পালন করি মাঝের দশে। পরবর্তীতে ওহির মাধ্যমে আমাকে জানানো হয় যে, এ রাত শেষ দশে রয়েছে। সুতরাং তোমাদের মাঝে যে (এ দশে) ই‘তিকাফ পালনে আগ্রহী, সে যেন তা পালন করে। লোকেরা তার সঙ্গে ই‘তিকাফ পালন করল। রাসূল বলেন, আমাকে তা এক বেজোড় রাতে দেখানো হয়েছে এবং দেখানো হয়েছে যে, আমি সে ভোরে কাদা ও মাটিতে সেজদা দিচ্ছি। অতপর রাসূল একুশের রাতের ভোর যাপন করলেন, ফজর পর্যন্ত তিনি কিয়ামুল্লাইল করেছিলেন। তিনি ফজর আদায়ের জন্য দণ্ডায়মান হয়েছিলেন। তখন আকাশ ছেপে বৃষ্টি নেমে এল এবং মসজিদে চুঁইয়ে চুঁইয়ে পানি পড়ল। আমি কাদা ও পানি দেখতে পেলাম। ফজর সালাত শেষে যখন তিনি বের হলেন, তখন তার কপাল ও নাকের পাশে ছিল পানি ও কাদা। সেটি ছিল একুশের রাত। [মুসলিম ]

আরও

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস
ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg
ই’তিকাফের উপকারিতা :

ফেরেশতারা দুআ’ করতে থাকে:: বুখারিতে বর্ণিত রয়েছে যে, যে ব্যক্তি এক নামাজ থেকে আরেক নামাজ পর্যন্ত নামাজের স্থানে অপেক্ষা করতে থাকে তার জন্য ফেরেশতারা দুআ’ করতে থাকেন।যেহেতু ই’তিকাফকারী মসজিদে অবস্থান করতে থাকে সেহেতু সহজেই তিনি এই বরকত পান।বেশি ইবাদাতের সুযোগ:: মুসলিম শরীফের হাদীসে এসেছে, আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রমজানের শেষ দশক শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাসূল সা. সারারাত জেগে থাকতেন এবং নিজ পরিবারের সদস্যদের ঘুম থেকে জাগাতেন ও তিনি নিজেও ইবাদাতের জন্য জোর প্রস্তুতি নিতেন।ই’তিকাফকারী সহজেই এই সুযোগ পেতে পারেন। এছাড়াও ই’তিকাফকারী বেশি বেশি ইবাদাত করার সুযোগ পান। তাওবা করার সুযোগ পান। তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত হওয়ার সুযোগ পান।

ক্বদরের ফজিলত পাওয়া:

ই’তিকাফকারীর সবচেয়ে বড় লাভ হচ্ছে, তিনি ক্বদরের সুযোগ পান। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করতেন। এক বছর এরূপ ইতিকাফ করেন, যখন একুশের রাত এল, যে রাতের সকালে তিনি তার ইতিকাফ হতে বের হবেন, তিনি বললেনঃ যারা আমার সঙ্গে ইতিকাফ করেছে তারা যেন শেষ দশক ইতিকাফ করে। আমাকে স্বপ্নে এই রাত (লাইলাতুল কদর) দেখানো হয়েছিল। পরে আমাকে তা (সঠিক তারিখ) ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। অবশ্য আমি স্বপ্নে দেখতে পেয়েছি যে, ওই রাতের সকালে আমি কাদা-পানির মাঝে সিজদা করছি। তোমরা তা শেষ দশকে তালাশ কর এবং প্রত্যেক বেজোড় রাতে তালাশ কর। পরে এই রাতে আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষিত হল, মসজিদের ছাদ ছিল খেজুর পাতার ছাউনির। ফলে মসজিদে টপটপ করে বৃষ্টি পড়তে লাগল। একুশের রাতের সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কপালে কাদা-পানির চিহ্ন আমার দু’চোখ দেখতে পায়।

অন্যান্য হাদীসে এসেছে, ক্বদর শেষ সাত দিনে (বুখারী) শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিতে তালাশ কর (বুখারী ও মুসলিম) ২৭ এর রাত্রিতে ক্বদর হয় (তিরমিজী) ২১ এর রাত্রিতে ক্বদরের আলামতের সঙ্গে মিলে গেছে। (বুখারী)

ই‘তিকাফের শর্তাবলি :

ই‘তিকাফের অনেকগুলো শর্ত রয়েছে। ই‘তিকাফের জন্য কেউ কেউ রোজার শর্ত করেছেন। ই‘তিকাফের জন্য মুসলমান হওয়া শর্ত। কেননা কাফেরের ইবাদত গ্রহণযোগ্য হয় না।

* ইতেকাফকারীকে বোধশক্তিসম্পন্ন হতে হবে, কেননা নির্বোধ ব্যক্তির কাজের কোনো উদ্দেশ্য থাকে না। আর উদ্দেশ্য ছাড়া কাজ শুদ্ধ হতে পারে না।

* ভালো-মন্দ পার্থক্য করার জ্ঞান থাকতে হবে, কেননা কমবয়সী, যে ভাল-মন্দের পার্থক্য করতে পারে না, তার নিয়তও শুদ্ধ হয় না।

