শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

ইসলাম সব ধরনের অজ্ঞতাবিরোধী

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৩৬

শেয়ার করুনঃ
ইসলাম সব ধরনের অজ্ঞতাবিরোধী
ইসলাম
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

মানবতার ধর্ম ইসলাম সব ধরনের অজ্ঞতাবিরোধী। তাই ইসলাম অশিক্ষিত লোকদের শিক্ষার অনুগামী হতে বলে। শিক্ষাহীনতাকে ইসলাম ভর্ৎসনা করে। ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্খতা মানে শুধু অশিক্ষা নয়, সত্যের ব্যাপারে অজ্ঞতা এক ধরনের অন্ধতা। বিশ্বাসের ক্ষেত্রে অনৈতিক গোঁড়ামি এবং চিন্তার ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ এক ধরনের মূর্খতা। 

অনেকেই আবার ইসলামি চেতনা, বোধ-বিশ্বাস ও স্বাভাবিক জ্ঞানার্জনকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখেন। অথচ ইসলামি শিক্ষা, চিন্তা-চেতনা ও কর্মতৎপরতায় জ্ঞানার্জন, চর্চা এবং আধ্যাত্মিকতার মাঝে কোনো দ্বদ্ব নেই। শিক্ষা ও জ্ঞানার্জন এমন একটি অনুষঙ্গ, যা ইসলামি শিক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

আরও

সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত

সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত

পবিত্র কুরআন-হাদিসের বিভিন্ন বাণী থেকে শুরু করে পূর্ববর্তী ধর্মীয় স্কলাররা শুধু মুসলমানদের নয় বরং অন্যান্য ধর্মের অনুসারীসহ সব মানুষকে জ্ঞানার্জনের দিকে আহ্বান জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে সূরা আম্বিয়ার ৬৭ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের এবং তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদের উপাসনা করো তাদের ওপর ধিক্কার! আচ্ছা, তোমরা কি চিন্তা করো না অর্থাৎ তোমাদের কি জ্ঞান-বুদ্ধি নেই?’

জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে ইসলাম সবসময় আধ্যাত্মিকতার সমন্বয়ে কল্যাণমূলক শিক্ষার কথা বলে। এর সুন্দর উপমা আমরা দেখতে পাই কুরআনে কারিমের নাজিল হওয়া প্রথম দিকের আয়াতগুলোর দিকে তাকালে। 

আরও

রমজান শুরু হতে বাকি ১০০ দিন, প্রস্তুতি শুরু মুসলিম বিশ্বে

রমজান শুরু হতে বাকি ১০০ দিন, প্রস্তুতি শুরু মুসলিম বিশ্বে

যে আয়াতগুলোতে জ্ঞানার্জনের প্রতি ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘পড়ো, তোমার প্রভুর নামে, যিনি এই বিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন জমাটবাঁধা রক্ত থেকে। পড়ো, সেই প্রভুর নামে, যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ও মহাদয়ালু। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন সেসব, যা সে জানত না।’ -সুরা আলাক: ১-

সর্বপ্রথম নাজিল হওয়া এই আয়াতগুলোর প্রেক্ষাপট ও সময়কালের প্রতি দৃষ্টিপাত করলে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করা যায়। যখন এই আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়, সে সময় মক্কা ও এর আশপাশে লেখাপড়া জানা লোকের সংখ্যা খুব একটা ছিল না বললেই চলে। অথচ সে সময় মক্কা ও হেজাজসহ এর আশপাশের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল বেশ সচ্ছল। 

https://enews71.com/storage/ads/01JQ184AJV9F0T856X9BBSG85X.gif

এ ছাড়া উন্নতমানের কাব্যচর্চা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং উপাসনা-আরাধনার মূল কেন্দ্র ছিল মক্কা। এমতাবস্থায় পদ্ধতিগত পড়ালেখার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করা থেকে উপলব্ধি করা যায় যে, ইসলামে জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব কত বেশি। কুরআনে কারিমের এমন গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্ঞানার্জনকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করেছেন। মদিনায় তিনি চেষ্টা করেছেন শিক্ষা বিস্তারের সুযোগ-সুবিধাগুলোকে সবার জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত করে দিতে। 

