শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

যেসব আমলে শয়তান পালিয়ে যায়

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:৫৬

শেয়ার করুনঃ
যেসব আমলে শয়তান পালিয়ে যায়

শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। শয়তান মানুষকে গোমরাহ ও বিপথগামী করার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেই দুনিয়াতে এসেছে। এ চ্যালেঞ্জ থেকেই শয়তান মানুষকে নানাভাবে ধোঁকা, প্রতারণা, প্ররোচনা ও ক্ষতির দিকে নিয়ে যায়। এসব ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের একান্ত দায়িত্ব ও কাজ। হাদিসের অসংখ্য বর্ণনায় শয়তানের ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকার আমল ওঠে এসেছে। এমনকি এমন অনেক আমল আছে যার প্রতিক্রিয়ায় শয়তান ও বদ জিন ভয়ে মানুষ থেকে পালিয়ে যায়। সেসব আমলগুলো কী?

১. নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি (প্রতিদিন) সকাল ও বিকালে আয়াতুল কুরসি ১ বার পড়বে; ওই ব্যক্তি সারাদিন শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয়ে থাকবেন।’ (তারগিব)

আরও

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পড়বে শয়তান সারা রাত তার কাছে যাবে না।’ (বুখারি)

আরও

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন

৩. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যেসব ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় ৩বার পড়বে-

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।’

অর্থ : ‘আল্লাহর নামে; যাঁর নামের সঙ্গে আসমান ও জমিনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।’

তাহলে (বদ-জিন ও শয়তানসহ) কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।; (আবু দাউদ)

৪. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘পেশাব-পায়খানার স্থানে জিন শয়তান থাকে। অতএব তোমাদের কেউ যখন সেখানে যায়; সে যেন বলে-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبائِث

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খুবছি ওয়াল খাবায়িছ।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অপবিত্র পুরুষ জিন ও নারী জিন থেকে আশ্রয় চাই।’ (ইবনে হিব্বান, বুখারি, মুসলিম)

এছাড়াও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো গর্তে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন; কারণ গর্ত হল জিনদের থাকার জায়গা।’ (আবু দাউদ)

৫. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সকাল-বিকাল সুরা ইখলাস, ফালাক, এবং নাস ৩ বার পড়বে; এ আমলই তার সবকিছুর (অনিষ্টতা থেকে বেঁচে থাকার) জন্য যথেষ্ট হবে।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি)

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

শিশুদের জিন-শয়তান থেকে নিরাপদ রাখতে

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা সন্ধ্যার সময় তোমাদের সন্তানদের বাহিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখবে। কারণ, তখন জিন-শয়তান (জমিনে) ছড়িয়ে পড়ে।’ (বুখারি)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে হজরত হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্য এভাবে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন-

أُعِيذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ

উচ্চারণ : উয়িজুকুমা বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লাম্মাতিন।’

‘আমি তোমাদের দুইজনকে আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের আশ্রয়ে নিচ্ছি- যাবতীয় শয়তান ও বিষধর জন্তু থেকে এবং যাবতীয় ক্ষতিকর চোখ (বদনজর) থেকে।’ (বুখারি)

এমনকি শয়তান নারী-পুরুষের সন্তান জন্মদানের সময় তথা সহবাসের সময়ও ক্ষতি ও ধোঁকা-প্ররোচনা দিয়ে থাকে। সে সময় শয়তান-জিনের ক্ষতি থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার কথা এসেছে হাদিসে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিম্নোক্ত দোয়া পাঠ করে সহবাস করলে-

بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা ওয়া জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাযাক্বতানা।’

অর্থ : ‘আল্লাল্লাহর নামে। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদের আপনি যে সন্তান দান করবেন তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।’

এ দোয়া পড়ার পর ওই সহবাসের ফলে সৃষ্ট সন্তানের কোনো ক্ষতি করতে পারে না জিন-শয়তান।’ (বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিজি)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, শয়তানের আক্রমণ, ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে বেঁচে থাকতে হাদিসের ওপর আমল করা। যারাই নিয়মিত এ আমলগুলো করবে শয়তান তাদের থেকে পালিয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কোরআন-সুন্নাহর আমলে শয়তান-জিনের ক্ষতি ও প্ররোচনা থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৯০

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৯০

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১১১

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১১১

লালবাগে মাটির নিচে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ, আটক একজন

লালবাগে মাটির নিচে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ, আটক একজন

চোর লুটেরা পালায়, সৎ মানুষ দেশেই থাকে: শফিকুর রহমান

চোর লুটেরা পালায়, সৎ মানুষ দেশেই থাকে: শফিকুর রহমান

২৪ সেপ্টেম্বরের পর বাড়বে না হজ নিবন্ধনের সময়

২৪ সেপ্টেম্বরের পর বাড়বে না হজ নিবন্ধনের সময়

জনপ্রিয় সংবাদ

জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বাসে উঠেই জীবন দিয়ে গেলেন ইসমাইল

জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বাসে উঠেই জীবন দিয়ে গেলেন ইসমাইল

হাকিমপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

হাকিমপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

বঙ্গোপসাগরে চাঁদার দাবিতে জেলে ট্রলারে হামলা, আহত ৪

বঙ্গোপসাগরে চাঁদার দাবিতে জেলে ট্রলারে হামলা, আহত ৪

র‍্যাব বিলুপ্ত করে সংসদে পাস হলো এসআরবি বিল

র‍্যাব বিলুপ্ত করে সংসদে পাস হলো এসআরবি বিল

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্য স্মৃতিবিজড়িত দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করবেন বিশ্বের মুসলমানরা। প্রায় ১,৪০০ বছর আগে এই দিনে মানবজাতির হেদায়েতের আলো নিয়ে আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তিনি ওফাত লাভ করেন। মহানবী (সা.) ইসলামের সর্বশেষ নবী ও রাসুল। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কার অভিজাত কুরাইশ গোত্রে

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

মানুষের জীবনে ভুল, মতবিরোধ ও মনোমালিন্য স্বাভাবিক বিষয়। তবে ইসলাম মানুষকে প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা, ধৈর্য ও উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। কোরআন ও হাদিসে অন্যকে ক্ষমা করার মর্যাদা এবং এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘যারা রাগ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।’ এই আয়াত একজন মুমিনকে রাগের মুহূর্তেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের সীমারেখা পেরিয়ে গোটা মানবজাতির জন্য কল্যাণ, শান্তি ও উত্তম আদর্শ নিয়ে আগমন করেছেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’—সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ; তার জন্য, যে আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।’ (সূরা আল-আহযাব: ২১) মহানবী