* ই‘তিকাফের নিয়ত করতে হবে, কেননা মসজিদে অবস্থান হয়ত ই‘তিকাফের নিয়তে হবে অথবা অন্য কোনো নিয়তে। আর এ দুটোর মধ্যে পার্থক্য করার জন্য নিয়তের প্রয়োজন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‘প্রত্যেক কাজের নির্ভরতা নিয়তের উপর, যে যা নিয়ত করবে সে কেবল তাই পাবে’। [বুখারী]

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png
* ই‘তিকাফ অবস্থায় মহিলাদের হায়েজ-নিফাস থেকে পবিত্র থাকা জরুরি, কেননা এ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান করা হারাম, অবশ্য ইস্তেহাজা অবস্থায় ই‘তিকাফ করা বৈধ। আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা আনহা বলেন: ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে তার স্ত্রীগণের মধ্য হতে কেউ একজন ই‘তিকাফ করেছিলেন ইস্তেহাজা অবস্থায়। তিনি লাল ও হলুদ রঙের স্রাব দেখতে পাচ্ছিলেন, আমরা কখনো তার নীচে পাত্র রেখে দিয়েছি নামাজের সময়’। [বুখারী ]

ইস্তেহাজাগ্রস্তদের সঙ্গে অন্যান্য ব্যধিগ্রস্তদেরকে মেলানো যায়, যেমন যার বহুমূত্র রোগ বিশিষ্ট ব্যক্তি আছে, তবে শর্ত হল মসজিদ যেন অপবিত্র না হয়।

* গোসল ফরজ হয় এমন ধরনের অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হতে হবে। অপবিত্র লোক মসজিদে অবস্থান করা হারাম। যদিও কোনো কোনো আলেম ওজু করার শর্তে মসজিদে অবস্থান বৈধ বলেছেন। আর যদি অপবিত্রতা, যৌন স্পর্শ অথবা স্বামী-স্ত্রীর মিলনের ফলে হয়, তবে সকলের মতে ই‘তিকাফ ভঙ্গ হয়ে যাবে। আর যদি স্বপ্নদোষের কারণে হয়, তা হলে কারোর মতে ই‘তিকাফ ভঙ্গ হবে না। আর যদি হস্তমৈথুনের কারণে হয় তা হলে সঠিক মত অনুসারে ই‘তিকাফ ভঙ্গ হয়ে যাবে। তবে স্বপ্নদোষের কারণে ই’তিকাফ ভঙ্গ হবে না।

* ই‘তিকাফ মসজিদে হতে হবে:

এ ব্যাপারে সকল আলেম একমত যে ই‘তিকাফ মসজিদে হতে হবে, তবে জামে মসজিদ হলে উত্তম কেননা এমতাবস্থায় জুমার নামাজের জন্য ই’তিকাফকারীকে মসজিদ থেকে বের হতে হবে না।

মসজিদ থেকে বের হওয়ার বিধান:

* ই’তিকাফকারী যদি বিনা প্রয়োজনে মসজিদ থেকে বের হয় তাহলে তার ই‘তিকাফ ভঙ্গ হয়ে যাবে।

* আর ই‘তিকাফের স্থান থেকে যদি মানবীয় প্রয়োজন মিটানোর জন্য বের হয় তাহলে ই‘তিকাফ ভঙ্গ হবে না।

* মসজিদে থেকে পবিত্রতা অর্জন সম্ভব না হলে মসজিদ থেকে বের হওয়ার অনুমতি আছে।

* বাহক না থাকার কারণে ই’তিকাফকারীকে যদি পানাহারের প্রয়োজনে বাইরে যেতে হয় অথবা মসজিদে খাবার গ্রহণ করতে লজ্জা বোধ হয়, তবে এরূপ প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার অনুমতি আছে।

* যে মসজিদে ই‘তিকাফে বসেছে সেখানে জুমার নামাজের ব্যবস্থা না থাকলে জুমার সালাত আদায়ের প্রয়োজনে মসজিদ থেকে বের হওয়া ওয়াজিব। আর এজন্য আগে ভাগেই রওয়ানা হওয়া মুস্তাহাব।

* ওজরের কারণে ই’তিকাফকারী মসজিদ থেকে বের হতে পারে। ছাফিয়্যা রাদিয়াল্লাহ আনহা থেকে বর্ণিত হাদীস এর প্রমাণ: ‘ছাফিয়্যা রাদিয়াল্লাহ আনহা আনহা রমজানের শেষ দশকে ই‘তিকাফস্থলে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলেন। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে কতক্ষণ কথা বললেন, অতঃপর যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাকে বিদায় দিতে উঠে দাঁড়ালেন’। [বুখারী : ২০৩৫]