এ ছাড়াও শিক্ষার প্রতি নবীর (সা.) অনুরাগের প্রকাশ ঘটে বদর যুদ্ধের শিক্ষিত বন্দিদের ক্ষেত্রে। তখন নবী (সা.) ঘোষণা করেন, একজন বন্দি দশজন মুসলমানকে পড়ালেখা শেখানোর বিনিময়ে মুক্তি পেতে পারে। নবীর (সা.) এই পদক্ষেপের ফলে বহু মুসলমান পড়ালেখা শেখার সুযোগ পায়। তৎকালীন সমাজে জ্ঞানার্জনের প্রতি এমন গুরুত্ব প্রদানের বিষয়টি সমাজে বেশ প্রভাব সৃষ্টি করে। প্রশংসিত হয় নবীর (সা.) এই শিক্ষানীতি ও শিক্ষাপ্রেম, যা আজও ইতিহাসের পাতায় স্বমিহমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে। 

কুরআনে কারিমে বিভিন্ন প্রসঙ্গে জ্ঞান শব্দটি অন্তত ৮০ বার এসেছে। এভাবে কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে, বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন প্রসঙ্গে জ্ঞানার্জনের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে অনেক আয়াত নাজিল হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে জ্ঞানার্জনের শ্রেষ্ঠতার কথা। আলেমরা জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেন, কোনো শিক্ষার আসরে উপস্থিত হওয়া, লাশ দাফন (মৃতের লাশ দাফনের জন্য যদি কেউ থাকে তাহলে), রোগী দেখতে যাওয়া, রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগি করা, দিনে নফল রোজা রাখা ও অভাবীকে হাজার দিরহাম সদকা করার চেয়ে উত্তম। কারণ, শুধু শিক্ষার মাধ্যমে আল্লাহতায়ালার আনুগত্য করার তাৎপর্য সম্পর্কে জানা যায়। অবগত হওয়া যায়, আল্লাহর পরিচয় ও দুনিয়ায় নবীদের (সা.) আগমনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে। 

এক কথায়, দুনিয়া ও আখেরাতের সব কল্যাণ-অকল্যাণ, মঙ্গল-অমঙ্গল নিহিত শিক্ষার মাঝে। আর এটাই হলো- শিক্ষা ও মূর্খতার মধ্যকার পার্থক্য। ধন-সম্পদ কিংবা সামরিক শক্তি নয়, ইসলামের এই শাশ্বত শিক্ষার আলোকে আগেকার যুগের মুসলমানরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় শক্তিশালী স্থান করে নিয়েছিলেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় মুসলমানদের মাধ্যমে আবিষ্কৃত ও বিকশিত হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য মুসলমানদের, বেশিদিন এ ধারা স্থায়িত্ব পায়নি, যার প্রভাব আজও বিদ্যমান।

বর্তমান সময়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মুসলমানদের বিচরণ নেই বললেই চলে। ফলে মুসলমানরা এখন সমাজ ও রাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্য কোনো অবদান রাখতে পারছে না। এ অবস্থা কাম্য নয়। আমরা আশা করি, বর্তমান চিন্তাশীল মুসলিম নেতৃত্ব সর্বজনগ্রাহ্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে এই অবস্থা উত্তরণে সচেষ্ট হবেন। কারণ, জ্ঞানচর্চা চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে। যে জ্ঞানের প্রসারতা, আলো ও উদারতা ছাড়া মুসলমানদের কোনো বিকল্প নেই, মুক্তি নেই।

 লেখক : শাহীন হাসনাত , মুফতি ও ইসলামবিষয়ক লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিব

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিব

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনও বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয়

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনও বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয়

ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিল আখেরী মুনাজাতে শেষ: লাখো মানুষের রোনাজারি

ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিল আখেরী মুনাজাতে শেষ: লাখো মানুষের রোনাজারি

ঝিনাইদহে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা নিহত

ঝিনাইদহে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা নিহত

হিলি সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে কুপিজেসিক ইনজেকশন জব্দ

হিলি সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে কুপিজেসিক ইনজেকশন জব্দ

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় ফের ভূমিকম্প: বিকেল ৬টা ৬ মিনিটে ৩.৭ মাত্রার কম্পন