* কোন নেকির কাজ করার জন্য ই’তিকাফকারীর মসজিদ থেকে বের হওয়া বৈধ নয়। যেমন রোগী দেখতে যাওয়া, জানাযায় উপস্থিত হওয়া ইত্যাদি। এ মর্মে আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা আনহা বলেন: ‘ইতেকাফকারীর জন্য সুন্নত হল, সে রোগী দেখতে যাবে না, জানাযায় উপস্থিত হবে না, স্ত্রীকে স্পর্শ করবে না ও তার সঙ্গে কামাচার থেকে বিরত থাকবে এবং অতি প্রয়োজন ব্যতীত মসজিদ থেকে বের হবে না’। [আবূ দাউদ : ২৪৭৩]

* ই‘তিকাফ-বিরুদ্ধ কোন কাজের জন্য ই’তিকাফকারীর মসজিদ থেকে বের হওয়া বৈধ নয়, যেমন ক্রয়-বিক্রয়, স্বামী-স্ত্রীর মিলন ইত্যাদি।

অতএব, শেষ দশকে ই’তিকাফ করার প্রতি অনেক গুরুত্ব রয়েছে। রাসূল সা. তার জীবনে ই’তিকাফ ছাড়েন নি। আমরা যারা ই’তিকাফ করতে পারব না, তারা অন্তত শেষ দশকে ইবাদতের প্রতি একটি বিশেষ গুরুত্ব দিব! মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে বেশি বেশি ইবাদত করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

ইরাকের আকাশে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত, চার নিহত

ইরাকের আকাশে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত, চার নিহত

শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন ২৩ হাজার পরিবার

শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন ২৩ হাজার পরিবার

গোয়ালন্দে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

গোয়ালন্দে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

হিলিতে পাঁচ টাকায় মানুষকে ইফতার দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্দীপ্ত তরুণ

হিলিতে পাঁচ টাকায় মানুষকে ইফতার দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্দীপ্ত তরুণ

টেন্ডার বক্সে জোর করে সিডিউল জমা, শ্রমিকদল নেতার কারাদণ্ড

টেন্ডার বক্সে জোর করে সিডিউল জমা, শ্রমিকদল নেতার কারাদণ্ড

জনপ্রিয় সংবাদ

দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর জাকাত ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর জাকাত ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বরিশালে ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বরিশালে ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জে দায়িত্বপালনরত পুলিশের পিস্তল ছিনতাই

নারায়ণগঞ্জে দায়িত্বপালনরত পুলিশের পিস্তল ছিনতাই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত অপরাধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত অপরাধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালিতে সীমিত নিষেধাজ্ঞা, অন্য দেশের জাহাজ চলবে

হরমুজ প্রণালিতে সীমিত নিষেধাজ্ঞা, অন্য দেশের জাহাজ চলবে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

ঐতিহাসিক বদর দিবস ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ রমজানে সংঘটিত বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এই দিনে বদর প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে অল্পসংখ্যক মুসলিম বাহিনী মক্কার কুরাইশদের শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় অর্জন করে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মক্কার কাফেররা মহানবী (সা.) এবং তাঁর অনুসারীদের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস

ঐতিহাসিক বদর দিবস ১৭ রামাদ্বান। হিজরি দ্বিতীয় সনের এ দিনে বদর প্রান্তরে রাসূল (সা)-এর নেতৃত্বে মক্কার কুফরি শক্তির বিরুদ্ধে যে সশস্ত্র যুদ্ধ হয় ইতিহাসে তাই ‘বদর যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ। মক্কার কাফেররা রাসূল (সা) এবং মুমিন বাহিনীকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েই চুপ করে বসে থাকেনি, তারা ইসলামকে শেষ করে দেয়ার জন্য নানা ফন্দি আঁটতে

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

জাকাত ইসলামি অর্থব্যবস্থার অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। ঈমান আনা ও নামাজ আদায়ের পর জাকাত নিয়মিত আদায় করেই একজন বিত্তবান ব্যক্তি মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। এখানে জাকাত সংক্রান্ত কিছু জরুরি মাসয়ালা উল্লেখ করা হলো- মাসয়ালা: প্রাপ্তবয়স্ক এবং বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের (নারী-পুরুষ) মালের ওপর কিছু শর্তসাপেক্ষে জাকাত ফরজ করা হয়েছে। যেসব শর্তসাপেক্ষে উপরোক্ত ব্যক্তির মালের ওপর জাকাত ধার্য হয় তা হলো- ১. মালের

রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন

রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন

"নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা'দ" প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই রমজান মাস এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফ সেই সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা সংকিপ্ত আকারে তুলে ধরছি, "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ" আল্লাহ তায়ালা বলেন : রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন, যা মানুষের দিশারি এবং স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী।

পবিত্র রমজান মাস: ফজিলত, রহমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য সুযোগ

পবিত্র রমজান মাস: ফজিলত, রহমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য সুযোগ

পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত ও বরকতময় সময়। এ মাসের আগমনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন, যা আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন—তাঁর দয়া ও অনুগ্রহের জন্য যেন মুমিনরা আনন্দিত হয়, কারণ তা পার্থিব সব সম্পদের চেয়েও উত্তম। রমজান মাসের অন্যতম মর্যাদা হলো—এ মাসে সিয়াম বা রোজা পালন ফরজ করা হয়েছে, যা ইসলামের পাঁচটি