ঢাকায় ফের ভূমিকম্প: বিকেল ৬টা ৬ মিনিটে ৩.৭ মাত্রার কম্পন

দিনাজপুরে মিনিবাস–অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু

দিনাজপুরে মিনিবাস–অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু

হাতিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২২

হাতিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২২

২০৩০ সালের মধ্যেই জলবায়ু ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া: বিশ্বব্যাংক

২০৩০ সালের মধ্যেই জলবায়ু ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া: বিশ্বব্যাংক

৪০০ বছরের চাপ: বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা আরও বড় ধাক্কার!

৪০০ বছরের চাপ: বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা আরও বড় ধাক্কার!

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত

সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত

মানুষের একটি ভালো কথা যেমন একজনের মন জয় করে নিতে পারে,তেমনি একটু খারাপ বা অশোভন আচরণ মানুষের মনে কষ্ট আসে।সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হিসেবে আমাদের উচিৎ সর্বদা মানুষের সঙ্গে ভালো ও সুন্দরভাবে কথা বলা। সুন্দর ব্যবহার ও আচার-আচরণ বলতে আমরা বুঝি কারও সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলা,দেখা হলে সালাম দেওয়া,কুশলাদি জিজ্ঞেস করা,কর্কশ ভাষায় কথা না বলা, ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত না হওয়া,ধমক বা রাগের সুরে কথা

জমাদিউস সানি মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

জমাদিউস সানি মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

আরবি বর্ষপঞ্জির হিজরি সনের ষষ্ঠ মাস হলো জমাদিউস সানি। এর জোড়া মাস হলো ‘জমাদিউল আউয়াল’। এটি হিজরি সনের পঞ্চম মাস। এর বাংলা অর্থ হলো প্রথম জুমাদা ও দ্বিতীয় জুমাদা বা প্রথম শীত ও দ্বিতীয় শীত; অর্থাৎ শীতকালের প্রথম মাস ও শীতকালের দ্বিতীয় মাস। আরবে তৎকালে এই দুই মাস ছিল শীতকাল। আরবিতে মাস দুটির নাম হলো ‘আল জুমাদাল উলা’ ও ‘আল

হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন, বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পাবেন ৭৮,৫০০ জন

হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন, বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পাবেন ৭৮,৫০০ জন

২০২৬ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। রোববার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিবন্ধিত হজযাত্রীরা এখন হজ পোর্টালের (hajj.gov.bd) মাধ্যমে পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে তাদের তথ্য যাচাই করতে পারবেন।

দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.)

দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.)

দিনের শুরুতে ফজরের নামাজের সালাম ফেরানোর পরপর এ দোয়া পড়তেন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এ আমলটি প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার। কেননা মুমিন মুসলমানের তো হালাল রিজিক, উপকারী জ্ঞান, কবুলযোগ্য আমলই জীবনে একমাত্র চাওয়া-পাওয়া। হাদিসের বর্ণনায় দোয়াটি এভাবে এসেছে- হজরত উম্মু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাজ পড়ে সালাম ফিরিয়ে (প্রতিদিন

আল্লাহর পরিচয় ও কর্তৃত্ব: কুরআনের আলোকে ব্যাখ্যা

আল্লাহর পরিচয় ও কর্তৃত্ব: কুরআনের আলোকে ব্যাখ্যা

আল্লাহ কে? এই প্রশ্ন মানবজাতির চিরন্তন অনুসন্ধান। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী এই বিষয়ে পবিত্র কুরআনের আলোকে তুলে ধরেছেন মহান আল্লাহর পরিচয়, কর্তৃত্ব ও মানুষের প্রতি তার নির্দেশনার প্রকৃত রূপ। কুরআনের সূরা ইউনুসের তৃতীয় আয়াতে আল্লাহ নিজেই জানিয়েছেন, তিনি আসমান-যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং বিশ্বজগতের শাসনকর্তা হিসেবে সমাসীন আছেন। তিনি বলেন, সৃষ্টির পর আল্লাহ কোনোভাবেই নিস্ক্রিয় নন বরং তিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন প্রতিটি ঘটনার